২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

অর্জুনী পল্লী উন্নয়নী ঞ্জান মন্দির উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী ছাত্র ছাত্রীদের জন্য ভ্যাক্সিনেশন শিবির

খড়গপুর: অর্জুনী পল্লী উন্নয়নী ঞ্জান মন্দির উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে (খেমাশুলী হাই স্কুল) সরকারী স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী ছাত্র ছাত্রীদের জন্য ভ্যাক্সিনেশন শিবির। বিদ্যালয়ে এই বয়সের মধ্যে ৫৪৪ জন ছাত্র ছাত্রী রয়েছে বলে জানান বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গুরুচরণ পাত্র মহাশয়।

খড়্গপুর স্টেট জেনারেল হসপিটাল, হিজলী গ্ৰামীন স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও খেমাশুলী প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীগণ এসে এই শিবির পরিচালনা করেন বলে জানান বিদ্যালয়ের পরিচালন সমিতির সভাপতি বিনোদ বিহারী মাহাত। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক গৌতম কুমার ভকত সমগ্ৰ শিবিরটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য নেতৃত্ব দেন। শিক্ষক, শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীরা একাজে সহযোগিতা করেন। এই ভ্যাক্সিনেশনের (কোভ্যাকসিন) ফলে ছাত্র ছাত্রীদের করোনা ভীতি অনেকটাই দুর হলো।

২৮ দিন পর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে বলে বিদ্যালয় ও স্বাস্থ্য কর্মীদের পক্ষ থেকে ছাত্র ছাত্রীদের জানানো হয়।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

অর্জুনী পল্লী উন্নয়নী ঞ্জান মন্দির উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী ছাত্র ছাত্রীদের জন্য ভ্যাক্সিনেশন শিবির

আপডেট : ৫ জানুয়ারী ২০২২, বুধবার

খড়গপুর: অর্জুনী পল্লী উন্নয়নী ঞ্জান মন্দির উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে (খেমাশুলী হাই স্কুল) সরকারী স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হলো ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সী ছাত্র ছাত্রীদের জন্য ভ্যাক্সিনেশন শিবির। বিদ্যালয়ে এই বয়সের মধ্যে ৫৪৪ জন ছাত্র ছাত্রী রয়েছে বলে জানান বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গুরুচরণ পাত্র মহাশয়।

খড়্গপুর স্টেট জেনারেল হসপিটাল, হিজলী গ্ৰামীন স্বাস্থ্য কেন্দ্র ও খেমাশুলী প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্র থেকে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীগণ এসে এই শিবির পরিচালনা করেন বলে জানান বিদ্যালয়ের পরিচালন সমিতির সভাপতি বিনোদ বিহারী মাহাত। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক গৌতম কুমার ভকত সমগ্ৰ শিবিরটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য নেতৃত্ব দেন। শিক্ষক, শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীরা একাজে সহযোগিতা করেন। এই ভ্যাক্সিনেশনের (কোভ্যাকসিন) ফলে ছাত্র ছাত্রীদের করোনা ভীতি অনেকটাই দুর হলো।

২৮ দিন পর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে বলে বিদ্যালয় ও স্বাস্থ্য কর্মীদের পক্ষ থেকে ছাত্র ছাত্রীদের জানানো হয়।