১৮ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩
১৮ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩

বাবা দরিদ্র শ্রমিক লকডাউনে রোজগার বন্ধ মেয়ের বিয়ে দিল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “নতুন আলো”

নাজমুস শাহাদাত,মালদা:মেয়ের বিয়ে নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন মা অর্চনা সিংহ। গরিব পরিবার তাঁদের। এই অবস্থায় মেজো মেয়ে বুল্টি সিংহের বিয়ে নিয়ে রাতে ঘুম উড়েছিল মেয়ের। অসহায়তার খবর পেয়ে পাশে দাঁড়াল নতুন আলো-‌র সদস্যরা। তাঁদের উদ্যোগে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে পারল মেয়ে বুল্টি। রবিবার রাতে ৪ হাত এক হয়ে গেল ছোট্ট অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে। কালিয়াচক-‌৩ ব্লকের অন্তর্গত বাখরাবাদ অঞ্চলের হঠাৎ পাড়া গ্রামের ঘটনা। বাবা মহাদেব সিংহ অনেক দিন আগেই মারা গেছেন, মা অর্চনা সিংহ তারপর থেকে অসহায়। বিয়ের যাবতীয় আয়োজন নিজের হাতে করেন তাঁরা। ছাতনাতলা থেকে বাড়িতে ত্রিপল টাঙানো সব নিজের হাতে করেন সদস্যরা। যুবকদের মধ্যে যুবরাজ ত্রিবেদী, আলমগীর খান, মিরাজ বিশ্বাসরা বলেন,‘‌আমরা ওই পরিবারের সঙ্গে কথা বলে বুল্টির বিয়ের যাবতীয় খরচ করার ব্যাপারে কথা দিই।

রবিবার রাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিয়ের আয়োজন করা হয়। সরকারি বিধি মেনেই আমন্ত্রিতরা হাজির ছিলেন।’‌ জানা গেছে, পাত্রের নাম পবিত্র সিংহ। সংশ্লিষ্ট কালিয়াচক-‌৩ ব্লকেই বাড়ি তাঁর। পেশায় শ্রমিক তিনি। রাতে মাস্ক পরেই পাত্র-‌পাত্রীর বিয়ে হয়। সামাজিক দূরত্ব বজায় থেকে স্যানিটাইজারের ঘনঘট ব্যবহারের বিষয়টি তদারকিতে ছিলেন যুবরাজ, আলমগীররাই। সাদামাঠা বিয়ে বলতে যা বোঝাই, সেই মতো অনুষ্ঠান। নিমন্ত্রিত মানুষজন,বরযাত্রীদের মাটিতে মাদুর বিছিয়েই খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হয়।

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বাবা দরিদ্র শ্রমিক লকডাউনে রোজগার বন্ধ মেয়ের বিয়ে দিল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন “নতুন আলো”

আপডেট : ১৪ জুলাই ২০২০, মঙ্গলবার

নাজমুস শাহাদাত,মালদা:মেয়ের বিয়ে নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলেন মা অর্চনা সিংহ। গরিব পরিবার তাঁদের। এই অবস্থায় মেজো মেয়ে বুল্টি সিংহের বিয়ে নিয়ে রাতে ঘুম উড়েছিল মেয়ের। অসহায়তার খবর পেয়ে পাশে দাঁড়াল নতুন আলো-‌র সদস্যরা। তাঁদের উদ্যোগে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে পারল মেয়ে বুল্টি। রবিবার রাতে ৪ হাত এক হয়ে গেল ছোট্ট অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে। কালিয়াচক-‌৩ ব্লকের অন্তর্গত বাখরাবাদ অঞ্চলের হঠাৎ পাড়া গ্রামের ঘটনা। বাবা মহাদেব সিংহ অনেক দিন আগেই মারা গেছেন, মা অর্চনা সিংহ তারপর থেকে অসহায়। বিয়ের যাবতীয় আয়োজন নিজের হাতে করেন তাঁরা। ছাতনাতলা থেকে বাড়িতে ত্রিপল টাঙানো সব নিজের হাতে করেন সদস্যরা। যুবকদের মধ্যে যুবরাজ ত্রিবেদী, আলমগীর খান, মিরাজ বিশ্বাসরা বলেন,‘‌আমরা ওই পরিবারের সঙ্গে কথা বলে বুল্টির বিয়ের যাবতীয় খরচ করার ব্যাপারে কথা দিই।

রবিবার রাতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিয়ের আয়োজন করা হয়। সরকারি বিধি মেনেই আমন্ত্রিতরা হাজির ছিলেন।’‌ জানা গেছে, পাত্রের নাম পবিত্র সিংহ। সংশ্লিষ্ট কালিয়াচক-‌৩ ব্লকেই বাড়ি তাঁর। পেশায় শ্রমিক তিনি। রাতে মাস্ক পরেই পাত্র-‌পাত্রীর বিয়ে হয়। সামাজিক দূরত্ব বজায় থেকে স্যানিটাইজারের ঘনঘট ব্যবহারের বিষয়টি তদারকিতে ছিলেন যুবরাজ, আলমগীররাই। সাদামাঠা বিয়ে বলতে যা বোঝাই, সেই মতো অনুষ্ঠান। নিমন্ত্রিত মানুষজন,বরযাত্রীদের মাটিতে মাদুর বিছিয়েই খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হয়।