১৫ জুন ২০২৬, সোমবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
১৫ জুন ২০২৬, সোমবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

দিল্লিতে ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়ি থেকে বেরিয়ে সুদীপ সোজা চলে গেলেন অমিত শাহের বাড়ি

আনজুম মুনির: এবার মনে হয় সুদীপ ফুলফর্মে বিরোধী শিবিরের হয়ে কাজ শুরু করে দিলেন। শনিবার সাংসদ শতাব্দী রায় নিজের গাড়িতে তাঁকে নিয়ে যান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রাজ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়ি। সূত্রের খবর, সেখানে আলোচনার পর বেরিয়ে সোজা সুদীপ চলে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহের সঙ্গে দেখা করতে। আধঘন্টা দু’জনের মধ্যে কথাবার্তা হয়। এরপরই নাকি কলকাতা উত্তরের সাংসদ সইসাবুদ করে আনুষ্ঠানিকভাবে নাম লেখান ‘বিদ্রোহী’ সাংসদদের শিবিরে।

একেই বোধহয় বলে ওস্তাদের মার শেষরাতে! দিল্লিতে পা রেখে তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ সংসদীয় দলে সই করামাত্রই ‘শাহী’ সাক্ষাৎ করলেন বর্ষীয়ান তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠক সেরেই শাহের সঙ্গে দেখা করে প্রায় আধঘণ্টা কথা বলেন সুদীপ। আর এতেই স্পষ্ট, ‘বিদ্রোহী’ ব্লকের একমাত্র সাংসদকে এতটা গুরুত্ব দেওয়ার কারণ। দিল্লিতে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বরাবর সুসম্পর্ক বজায় রাখা তৃণমূলের সাতবারের সাংসদকেই যে লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা হিসেবে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত কেন্দ্রের শাসকদল, সাম্প্রতিক রাজনীতি সম্পর্কে সামান্য খোঁজখবর রাখা মানুষমাত্রই তা বুঝবেন।

২০২৪-এ লোকসভা ভোটের পরও সুদীপ ছিলেন তৃণমূলের দলনেতা। পরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ায় এই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর এই দায়িত্ব বর্তায়। এর ঠিক ২ বছরের মধ্যে লোকসভায় ঘাসফুল শিবিরের রাজনৈতিক সমীকরণ ফের বদলাতে চলেছে। ছাব্বিশের ভোটে রাজ্যে তৃণমূলের ভরাডুবিই তার মূল কারণ। একদিকে বিধানসভায় দ্বিধাবিভক্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল, অন্যদিকে সংসদীয় দলে বড় ভাঙন। ২৮ জন তৃণমূল সাংসদের মধ্যে ২০ জনই দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে কেন্দ্রের এনডিএ-কে সমর্থনের কথা জানিয়েছেন।

অ্যাটাকিং ফুটবল খেলেও ব্যর্থ টার্কি, জয় অজিদের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দিল্লিতে ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়ি থেকে বেরিয়ে সুদীপ সোজা চলে গেলেন অমিত শাহের বাড়ি

আপডেট : ১৪ জুন ২০২৬, রবিবার

আনজুম মুনির: এবার মনে হয় সুদীপ ফুলফর্মে বিরোধী শিবিরের হয়ে কাজ শুরু করে দিলেন। শনিবার সাংসদ শতাব্দী রায় নিজের গাড়িতে তাঁকে নিয়ে যান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা রাজ্য বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক ভূপেন্দ্র যাদবের বাড়ি। সূত্রের খবর, সেখানে আলোচনার পর বেরিয়ে সোজা সুদীপ চলে যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহের সঙ্গে দেখা করতে। আধঘন্টা দু’জনের মধ্যে কথাবার্তা হয়। এরপরই নাকি কলকাতা উত্তরের সাংসদ সইসাবুদ করে আনুষ্ঠানিকভাবে নাম লেখান ‘বিদ্রোহী’ সাংসদদের শিবিরে।

একেই বোধহয় বলে ওস্তাদের মার শেষরাতে! দিল্লিতে পা রেখে তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ সংসদীয় দলে সই করামাত্রই ‘শাহী’ সাক্ষাৎ করলেন বর্ষীয়ান তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠক সেরেই শাহের সঙ্গে দেখা করে প্রায় আধঘণ্টা কথা বলেন সুদীপ। আর এতেই স্পষ্ট, ‘বিদ্রোহী’ ব্লকের একমাত্র সাংসদকে এতটা গুরুত্ব দেওয়ার কারণ। দিল্লিতে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বরাবর সুসম্পর্ক বজায় রাখা তৃণমূলের সাতবারের সাংসদকেই যে লোকসভায় তৃণমূলের দলনেতা হিসেবে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত কেন্দ্রের শাসকদল, সাম্প্রতিক রাজনীতি সম্পর্কে সামান্য খোঁজখবর রাখা মানুষমাত্রই তা বুঝবেন।

২০২৪-এ লোকসভা ভোটের পরও সুদীপ ছিলেন তৃণমূলের দলনেতা। পরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়ায় এই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর এই দায়িত্ব বর্তায়। এর ঠিক ২ বছরের মধ্যে লোকসভায় ঘাসফুল শিবিরের রাজনৈতিক সমীকরণ ফের বদলাতে চলেছে। ছাব্বিশের ভোটে রাজ্যে তৃণমূলের ভরাডুবিই তার মূল কারণ। একদিকে বিধানসভায় দ্বিধাবিভক্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল, অন্যদিকে সংসদীয় দলে বড় ভাঙন। ২৮ জন তৃণমূল সাংসদের মধ্যে ২০ জনই দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে কেন্দ্রের এনডিএ-কে সমর্থনের কথা জানিয়েছেন।