২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

“দোস্তজি” এখন আন্তর্জাতিক মহলে সমাদৃত

মুর্শিদাবাদের জনজীবন এবং দুই শিশুর গল্প “দোস্তজি” এখন আন্তর্জাতিক মহলে সমাদৃত

নিজস্ব সংবাদদাতা: মুর্শিদাবাদের ডোমকলের সীমান্তবর্তী এলাকার পটভূমিতে লেখা মৌলিক গল্প “দোস্তজি” সিনেমায় তুলে ধরেছেন তরুণ চলচ্চিত্র পরিচালক প্রসূন চ্যাটার্জি। মুর্শিদাবাদের জনজীবন ও দুই শিশুর গল্প নিয়ে তৈরি সিনানাটি ‘হংকং আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’-এ ওয়ার্কিং ফিল্ম প্রোগ্রেস গ্রুপে সেরা দশ ফিচার ফিল্মে জায়গা করে নিয়েছে। ‘দোস্তজি’ শুধু ভারত থেকে ওই বিভাগে একমাত্র জায়গা পেয়েছে। এছাড়াও এ বছরে ‘কান চলচ্চিত্র উৎসব’-এর ‘গোজ় টু কানস-ওয়ার্কিং ফিল্ম প্রোগ্রেস’ বিভাগেও নির্বাচিত হয়েছে।
সিনেমাটিতে মূল চরিত্রে অভিনয় করেছে কাঠুরিয়া গ্রামের দুই শিশু, আশিক শেখ ও আরিফ শেখ।
দমদম ক্যান্টনমেন্টের বাসিন্দা পরিচালক প্রসূন বলেন , “সীমান্তবর্তী গ্রামের পটভূমি ধরতে চেয়েছিলাম। স্থানীয় মানুষজনকে নিয়েই কাজ করেছি। শহরের বিভিন্ন প্রযোজকের দরজায় ঘুরে ঘুরে অবশেষে ২০১৭ সালে ক্রাউড ফান্ডিং করে কিছু টাকা জোগাড় হয়, বাকি টাকা দিয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তাইওয়ানের প্রযোজক আইভি ইউ-হুয়া শেন। তারপরই সম্ভব হয় সিনেমাটি সম্পূর্ণ করে তুলতে।”

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

“দোস্তজি” এখন আন্তর্জাতিক মহলে সমাদৃত

আপডেট : ২৪ জুন ২০২০, বুধবার

মুর্শিদাবাদের জনজীবন এবং দুই শিশুর গল্প “দোস্তজি” এখন আন্তর্জাতিক মহলে সমাদৃত

নিজস্ব সংবাদদাতা: মুর্শিদাবাদের ডোমকলের সীমান্তবর্তী এলাকার পটভূমিতে লেখা মৌলিক গল্প “দোস্তজি” সিনেমায় তুলে ধরেছেন তরুণ চলচ্চিত্র পরিচালক প্রসূন চ্যাটার্জি। মুর্শিদাবাদের জনজীবন ও দুই শিশুর গল্প নিয়ে তৈরি সিনানাটি ‘হংকং আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব’-এ ওয়ার্কিং ফিল্ম প্রোগ্রেস গ্রুপে সেরা দশ ফিচার ফিল্মে জায়গা করে নিয়েছে। ‘দোস্তজি’ শুধু ভারত থেকে ওই বিভাগে একমাত্র জায়গা পেয়েছে। এছাড়াও এ বছরে ‘কান চলচ্চিত্র উৎসব’-এর ‘গোজ় টু কানস-ওয়ার্কিং ফিল্ম প্রোগ্রেস’ বিভাগেও নির্বাচিত হয়েছে।
সিনেমাটিতে মূল চরিত্রে অভিনয় করেছে কাঠুরিয়া গ্রামের দুই শিশু, আশিক শেখ ও আরিফ শেখ।
দমদম ক্যান্টনমেন্টের বাসিন্দা পরিচালক প্রসূন বলেন , “সীমান্তবর্তী গ্রামের পটভূমি ধরতে চেয়েছিলাম। স্থানীয় মানুষজনকে নিয়েই কাজ করেছি। শহরের বিভিন্ন প্রযোজকের দরজায় ঘুরে ঘুরে অবশেষে ২০১৭ সালে ক্রাউড ফান্ডিং করে কিছু টাকা জোগাড় হয়, বাকি টাকা দিয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন তাইওয়ানের প্রযোজক আইভি ইউ-হুয়া শেন। তারপরই সম্ভব হয় সিনেমাটি সম্পূর্ণ করে তুলতে।”