০২ নভেম্বর ২০২৬, সোমবার, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩
০২ নভেম্বর ২০২৬, সোমবার, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩

রাহুলদের কর্মসূচির জেরে বিপুল অর্থের ক্ষতি দিল্লির ব্যবসায়ীদের

দেবজিৎ মুখার্জি: আশঙ্কা হল সত্যি! বিপুল অর্থের ক্ষতির সম্মুখীন হলেন দিল্লির ব্যবসায়ীরা। ‘চেম্বার অফ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র (সিটিআই) বক্তব্য, রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে ইন্ডি জোটের কর্মসূচির জেরে লোকসান হয়েছে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকার। তাদের প্রশ্ন, এই ক্ষতিপূরণ করবে কে? পরিসংখ্যান তুলে ধরে তাদের দাবি, ইন্ডি জোটের কর্মসূচির জেরে বন্ধ ছিল প্রায় আড়াই লক্ষ দোকান।

রবিবার ইন্ডি জোটের কর্মসূচির আগে কংগ্রেস সাংসদ, তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা, রাহুল গান্ধীকে একাধিকবার চিঠি লিখে সিটিআই চেয়ারম্যান ব্রিজেশ গোয়েল বলেছিলেন, প্রায় ১০ লক্ষ মানুষের জমায়েত হতে পারে এবং অন্তত ২০ হাজার বাস থাকবে রামলীলা ময়দান লাগোয়া এলাকায়, যার ফলে বন্ধ হয়ে যাবে এলাকার সব দোকান। তাতে ক্ষতি হতে পারে অন্তত ১০ হাজার কোটি টাকার। সিটিআইয়ের তরফ থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচিটি ১০ নভেম্বরের পরে করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

তবে তা গুরুত্ব না দিয়ে ইন্ডি জোট নিজেদের কর্মসূচি করে। ক্ষয়ক্ষতি নিতে ব্রিজেশ বলেন, “রামলীলা ময়দানের আশপাশে পাঁচ কিলোমিটার পর্যন্ত সমস্ত দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, যার মধ্যে ছিল কাশ্মীরি গেট, কনট প্লেস, সদর বাজার, চাঁদনি চকের মতো বিকিকিনির মূল কেন্দ্রগুলিও। এই বিশাল এলাকাজুড়ে অন্তত ৩ লক্ষ দোকান রয়েছে, যার মধ্যে অন্তত আড়াই লক্ষ দোকান বন্ধ ছিল দীপাবলির আগে শেষ রবিবারে। ফলে ওই দিনের ৮০ শতাংশ ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।” সিটিআইয়ের দাবি, ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন অন্তত ২ কোটি দিনমজুর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ব্রিজেশের প্রশ্ন, “এই বিপুল অঙ্কের ক্ষতি মেটাবে কে? কর্মসূচির আয়োজকরা কি দায়িত্ব নেবেন?”। যদিও রাহুল গান্ধীর মতে, বিজেপি সরকার জোর করে দোকান বন্ধ করেছে।

 

মমতামুক্ত বাংলার মতো রাহুলমুক্ত দিল্লির ডাক নীতিনের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রাহুলদের কর্মসূচির জেরে বিপুল অর্থের ক্ষতি দিল্লির ব্যবসায়ীদের

আপডেট : ২ নভেম্বর ২০২৬, সোমবার

দেবজিৎ মুখার্জি: আশঙ্কা হল সত্যি! বিপুল অর্থের ক্ষতির সম্মুখীন হলেন দিল্লির ব্যবসায়ীরা। ‘চেম্বার অফ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি’র (সিটিআই) বক্তব্য, রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে ইন্ডি জোটের কর্মসূচির জেরে লোকসান হয়েছে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকার। তাদের প্রশ্ন, এই ক্ষতিপূরণ করবে কে? পরিসংখ্যান তুলে ধরে তাদের দাবি, ইন্ডি জোটের কর্মসূচির জেরে বন্ধ ছিল প্রায় আড়াই লক্ষ দোকান।

রবিবার ইন্ডি জোটের কর্মসূচির আগে কংগ্রেস সাংসদ, তথা লোকসভার বিরোধী দলনেতা, রাহুল গান্ধীকে একাধিকবার চিঠি লিখে সিটিআই চেয়ারম্যান ব্রিজেশ গোয়েল বলেছিলেন, প্রায় ১০ লক্ষ মানুষের জমায়েত হতে পারে এবং অন্তত ২০ হাজার বাস থাকবে রামলীলা ময়দান লাগোয়া এলাকায়, যার ফলে বন্ধ হয়ে যাবে এলাকার সব দোকান। তাতে ক্ষতি হতে পারে অন্তত ১০ হাজার কোটি টাকার। সিটিআইয়ের তরফ থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচিটি ১০ নভেম্বরের পরে করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।

তবে তা গুরুত্ব না দিয়ে ইন্ডি জোট নিজেদের কর্মসূচি করে। ক্ষয়ক্ষতি নিতে ব্রিজেশ বলেন, “রামলীলা ময়দানের আশপাশে পাঁচ কিলোমিটার পর্যন্ত সমস্ত দোকান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল, যার মধ্যে ছিল কাশ্মীরি গেট, কনট প্লেস, সদর বাজার, চাঁদনি চকের মতো বিকিকিনির মূল কেন্দ্রগুলিও। এই বিশাল এলাকাজুড়ে অন্তত ৩ লক্ষ দোকান রয়েছে, যার মধ্যে অন্তত আড়াই লক্ষ দোকান বন্ধ ছিল দীপাবলির আগে শেষ রবিবারে। ফলে ওই দিনের ৮০ শতাংশ ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।” সিটিআইয়ের দাবি, ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন অন্তত ২ কোটি দিনমজুর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ব্রিজেশের প্রশ্ন, “এই বিপুল অঙ্কের ক্ষতি মেটাবে কে? কর্মসূচির আয়োজকরা কি দায়িত্ব নেবেন?”। যদিও রাহুল গান্ধীর মতে, বিজেপি সরকার জোর করে দোকান বন্ধ করেছে।