০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩
০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

মিঠুনের হাতে বড় দায়িত্ব, নিউটাউনে উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টারের শিলান্যাস! ২৫ কোটির প্রকল্পে থাকছে সিনেমা হল থেকে অত্যাধুনিক স্টুডিয়ো

নিউটাউনে মহানায়ক উত্তম কুমারের স্মৃতিকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে তৈরি হচ্ছে ‘উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টার’। শুক্রবার এই প্রকল্পের ভূমিপুজো ও শিলান্যাস করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী, রঞ্জিত মল্লিক-সহ বাংলা চলচ্চিত্র জগতের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।
এই প্রকল্পের জন্য রাজ্য সরকারের তরফে প্রাথমিক ভাবে ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। মোট তিনটি অংশে গড়ে উঠবে ফিল্ম সেন্টারটি। প্রথম অংশে থাকবে ৭৫০ আসনবিশিষ্ট দু’টি সিনেমা হল, প্রিভিউ থিয়েটার, খাবারের জায়গা এবং গাড়ি রাখার ব্যবস্থা। দ্বিতীয় অংশে থাকবে ১০০০ আসনের একটি বড় প্রেক্ষাগৃহ এবং খোলা আকাশের নীচে থিয়েটার। তৃতীয় অংশে তৈরি হবে অ্যানিমেশন, ভিজুয়াল এফেক্ট, গেমিং, কমিকস, এক্সটেন্ডেড রিয়্যালিটি এবং সিনেমার পোস্ট-প্রোডাকশনের জন্য অত্যাধুনিক গবেষণাগার ও স্টুডিয়ো।
ইতিমধ্যেই জমি ও মাটি পরীক্ষার কাজ শেষ হয়েছে। প্রকল্পের বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরির কাজও চলছে। বর্ষা শেষ হলেই নির্মাণকাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর আশা, ভবিষ্যতে এই ফিল্ম সেন্টার সকলকে মুগ্ধ করবে।
জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য শুরু করে শুভেন্দু বলেন, মহানায়ক উত্তম কুমারকে ঘিরে মানুষের ভালোবাসার মধ্যে কোনও রাজনৈতিক বিভাজন নেই। তাঁর কথায়, মহানায়ক গোটা বাংলার গর্ব। নরেন্দ্র মোদীর অনুপ্রেরণা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সহযোগিতায় উত্তম কুমারের স্মরণে একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে মিঠুন চক্রবর্তীকে নিয়ে বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী দিনে তাঁকে ‘সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা’ করার কথা জানান শুভেন্দু। যদিও এই দায়িত্বের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা কবে হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
অনুষ্ঠানের আগে বক্তব্য রাখেন মিঠুন চক্রবর্তীও। মুখ্যমন্ত্রীর কাজের প্রশংসা করে তিনি বলেন, তিনি যা বলেন, তা করে দেখান এবং তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ হবে বলেই তিনি আশাবাদী।
অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের ভূমিকাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। পুরো কর্মসূচির সমন্বয়ে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তিনি। অনুষ্ঠান পরিচালনা ও আয়োজনে যিশু সেনগুপ্তের পাশাপাশি রঞ্জিত মল্লিক, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত এবং হরনাথ চক্রবর্তীর সহযোগিতারও প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী।
উত্তম কুমারের স্মৃতিকে ঘিরে শুধু সাময়িক কোনও অনুষ্ঠান নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য স্থায়ী কিছু তৈরি করাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য বলে জানান শুভেন্দু। তাঁর কথায়, এমন কিছু সৃষ্টি করে যেতে হবে, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম মনে রাখবে।

১২ বছর পর পাকিস্তানে যাবেন মোদী? ইসলামাবাদে SCO সম্মেলনে আমন্ত্রণ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মিঠুনের হাতে বড় দায়িত্ব, নিউটাউনে উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টারের শিলান্যাস! ২৫ কোটির প্রকল্পে থাকছে সিনেমা হল থেকে অত্যাধুনিক স্টুডিয়ো

আপডেট : ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বুধবার
নিউটাউনে মহানায়ক উত্তম কুমারের স্মৃতিকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে তৈরি হচ্ছে ‘উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টার’। শুক্রবার এই প্রকল্পের ভূমিপুজো ও শিলান্যাস করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী, রঞ্জিত মল্লিক-সহ বাংলা চলচ্চিত্র জগতের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।
এই প্রকল্পের জন্য রাজ্য সরকারের তরফে প্রাথমিক ভাবে ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। মোট তিনটি অংশে গড়ে উঠবে ফিল্ম সেন্টারটি। প্রথম অংশে থাকবে ৭৫০ আসনবিশিষ্ট দু’টি সিনেমা হল, প্রিভিউ থিয়েটার, খাবারের জায়গা এবং গাড়ি রাখার ব্যবস্থা। দ্বিতীয় অংশে থাকবে ১০০০ আসনের একটি বড় প্রেক্ষাগৃহ এবং খোলা আকাশের নীচে থিয়েটার। তৃতীয় অংশে তৈরি হবে অ্যানিমেশন, ভিজুয়াল এফেক্ট, গেমিং, কমিকস, এক্সটেন্ডেড রিয়্যালিটি এবং সিনেমার পোস্ট-প্রোডাকশনের জন্য অত্যাধুনিক গবেষণাগার ও স্টুডিয়ো।
ইতিমধ্যেই জমি ও মাটি পরীক্ষার কাজ শেষ হয়েছে। প্রকল্পের বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরির কাজও চলছে। বর্ষা শেষ হলেই নির্মাণকাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর আশা, ভবিষ্যতে এই ফিল্ম সেন্টার সকলকে মুগ্ধ করবে।
জন্মাষ্টমীর শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য শুরু করে শুভেন্দু বলেন, মহানায়ক উত্তম কুমারকে ঘিরে মানুষের ভালোবাসার মধ্যে কোনও রাজনৈতিক বিভাজন নেই। তাঁর কথায়, মহানায়ক গোটা বাংলার গর্ব। নরেন্দ্র মোদীর অনুপ্রেরণা এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সহযোগিতায় উত্তম কুমারের স্মরণে একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে মিঠুন চক্রবর্তীকে নিয়ে বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। আগামী দিনে তাঁকে ‘সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা’ করার কথা জানান শুভেন্দু। যদিও এই দায়িত্বের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা কবে হবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি।
অনুষ্ঠানের আগে বক্তব্য রাখেন মিঠুন চক্রবর্তীও। মুখ্যমন্ত্রীর কাজের প্রশংসা করে তিনি বলেন, তিনি যা বলেন, তা করে দেখান এবং তাঁর দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণ হবে বলেই তিনি আশাবাদী।
অভিনেতা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের ভূমিকাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। পুরো কর্মসূচির সমন্বয়ে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তিনি। অনুষ্ঠান পরিচালনা ও আয়োজনে যিশু সেনগুপ্তের পাশাপাশি রঞ্জিত মল্লিক, ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত এবং হরনাথ চক্রবর্তীর সহযোগিতারও প্রশংসা করেন মুখ্যমন্ত্রী।
উত্তম কুমারের স্মৃতিকে ঘিরে শুধু সাময়িক কোনও অনুষ্ঠান নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য স্থায়ী কিছু তৈরি করাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য বলে জানান শুভেন্দু। তাঁর কথায়, এমন কিছু সৃষ্টি করে যেতে হবে, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম মনে রাখবে।