১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রবিবার, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, রবিবার, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩

আগামী ১০০ থেকে ১২৫ দিনের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে করোনার তৃতীয় ঢেউ রোখা যাবে কিনা

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: করোনার তৃতীয় ঢেউ কি রোখা যাবে ভারতে? আগামী ১০০ থেকে ১২৫ দিনের মধ্যেই তা স্পষ্ট হয়ে যাবে৷ এ দিন এমনই সতর্কবার্তা দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক৷ সতর্কবার্তায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, করোনার তৃতীয় ঢেউ রোখার ক্ষেত্রে পরবর্তী ১০০ থেকে ১২৫ দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷

এদিন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সাপ্তাহিক সাংবাদিক সম্মেলনে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে৷ কেন্দ্রীয় নীতি আয়োগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সদস্য ভি কে পাল বলেন, ‘সংক্রমণের হার যে গতিতে কমছিল তা ফের থমকে গিয়েছে৷ এটা একটা বিপদ সংকেত৷ ভারতে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পরবর্তী ১০০ থেকে ১২৫ দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷’

এদিন ভ্যাকসিনের কার্যকরিতা বোঝাতে পুলিশকর্মীদের নিয়ে করা একটি সমীক্ষার রিপোর্ট প্রকাশ করেছে আইসিএমআর৷ করোনা যোদ্ধা হিসেবে পুলিশ কর্মীদের সংক্রামিত হওয়ার আশঙ্কা খুবই বেশি৷ কিন্তু এই সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ভ্যাকসিনের দু’টি ডোজই নিয়েছেন যে পুলিশকর্মীরা, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে তাঁদের মধ্যে ৯৫ শতাংশের ক্ষেত্রেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু আটকানো গিয়েছে৷ যাঁরা একটি ভ্যাকসিন নিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ৮২ শতাংশ ক্ষেত্রে করোনা সংক্রমণে মৃ্ত্যু এড়ানো গিয়েছে৷

ভি কে পালের অবশ্য দাবি, জুলাই মাসের মধ্যে ৫০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার৷ সেই লক্ষ্য সম্ভবত পূরণও হয়ে যাবে৷ নতুন করে কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিনের আরও ৬৬ কোটি ডোজের বরাত দিয়েছে সরকার৷ এ ছাড়াও আরও ২২ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন পাবে বেসরকারি হাসপাতাল বা টিকাকরণ কেন্দ্রগুলি৷

ভি কে পাল জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বাস্থ্য মন্ত্রককে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন যাতে দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ আটকানো যায়৷ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লভ আগরওয়াল বলেন, দৈনন্দিন কাজকর্ম যত স্বাভাবিক হচ্ছে ততই মাস্ক পরার প্রবণতা কমছে মানুষের মধ্যে৷ তিনি বলনে, ‘মাস্ক পরাটা আমাদের দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করে ফেলা উচিত৷’ লভ আগরওয়ালের অবশ্য দাবি, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলাকালীন দৈনিক সংক্রমণের হার ক্রমশ কমছে৷ তিনি বলেন, ‘মে মাসের ৫ থেকে ১১ তারিখের মধ্যে গড়ে দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা ছিল ৩ লক্ষ ৮৭ হাজার ২৯৷ সেখানে ১৪ থেকে ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে তা কমে হয়েছে ৪০,৩৩৬৷’

বকেয়া টাকার দাবিতে ঠিকাদারদের বিক্ষোভ, উত্তেজনা মোথাবাড়িতে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আগামী ১০০ থেকে ১২৫ দিনের মধ্যেই স্পষ্ট হয়ে যাবে করোনার তৃতীয় ঢেউ রোখা যাবে কিনা

আপডেট : ১৬ জুলাই ২০২১, শুক্রবার

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: করোনার তৃতীয় ঢেউ কি রোখা যাবে ভারতে? আগামী ১০০ থেকে ১২৫ দিনের মধ্যেই তা স্পষ্ট হয়ে যাবে৷ এ দিন এমনই সতর্কবার্তা দিল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক৷ সতর্কবার্তায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, করোনার তৃতীয় ঢেউ রোখার ক্ষেত্রে পরবর্তী ১০০ থেকে ১২৫ দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷

এদিন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সাপ্তাহিক সাংবাদিক সম্মেলনে এই সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে৷ কেন্দ্রীয় নীতি আয়োগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সদস্য ভি কে পাল বলেন, ‘সংক্রমণের হার যে গতিতে কমছিল তা ফের থমকে গিয়েছে৷ এটা একটা বিপদ সংকেত৷ ভারতে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে পরবর্তী ১০০ থেকে ১২৫ দিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ৷’

এদিন ভ্যাকসিনের কার্যকরিতা বোঝাতে পুলিশকর্মীদের নিয়ে করা একটি সমীক্ষার রিপোর্ট প্রকাশ করেছে আইসিএমআর৷ করোনা যোদ্ধা হিসেবে পুলিশ কর্মীদের সংক্রামিত হওয়ার আশঙ্কা খুবই বেশি৷ কিন্তু এই সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ভ্যাকসিনের দু’টি ডোজই নিয়েছেন যে পুলিশকর্মীরা, করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে তাঁদের মধ্যে ৯৫ শতাংশের ক্ষেত্রেই করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু আটকানো গিয়েছে৷ যাঁরা একটি ভ্যাকসিন নিয়েছেন, তাঁদের মধ্যে ৮২ শতাংশ ক্ষেত্রে করোনা সংক্রমণে মৃ্ত্যু এড়ানো গিয়েছে৷

ভি কে পালের অবশ্য দাবি, জুলাই মাসের মধ্যে ৫০ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগোচ্ছে সরকার৷ সেই লক্ষ্য সম্ভবত পূরণও হয়ে যাবে৷ নতুন করে কোভিশিল্ড ও কোভ্যাক্সিনের আরও ৬৬ কোটি ডোজের বরাত দিয়েছে সরকার৷ এ ছাড়াও আরও ২২ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন পাবে বেসরকারি হাসপাতাল বা টিকাকরণ কেন্দ্রগুলি৷

ভি কে পাল জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি স্বাস্থ্য মন্ত্রককে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন যাতে দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ আটকানো যায়৷ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব লভ আগরওয়াল বলেন, দৈনন্দিন কাজকর্ম যত স্বাভাবিক হচ্ছে ততই মাস্ক পরার প্রবণতা কমছে মানুষের মধ্যে৷ তিনি বলনে, ‘মাস্ক পরাটা আমাদের দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করে ফেলা উচিত৷’ লভ আগরওয়ালের অবশ্য দাবি, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ চলাকালীন দৈনিক সংক্রমণের হার ক্রমশ কমছে৷ তিনি বলেন, ‘মে মাসের ৫ থেকে ১১ তারিখের মধ্যে গড়ে দৈনিক সংক্রমণের সংখ্যা ছিল ৩ লক্ষ ৮৭ হাজার ২৯৷ সেখানে ১৪ থেকে ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে তা কমে হয়েছে ৪০,৩৩৬৷’