০১ অগাস্ট ২০২৬, শনিবার, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
০১ অগাস্ট ২০২৬, শনিবার, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

ভিনরাজ্যে কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু, ক্ষতিপূরণের দাবিতে সরব পরিবার ও বাম নেতৃত্ব

জলপাইগুড়ি: সিকিমে নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গে দুর্ঘটনায় নিহত শ্রমিকদের মধ্যে রয়েছেন নাগরাকাটা ব্লকের কিলকোট চা-বাগানের ১১ নম্বর লাইনের বাসিন্দা বিকেশ্বর ওঁরাও। তাঁর মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া নেমেছে এলাকায়। স্ত্রী দেবিকা ওঁরাও এখন তিন সন্তানকে নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মুখে।

পরিবারের দাবি, চা-বাগানে অনিয়মিত কাজ, কম মজুরি ও দীর্ঘদিনের আর্থিক সংকটের জেরে কয়েক মাস আগে রোজগারের আশায় সিকিমে পাড়ি দিয়েছিলেন বিকেশ্বর। জরাজীর্ণ বাড়ি ও সংসারের খরচ সামলাতে তিন সন্তানের পড়াশোনার ব্যয় মেটানোও কঠিন হয়ে পড়েছিল। সংসারে সহায়তা করতে দেবিকাও অন্য একটি চা-বাগানে দিনমজুরের কাজ করতেন।
দুর্ঘটনার পর স্বামীকে হারিয়ে ভেঙে পড়েছেন দেবিকা। তাঁর প্রশ্ন, এখন কীভাবে চলবে সংসার? শুধু বিকেশ্বর নন, একই লাইনের আরও দুই শ্রমিকেরও মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। মৃতদেহ বাড়িতে ফেরার অপেক্ষায় শোকস্তব্ধ গোটা এলাকা।
বুধবার মৃত শ্রমিকের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সিপিএমের একটি প্রতিনিধিদল। তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির জন্য উপযুক্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ, পরিবারের একজনের স্থায়ী চাকরি এবং দুর্ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানায়। পাশাপাশি, চা-বাগানগুলিতে নিয়মিত কাজের সুযোগ নিশ্চিত করার দাবিও ওঠে।
সর্বাধিক পাঠিত

নিট কেলেঙ্কারি কাণ্ডে সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদে বারুইপুর প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে এসপি অফিসে ডেপুটেশন

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ভিনরাজ্যে কাজ করতে গিয়ে মৃত্যু, ক্ষতিপূরণের দাবিতে সরব পরিবার ও বাম নেতৃত্ব

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার

জলপাইগুড়ি: সিকিমে নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গে দুর্ঘটনায় নিহত শ্রমিকদের মধ্যে রয়েছেন নাগরাকাটা ব্লকের কিলকোট চা-বাগানের ১১ নম্বর লাইনের বাসিন্দা বিকেশ্বর ওঁরাও। তাঁর মৃত্যুর খবরে শোকের ছায়া নেমেছে এলাকায়। স্ত্রী দেবিকা ওঁরাও এখন তিন সন্তানকে নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মুখে।

পরিবারের দাবি, চা-বাগানে অনিয়মিত কাজ, কম মজুরি ও দীর্ঘদিনের আর্থিক সংকটের জেরে কয়েক মাস আগে রোজগারের আশায় সিকিমে পাড়ি দিয়েছিলেন বিকেশ্বর। জরাজীর্ণ বাড়ি ও সংসারের খরচ সামলাতে তিন সন্তানের পড়াশোনার ব্যয় মেটানোও কঠিন হয়ে পড়েছিল। সংসারে সহায়তা করতে দেবিকাও অন্য একটি চা-বাগানে দিনমজুরের কাজ করতেন।
দুর্ঘটনার পর স্বামীকে হারিয়ে ভেঙে পড়েছেন দেবিকা। তাঁর প্রশ্ন, এখন কীভাবে চলবে সংসার? শুধু বিকেশ্বর নন, একই লাইনের আরও দুই শ্রমিকেরও মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। মৃতদেহ বাড়িতে ফেরার অপেক্ষায় শোকস্তব্ধ গোটা এলাকা।
বুধবার মৃত শ্রমিকের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সিপিএমের একটি প্রতিনিধিদল। তারা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির জন্য উপযুক্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ, পরিবারের একজনের স্থায়ী চাকরি এবং দুর্ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানায়। পাশাপাশি, চা-বাগানগুলিতে নিয়মিত কাজের সুযোগ নিশ্চিত করার দাবিও ওঠে।