২৬ মে ২০২৬, মঙ্গলবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৬ মে ২০২৬, মঙ্গলবার, ১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

সোনা পাপ্পু, শান্তনু সিনহার পরে এবার লক্ষ্য আরো ৩০ পুলিশ আধিকারিক

আনজুম মুনির, কলকাতা: সোনা পাপ্পু ও শান্তুনু সিনহার সাম্রাজ্যর সীমানা যে বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত, তা কলকাতা পুলিশের তদন্তে উঠে রসেছে। এবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির নজরে আরও বাংলার আরও ৩০ পুলিশ আধিকারিক। সূত্র মারফত এমনটাই জানা গিয়েছে।

ইডির একটি সূত্র জানিয়েছে, তদন্তে অর্থের উৎস খতিয়ে দেখার চেষ্টা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, রাজ্য নয়, দেশের বাইরে দুবাইতেও শান্তনুর সম্পত্তি রয়েছে। তদন্তে বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তবে সেগুলি থেকে চ্যাট, কল রেকর্ডিং সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে। ডিজিটাল ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের সাহায্যে তা উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। ইডির ওই সূত্র আরও জানিয়েছে, জমি দখলের এই চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগে কলকাতা পুলিশের আরও বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাও সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন। সূত্রের খবর, বিভিন্ন পদমর্যাদার প্রায় ৩০ জন এমন আধিকারিককে ইতিমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, জোর করে জমি দখল, সেখানে অবৈধ নির্মাণ, আর্থিক তছরুপ সহ একাধিক অভিযোগে ইডি গ্রেপ্তার করেছে কসবার ত্রাস সোনা পাপ্পুকে। এই মামলাতেই গ্রেপ্তার হয়েছেন সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ শান্তনু সিনহা বিশ্বাস ও এক ব্যবসায়ী। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্ত চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন ইডি আধিকারিকরা।

সর্বাধিক পাঠিত

মেমারিতে মর্মান্তিক মৃত্যু ১. ৫ বছরের কন্যা সন্তানের

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সোনা পাপ্পু, শান্তনু সিনহার পরে এবার লক্ষ্য আরো ৩০ পুলিশ আধিকারিক

আপডেট : ২৬ মে ২০২৬, মঙ্গলবার

আনজুম মুনির, কলকাতা: সোনা পাপ্পু ও শান্তুনু সিনহার সাম্রাজ্যর সীমানা যে বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত, তা কলকাতা পুলিশের তদন্তে উঠে রসেছে। এবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডির নজরে আরও বাংলার আরও ৩০ পুলিশ আধিকারিক। সূত্র মারফত এমনটাই জানা গিয়েছে।

ইডির একটি সূত্র জানিয়েছে, তদন্তে অর্থের উৎস খতিয়ে দেখার চেষ্টা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, রাজ্য নয়, দেশের বাইরে দুবাইতেও শান্তনুর সম্পত্তি রয়েছে। তদন্তে বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তবে সেগুলি থেকে চ্যাট, কল রেকর্ডিং সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মুছে ফেলা হয়েছে। ডিজিটাল ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের সাহায্যে তা উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। ইডির ওই সূত্র আরও জানিয়েছে, জমি দখলের এই চক্রে জড়িত থাকার অভিযোগে কলকাতা পুলিশের আরও বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাও সন্দেহের তালিকায় রয়েছেন। সূত্রের খবর, বিভিন্ন পদমর্যাদার প্রায় ৩০ জন এমন আধিকারিককে ইতিমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, জোর করে জমি দখল, সেখানে অবৈধ নির্মাণ, আর্থিক তছরুপ সহ একাধিক অভিযোগে ইডি গ্রেপ্তার করেছে কসবার ত্রাস সোনা পাপ্পুকে। এই মামলাতেই গ্রেপ্তার হয়েছেন সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ শান্তনু সিনহা বিশ্বাস ও এক ব্যবসায়ী। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্ত চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন ইডি আধিকারিকরা।