০১ অগাস্ট ২০২৬, শনিবার, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
০১ অগাস্ট ২০২৬, শনিবার, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩

মালদা মেডিকেলে ২৪৭ নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ

মালদা: রাজ্যে পালাবদলের পরও সরকারি দপ্তরের টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেই চলেছে। এবার মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২৪৭ জন নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগের টেন্ডার ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার একটি ঠিকাদার সংস্থার অভিযোগ, তাদের কারিগরি অযোগ্য ঘোষণা করার জন্য মালদার এক ঠিকাদার সংস্থার পক্ষ থেকে জোর করে সাদা কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়া হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে টেন্ডার প্রক্রিয়ার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবিতে ওই সংস্থা মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, জেলাশাসক এবং মুখ্যমন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছে। সংস্থার ম্যানেজার রাকেশ মণ্ডলের দাবি, টেন্ডারে অংশগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত নথি তাদের কাছে ছিল। কিন্তু সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়ার ঘটনায় তারা টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং কারিগরি অযোগ্যতার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত ঠিকাদার সংস্থার কর্তা সুদীপ চ্যাটার্জি বলেন, “সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন।” অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই নজর সংশ্লিষ্ট মহলের।
সর্বাধিক পাঠিত

নিট কেলেঙ্কারি কাণ্ডে সাংবাদিকদের উপর হামলার প্রতিবাদে বারুইপুর প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে এসপি অফিসে ডেপুটেশন

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মালদা মেডিকেলে ২৪৭ নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগের টেন্ডারে অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২৬, শুক্রবার
মালদা: রাজ্যে পালাবদলের পরও সরকারি দপ্তরের টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ উঠেই চলেছে। এবার মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ২৪৭ জন নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগের টেন্ডার ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। উত্তর ২৪ পরগনার একটি ঠিকাদার সংস্থার অভিযোগ, তাদের কারিগরি অযোগ্য ঘোষণা করার জন্য মালদার এক ঠিকাদার সংস্থার পক্ষ থেকে জোর করে সাদা কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়া হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে টেন্ডার প্রক্রিয়ার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবিতে ওই সংস্থা মালদা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ, জেলাশাসক এবং মুখ্যমন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন জানিয়েছে। সংস্থার ম্যানেজার রাকেশ মণ্ডলের দাবি, টেন্ডারে অংশগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত নথি তাদের কাছে ছিল। কিন্তু সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়ার ঘটনায় তারা টেন্ডার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং কারিগরি অযোগ্যতার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছে সংস্থাটি। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত ঠিকাদার সংস্থার কর্তা সুদীপ চ্যাটার্জি বলেন, “সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন।” অভিযোগের ভিত্তিতে প্রশাসন কী পদক্ষেপ নেয়, এখন সেদিকেই নজর সংশ্লিষ্ট মহলের।