২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

প্রবল বর্ষণে কেশপুরে ভেঙে পড়ল মাটির দোতলা বাড়ি, মৃত্যু গবাদি পশুর

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার
  • 7

নিজস্ব সংবাদদাতা , নতুন গতি, কেশপুর: গত দুদিনের প্রবল বর্ষণে দিয়ে ভেঙে পড়ল মাটির দোতলা বাড়ি । সেই সঙ্গে চারটি গবাদি পশুর প্রাণহানি হয়েছে । ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের চড়কা গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চরকা গ্রামের সেখ আসিরউদ্দিনের মাটির দোতলা বাড়ি ছিল।পাশেই ছিলো গোয়াল ঘর। প্রবল বর্ষণে মাটির বাড়িতে ফাটল দেখা দেয়। বিপদ বুজতে পেরেই গত রাতেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে প্রতিবেশীর বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল। তবে বাড়ির কোন মালপত্র বের করার সুযোগ পাননি তারা। মঙ্গলবার সকালে দোতলা মাটির বাড়ি হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে পাশের গোয়ালের ওপর। এতে গোয়ালের থাকা ৪ টি গরু চাপা পড়ে মারা যায়। এছাড়াও বাড়ির মধ্যে থাকা কাগজপত্র, টাকা পয়সা , দলিল সব নষ্ট হয়ে গেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেসিবি এনে মৃত গবাদি পশুগুলিকে উদ্ধার করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দেয়া হয়েছে।
এক গ্রামবাসী বলেন, প্রবল বর্ষণে গ্রামের আরো অনেক বাড়ি ভেঙে যেতে পারে।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

প্রবল বর্ষণে কেশপুরে ভেঙে পড়ল মাটির দোতলা বাড়ি, মৃত্যু গবাদি পশুর

আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার

নিজস্ব সংবাদদাতা , নতুন গতি, কেশপুর: গত দুদিনের প্রবল বর্ষণে দিয়ে ভেঙে পড়ল মাটির দোতলা বাড়ি । সেই সঙ্গে চারটি গবাদি পশুর প্রাণহানি হয়েছে । ঘটনাটি ঘটেছে পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরের চড়কা গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চরকা গ্রামের সেখ আসিরউদ্দিনের মাটির দোতলা বাড়ি ছিল।পাশেই ছিলো গোয়াল ঘর। প্রবল বর্ষণে মাটির বাড়িতে ফাটল দেখা দেয়। বিপদ বুজতে পেরেই গত রাতেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে প্রতিবেশীর বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল। তবে বাড়ির কোন মালপত্র বের করার সুযোগ পাননি তারা। মঙ্গলবার সকালে দোতলা মাটির বাড়ি হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে পাশের গোয়ালের ওপর। এতে গোয়ালের থাকা ৪ টি গরু চাপা পড়ে মারা যায়। এছাড়াও বাড়ির মধ্যে থাকা কাগজপত্র, টাকা পয়সা , দলিল সব নষ্ট হয়ে গেছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জেসিবি এনে মৃত গবাদি পশুগুলিকে উদ্ধার করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব রকম সাহায্যের আশ্বাস দেয়া হয়েছে।
এক গ্রামবাসী বলেন, প্রবল বর্ষণে গ্রামের আরো অনেক বাড়ি ভেঙে যেতে পারে।