০৯ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩
০৯ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

২০ বছরের কাজ, তবু ছাঁটাইয়ের অভিযোগ! কান্দি পুরসভায় অস্থায়ী কর্মীদের বিক্ষোভ

মুর্শিদাবাদ: অস্থায়ী কর্মীদের বিক্ষোভে উত্তাল কান্দি পুরসভা। প্রায় ২০ বছর ধরে পুরসভায় বিভিন্ন কাজ করে আসা অস্থায়ী কর্মীদের অভিযোগ, তাঁদের সরিয়ে দিয়ে পরিকল্পিতভাবে নতুন কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে। এই অভিযোগে শুক্রবার পুরসভার সামনে বিক্ষোভে শামিল হন অস্থায়ী কর্মীরা।
বিক্ষোভকারীদের আরও অভিযোগ, পুরসভার কয়েকজন অস্থায়ী কর্মী নিয়মিত পুরসভার বেতন তুললেও তাঁদের দিয়ে পুরসভার কাজ না করিয়ে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। তাঁদের দাবি, কান্দির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক তথা বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি অপূর্ব সরকারের বাড়িতে পুরসভার দু’জন অস্থায়ী কর্মী ব্যক্তিগত কাজ করেন এবং পুরসভা থেকেই তাঁদের বেতন দেওয়া হয়। এমন আরও কয়েকজন কর্মীর মাধ্যমে পুরসভার অর্থের অপব্যবহার হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাঁদের।
অথচ দীর্ঘদিন ধরে পুরসভার বিভিন্ন কাজে যুক্ত থাকা কর্মীদেরই সময়মতো বেতন দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ বিক্ষোভকারীদের। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ কর্মীদের সরিয়ে নতুন নিয়োগ বন্ধ করতে হবে এবং বকেয়া বেতন দ্রুত মেটাতে হবে।
অভিযোগের সত্যতা অবশ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। বিক্ষোভকারীরা দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

৩৫০ বছরের ছয় বুড়োর পুজো, আজও অটুট উন্মাদনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

২০ বছরের কাজ, তবু ছাঁটাইয়ের অভিযোগ! কান্দি পুরসভায় অস্থায়ী কর্মীদের বিক্ষোভ

আপডেট : ১৮ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার
মুর্শিদাবাদ: অস্থায়ী কর্মীদের বিক্ষোভে উত্তাল কান্দি পুরসভা। প্রায় ২০ বছর ধরে পুরসভায় বিভিন্ন কাজ করে আসা অস্থায়ী কর্মীদের অভিযোগ, তাঁদের সরিয়ে দিয়ে পরিকল্পিতভাবে নতুন কর্মী নিয়োগ করা হচ্ছে। এই অভিযোগে শুক্রবার পুরসভার সামনে বিক্ষোভে শামিল হন অস্থায়ী কর্মীরা।
বিক্ষোভকারীদের আরও অভিযোগ, পুরসভার কয়েকজন অস্থায়ী কর্মী নিয়মিত পুরসভার বেতন তুললেও তাঁদের দিয়ে পুরসভার কাজ না করিয়ে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। তাঁদের দাবি, কান্দির প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক তথা বহরমপুর সাংগঠনিক জেলা তৃণমূল সভাপতি অপূর্ব সরকারের বাড়িতে পুরসভার দু’জন অস্থায়ী কর্মী ব্যক্তিগত কাজ করেন এবং পুরসভা থেকেই তাঁদের বেতন দেওয়া হয়। এমন আরও কয়েকজন কর্মীর মাধ্যমে পুরসভার অর্থের অপব্যবহার হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাঁদের।
অথচ দীর্ঘদিন ধরে পুরসভার বিভিন্ন কাজে যুক্ত থাকা কর্মীদেরই সময়মতো বেতন দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ বিক্ষোভকারীদের। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ কর্মীদের সরিয়ে নতুন নিয়োগ বন্ধ করতে হবে এবং বকেয়া বেতন দ্রুত মেটাতে হবে।
অভিযোগের সত্যতা অবশ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। বিক্ষোভকারীরা দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।