আজিজুর রহমান,গলসি : জনগনের রোষের মুখে পঞ্চায়েত সদস্য। বিক্ষোভ দেখিয়ে বড়দিঘী গ্রামের ঢালাই রাস্তা নির্মানের কাজ বন্ধ করলো গ্রামবাসীদের এক অংশ। অভিযোগ, ২০২২-২০২৩ অর্থ বর্ষে গলসি ২ নং ব্লকের সাঁকো গ্রাম পঞ্চায়েতের পিবিজি (এসএফসি) এর কাজে বরাদ্দ হয়েছিল ১,৩৮,৪৭৫ টাকা। যা দিয়ে ফিরুর বাড়ি থেকে আনসার এর বাড়ি প্রযন্ত ঢালাই রাস্তা নির্মান করার কথা। সেই নির্মাণ শেষ হবার বোর্ডও লাগানো হয়েছে। তবে রাস্তাটিতে একটুও পাথর পরেনি। অথচ রাস্তার বরাদ্দ অর্থ তুলে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। গ্রামবাসীরা বিষয়টি নিয়ে আরটিআই করলেও তার কোন সদুত্তর পাননি বলে অভিযোগ। এদিকে গ্রামে অন্য জায়গায় ঢালাই রাস্তার কাজ হচ্ছে। তাদের দাবী, ফিরুর বাড়ি থেকে আনসার এর বাড়ির প্রযন্ত আগে ঢালাই করতে হবে। বিক্ষোভ জেরে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গ্রামের তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য আবুল কালাম মোল্লা পৌছালে তাকে আটকে রেখে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। গ্রামবাসীদের দাবী, ওই কাজের দুর্নীতি হয়েছে। বোর্ড লেখা থাকলেও রাস্তা ঢালাই হয়নি। যার জন্য প্রাইমারি স্কুল ও অঙ্গনওয়ারি সেন্টার যেতে অসুবিধা হচ্ছে পড়ুয়াদের। এমনকি বিষয়টি নিয়ে তারা আরটিআই করলেও কোন সদুত্তর পাননি।
এদিকে গ্রামবাসীদের ক্ষিপ্ততার জেরে পঞ্চায়েত সদস্য ঘনিষ্ঠ এক তৃণমূল কর্মীকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তবে গোটা ঘটনায় সিপিআইএম কে কাঠগোড়ায় তুলেছেন পঞ্চায়েত সদস্য আবুল কালাম মোল্লা। তার দাবী, রাস্তা চাওড়া করার জন্য ওই টাকায় রাস্তার আংশিক কাজ হয়েছে। বাকিটা পঞ্চায়েতে ধরানো হয়ছে। তবে সিপিএম মদতে গ্রামের কিছু মানুষ না বুঝে গ্রামে অন্য রাস্তার কাজ বন্ধ করেছে।
বিষয়টি নিয়ে সিপিআইএম গলসি ২ এরিয়া কমিটির সদস্য আতিয়ার রহমান বলেন, ওটা তৃণমূল দুই গোষ্ঠীর বিবাদ। বোর্ড লাগিয়েছে অথচ কাজ হয়নি এমন অভিযোগ তিনি শুনেছেন স্যোশাল মিডিয়ায়। যা নিয়ে গ্রামের মানুষ আরটিআই করেছেন। এতে আমাদের কোন যোগ নেই।
নতুন গতি 


























