২৫ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
২৫ অগাস্ট ২০২৬, মঙ্গলবার, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩

মিঠাপুর স্কুলের পড়ুয়াদের নিয়ে সচেতন শিবির

আজিজুর রহমান, গলসি : পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের উদ্যোগে ও গলসি থানার সহযোগিতায় একটি সচেতনতা শিবির করা হল। গলসির মিঠাপুর শ্রীদূগা উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের নিয়ে ওই শিবির করা হয়। সোস্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সচেতন করার পাশাপাশি সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ নিয়ে সচেতন করা হয়। এছাড়াও হেলমেট ও সিট বেল্ট পরে গাড়ি চালানো বার্তা দেওয়া হয়। যাতে ১৮ বছর বয়সের আগে মেয়েদের বিবাহ না হয় সেই বিষয়টি নিয়ে পড়ুয়াদের সচেতন করা হয়। শুরুতেই অতিথি বরণ ও সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয়।

জেলা পুলিশের আধিকারিক শ্যৈলেন উপপাধ্যায় বলেন, ছাত্ররা হলো আগামি দিনের ভবিষ্যৎ। তাই তাদের আইন সম্পর্কে সচেতন করা দরকার। কারন ওরাই বাড়িতে গিয়ে এইসব বেশি করে প্রচার করবে। ফলে সমাজের মানুষ কিছুটা হলেও সচেতন হবেন। এতে সমাজ ভালো থাকবে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইমদাদুল হক মল্লিক বলেন, দুর্ভাগ্য আমাদের যে আমরা আমাদের জীবন নিয়ে খুব বেশি সচেতন নয়। তাই পুলিশ ও প্রশাসনকে সব বিষয়ে সচেতন করতে হচ্ছে। তবে এই ধরনের কর্মসূচি চালু থাকলে ছাত্র-ছাত্রীরা নিশ্চিত ভাবে উপকৃত হবেন। পাশাপাশি তারাও এলাকায় বার্তা পৌছে দেবে। এতে সমাজ উপকৃত হবে। সুযোগ পেলে এই রকম কাজ আমরা বেশি বেশি করার চেষ্টা করবো।

বিট অফিস সংলগ্ন স্টিল নেট অকেজো—যেকোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মিঠাপুর স্কুলের পড়ুয়াদের নিয়ে সচেতন শিবির

আপডেট : ১১ অগাস্ট ২০২৪, রবিবার

আজিজুর রহমান, গলসি : পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের উদ্যোগে ও গলসি থানার সহযোগিতায় একটি সচেতনতা শিবির করা হল। গলসির মিঠাপুর শ্রীদূগা উচ্চ বিদ্যালয়ে পড়ুয়াদের নিয়ে ওই শিবির করা হয়। সোস্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সচেতন করার পাশাপাশি সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ নিয়ে সচেতন করা হয়। এছাড়াও হেলমেট ও সিট বেল্ট পরে গাড়ি চালানো বার্তা দেওয়া হয়। যাতে ১৮ বছর বয়সের আগে মেয়েদের বিবাহ না হয় সেই বিষয়টি নিয়ে পড়ুয়াদের সচেতন করা হয়। শুরুতেই অতিথি বরণ ও সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয়।

জেলা পুলিশের আধিকারিক শ্যৈলেন উপপাধ্যায় বলেন, ছাত্ররা হলো আগামি দিনের ভবিষ্যৎ। তাই তাদের আইন সম্পর্কে সচেতন করা দরকার। কারন ওরাই বাড়িতে গিয়ে এইসব বেশি করে প্রচার করবে। ফলে সমাজের মানুষ কিছুটা হলেও সচেতন হবেন। এতে সমাজ ভালো থাকবে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইমদাদুল হক মল্লিক বলেন, দুর্ভাগ্য আমাদের যে আমরা আমাদের জীবন নিয়ে খুব বেশি সচেতন নয়। তাই পুলিশ ও প্রশাসনকে সব বিষয়ে সচেতন করতে হচ্ছে। তবে এই ধরনের কর্মসূচি চালু থাকলে ছাত্র-ছাত্রীরা নিশ্চিত ভাবে উপকৃত হবেন। পাশাপাশি তারাও এলাকায় বার্তা পৌছে দেবে। এতে সমাজ উপকৃত হবে। সুযোগ পেলে এই রকম কাজ আমরা বেশি বেশি করার চেষ্টা করবো।