১১ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
১১ জুলাই ২০২৬, শনিবার, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩

স্পেনকে হারাতে আত্মবিশ্বাসী ফর্মে ফেরা বেলজিয়াম

নিউজ ডেস্ক: লস অ্যাঞ্জেলেসে, ১১ জুলাই, শনিবার, ভারতীয় সময় রাত ১২.৩০ মিনিটে মুখোমুখি হবে স্পেন ও বেলজিয়াম। ২০১০ সালের পর দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে আসা স্পেন, এবারও ফেভারিট দলগুলোর একটি। গ্রুপের মলিনতা ঝেড়ে শিরোপার দাবিদার হয়ে উঠছে বেলজিয়ামও।

মিশর ও ইরানের বিপক্ষে ড্রয়ের ধাক্কা সামলে, নিউ জিল্যান্ডকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে গ্রুপ পেরিয়েছিল বেলজিয়াম। নকআউট পর্বের শুরুতে সেনেগালের বিপক্ষে দলটি জিতেছিল ৩-২ ব্যবধানে, দুই গোলে পিছিয়ে থাকার পর ঘুরে দাঁড়িয়ে।

শেষ ষোলোয় বেলজিয়াম ফেরে চেনা ছন্দে। বিশ্বকাপের আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রকে স্রেফ খঁড়কুটোর মতো উড়িয়ে দেয় ৪-১ গোলে। কোর্তোয়ার মনে হচ্ছে, ধীরে ধীরে নিজেদের ছন্দ ও বিশ্বাস ফিরে পাচ্ছে দল। স্পেনকে হারানো তাই তাদের পক্ষে অসম্ভব নয় মোটেও।

“দলের সবাই উপলব্ধি করছে, স্পেনের বিপক্ষে জেতা সম্ভব। আমি মনে করি, আমাদের শক্তিশালী স্কোয়াডটা স্পেনকে হারানোর ক্ষমতা রাখে।”

“সব প্রতিযোগিতায় বিস্ময়কর ঘটনা
ঘটে। আমি মনে করি, বিস্ময় উপহার দেওয়া দলগুলোর একটি হতে পারি আমরা। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নদের বিদায় করে দিতে পারাটা অবশ্যই বিশাল অঘটন হবে। আমাদের সেটা ঘটানোর আত্মবিশ্বাস আছে।”

এই ম্যাচে অবশ্য স্পেনের পক্ষে বাজি ধরার লোক বেশি। কোর্তোয়াও তা জানেন। ৩৪ বছর বয়সী অভিজ্ঞ এই গোলকিপারও ইয়ামাল-ওইয়ারসাবালদের রাখলেন এগিয়ে। তবে নিজেদের প্রতি আস্থার কমতি নেই তার।

“মানুষ আমাদের প্রতি একটু হতাশ ছিল, কিন্তু আমরা সেটা ঠিক করে নিয়েছি। ভালো হচ্ছে আমাদের পারফরম্যান্স। অবশ্যই স্পেন ফেভারিট, বলের নিয়ন্ত্রণে তারা চমৎকার এবং বল হারালে তারা দ্রুত চাপ দেয়। মূল কৌশলও এখানে, এসময় তাদের রক্ষণের পেছনের ফাঁকা জায়গাটা কিভাবে কাজে লাগানো যায়, সেটা জানা।”

শেষ ষোলোয় অবশ্য স্পেনের জয়টি সহজে আসে নি। বদলি মিকেল মেরিনোর দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ের একমাত্র গোলে জিতেছিল তারা। তবে, ‘লা রোজা’দের আক্রমণভাগ নিয়ে সতর্ক কোর্তোয়া।

“আমি মনে করি, পর্তুগালের বিপক্ষে গোলটি দেখাচ্ছে তাদের শক্তি। আমরা জানি, ওয়ান অন ওয়ান পরিস্থিতিতে লামিন ইয়ামাল অবিশ্বাস্য মেধাবী, সে ভীষণ ক্ষিপ্র এবং প্রয়োজনে দুই জনকে সহজে কাটাতে পারে।”

ইয়ামালদের বিপক্ষে ম্যাচে, বেলজিয়াম আস্থার দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকবে কোর্তোয়ার দিকে। কেবল সময়ের সেরা ও অভিজ্ঞ গোলকিপারদের একজনই নন তিনি, লুইস দে লা ফুয়েন্তের দলকে তিনি চিনেন অনেকের চেয়ে বেশি! আতলেতিকো মাদ্রিদ ও রেয়াল মাদ্রিদ মিলিয়ে যে ১১টি বছর কোর্তোয়া কাটিয়ে দিয়েছেন, স্পেন তার কাছে ‘দ্বিতীয় বাড়ি’।

“আমি স্পেনে ১১ বছর আছি। অবশ্যই, এটা অনেক সময়। সেখানে জীবন কিছুটা ধীর গতির, আবহাওয়া ভালো, কিন্তু আমি বেলজিয়ামেরই রয়ে গেছি। যদিও, স্পেন আমার দ্বিতীয় বাড়ি এবং সম্ভবত ক্যারিয়ার শেষে, সেখানে থিতু হব।”

এমবাপে–দেম্বেলেদের ফ্রান্সকে থামাবে কে?

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

স্পেনকে হারাতে আত্মবিশ্বাসী ফর্মে ফেরা বেলজিয়াম

আপডেট : ১১ জুলাই ২০২৬, শনিবার

নিউজ ডেস্ক: লস অ্যাঞ্জেলেসে, ১১ জুলাই, শনিবার, ভারতীয় সময় রাত ১২.৩০ মিনিটে মুখোমুখি হবে স্পেন ও বেলজিয়াম। ২০১০ সালের পর দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন নিয়ে আসা স্পেন, এবারও ফেভারিট দলগুলোর একটি। গ্রুপের মলিনতা ঝেড়ে শিরোপার দাবিদার হয়ে উঠছে বেলজিয়ামও।

মিশর ও ইরানের বিপক্ষে ড্রয়ের ধাক্কা সামলে, নিউ জিল্যান্ডকে ৫-১ গোলে উড়িয়ে গ্রুপ পেরিয়েছিল বেলজিয়াম। নকআউট পর্বের শুরুতে সেনেগালের বিপক্ষে দলটি জিতেছিল ৩-২ ব্যবধানে, দুই গোলে পিছিয়ে থাকার পর ঘুরে দাঁড়িয়ে।

শেষ ষোলোয় বেলজিয়াম ফেরে চেনা ছন্দে। বিশ্বকাপের আয়োজক যুক্তরাষ্ট্রকে স্রেফ খঁড়কুটোর মতো উড়িয়ে দেয় ৪-১ গোলে। কোর্তোয়ার মনে হচ্ছে, ধীরে ধীরে নিজেদের ছন্দ ও বিশ্বাস ফিরে পাচ্ছে দল। স্পেনকে হারানো তাই তাদের পক্ষে অসম্ভব নয় মোটেও।

“দলের সবাই উপলব্ধি করছে, স্পেনের বিপক্ষে জেতা সম্ভব। আমি মনে করি, আমাদের শক্তিশালী স্কোয়াডটা স্পেনকে হারানোর ক্ষমতা রাখে।”

“সব প্রতিযোগিতায় বিস্ময়কর ঘটনা
ঘটে। আমি মনে করি, বিস্ময় উপহার দেওয়া দলগুলোর একটি হতে পারি আমরা। ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নদের বিদায় করে দিতে পারাটা অবশ্যই বিশাল অঘটন হবে। আমাদের সেটা ঘটানোর আত্মবিশ্বাস আছে।”

এই ম্যাচে অবশ্য স্পেনের পক্ষে বাজি ধরার লোক বেশি। কোর্তোয়াও তা জানেন। ৩৪ বছর বয়সী অভিজ্ঞ এই গোলকিপারও ইয়ামাল-ওইয়ারসাবালদের রাখলেন এগিয়ে। তবে নিজেদের প্রতি আস্থার কমতি নেই তার।

“মানুষ আমাদের প্রতি একটু হতাশ ছিল, কিন্তু আমরা সেটা ঠিক করে নিয়েছি। ভালো হচ্ছে আমাদের পারফরম্যান্স। অবশ্যই স্পেন ফেভারিট, বলের নিয়ন্ত্রণে তারা চমৎকার এবং বল হারালে তারা দ্রুত চাপ দেয়। মূল কৌশলও এখানে, এসময় তাদের রক্ষণের পেছনের ফাঁকা জায়গাটা কিভাবে কাজে লাগানো যায়, সেটা জানা।”

শেষ ষোলোয় অবশ্য স্পেনের জয়টি সহজে আসে নি। বদলি মিকেল মেরিনোর দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ের একমাত্র গোলে জিতেছিল তারা। তবে, ‘লা রোজা’দের আক্রমণভাগ নিয়ে সতর্ক কোর্তোয়া।

“আমি মনে করি, পর্তুগালের বিপক্ষে গোলটি দেখাচ্ছে তাদের শক্তি। আমরা জানি, ওয়ান অন ওয়ান পরিস্থিতিতে লামিন ইয়ামাল অবিশ্বাস্য মেধাবী, সে ভীষণ ক্ষিপ্র এবং প্রয়োজনে দুই জনকে সহজে কাটাতে পারে।”

ইয়ামালদের বিপক্ষে ম্যাচে, বেলজিয়াম আস্থার দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকবে কোর্তোয়ার দিকে। কেবল সময়ের সেরা ও অভিজ্ঞ গোলকিপারদের একজনই নন তিনি, লুইস দে লা ফুয়েন্তের দলকে তিনি চিনেন অনেকের চেয়ে বেশি! আতলেতিকো মাদ্রিদ ও রেয়াল মাদ্রিদ মিলিয়ে যে ১১টি বছর কোর্তোয়া কাটিয়ে দিয়েছেন, স্পেন তার কাছে ‘দ্বিতীয় বাড়ি’।

“আমি স্পেনে ১১ বছর আছি। অবশ্যই, এটা অনেক সময়। সেখানে জীবন কিছুটা ধীর গতির, আবহাওয়া ভালো, কিন্তু আমি বেলজিয়ামেরই রয়ে গেছি। যদিও, স্পেন আমার দ্বিতীয় বাড়ি এবং সম্ভবত ক্যারিয়ার শেষে, সেখানে থিতু হব।”