২৬ অগাস্ট ২০২৬, বুধবার, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
২৬ অগাস্ট ২০২৬, বুধবার, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩

ঠাকুর অনুকুল চন্দ্রের জন্ম দিবসে এলেন সাংসদ অহলুওয়ালিয়া

আজিজুর রহমান,গলসি : শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকুল চন্দ্রের ১৩৬ তম জন্ম মহামহোউৎসবে গলসির রামগোপালপুরে এলেন লোকসভার সাংসদ সুরেন্দ্রর সিং অহলুওয়ালিয়া। দিনটিকে ঘিরে ধর্মীয় কৃত্তন সহ ঠাকুন অনুকুল চন্দের অসংখ্য বানী তুলে ধরা হয়। ভক্তদের একত্রিত করে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রামগোপালপুর সৎসঙ্গ বিহার এর কর্মকর্তারা। দুপুর এসে সাংসদ অহলুওয়ালিয়া ভক্তদের সাথে কুশল বিনিময় করে তাদের সাথে মধাণ্য ভোজন করেন। পাশাপাশি ঠাকুরের মন্দির দর্শন করেন। তার আসার বেশ আপ্লুত এলাকার বহু মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দা নির্মল কুমার পরামানিক বলেন, আমি কোন রাজনৈতিক দল করিনা। ছয় বছর আগে স্ত্রী মারা যায়। ছয় মাসের ছোট্ট মেয়েটার তখন থেকে খিচুনি রোগ ধরা পরে। খুব গরীব মানুষ বাজারে একটি সেলুন চালিয়ে খায়। চিকিৎসায় সব টাকা চলে গেছে। তারপরও সাংসদের কাছে গেলে তিনি আড়াই বছর ধরে আমার কন্যার জন্য ওষুধ সরবরাহ করছেন। আমি তার কাছে কৃতজ্ঞ।জানা গেছে, জন্মদিনের উৎসবকে ঘিরে কমবেশি কুড়ি হাজার ভক্তের সমাগম ঘটে। যোগ দেন আশপাশের গ্রামের বহু মানুষ। সাংসদ জানিয়েছেন, এখানে তিনি অরাজনৈতিক ভাবেই এসেছেন। তিনি কলেজে পড়ার সময় থেকে সৎসঙ্গের সাথে যুক্ত ছিলেন। তখনই ঠাকুর অনুকুল চন্দের একটি বাণীতে মোহিত হয়েছিলেন। সেই শ্রদ্ধা ও ভালবাসা টানেই তিনি ভক্তদের চরনধুলি নিতে এসেছেন।

বিট অফিস সংলগ্ন স্টিল নেট অকেজো—যেকোনো মুহূর্তে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ঠাকুর অনুকুল চন্দ্রের জন্ম দিবসে এলেন সাংসদ অহলুওয়ালিয়া

আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, সোমবার

আজিজুর রহমান,গলসি : শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকুল চন্দ্রের ১৩৬ তম জন্ম মহামহোউৎসবে গলসির রামগোপালপুরে এলেন লোকসভার সাংসদ সুরেন্দ্রর সিং অহলুওয়ালিয়া। দিনটিকে ঘিরে ধর্মীয় কৃত্তন সহ ঠাকুন অনুকুল চন্দের অসংখ্য বানী তুলে ধরা হয়। ভক্তদের একত্রিত করে ওই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রামগোপালপুর সৎসঙ্গ বিহার এর কর্মকর্তারা। দুপুর এসে সাংসদ অহলুওয়ালিয়া ভক্তদের সাথে কুশল বিনিময় করে তাদের সাথে মধাণ্য ভোজন করেন। পাশাপাশি ঠাকুরের মন্দির দর্শন করেন। তার আসার বেশ আপ্লুত এলাকার বহু মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দা নির্মল কুমার পরামানিক বলেন, আমি কোন রাজনৈতিক দল করিনা। ছয় বছর আগে স্ত্রী মারা যায়। ছয় মাসের ছোট্ট মেয়েটার তখন থেকে খিচুনি রোগ ধরা পরে। খুব গরীব মানুষ বাজারে একটি সেলুন চালিয়ে খায়। চিকিৎসায় সব টাকা চলে গেছে। তারপরও সাংসদের কাছে গেলে তিনি আড়াই বছর ধরে আমার কন্যার জন্য ওষুধ সরবরাহ করছেন। আমি তার কাছে কৃতজ্ঞ।জানা গেছে, জন্মদিনের উৎসবকে ঘিরে কমবেশি কুড়ি হাজার ভক্তের সমাগম ঘটে। যোগ দেন আশপাশের গ্রামের বহু মানুষ। সাংসদ জানিয়েছেন, এখানে তিনি অরাজনৈতিক ভাবেই এসেছেন। তিনি কলেজে পড়ার সময় থেকে সৎসঙ্গের সাথে যুক্ত ছিলেন। তখনই ঠাকুর অনুকুল চন্দের একটি বাণীতে মোহিত হয়েছিলেন। সেই শ্রদ্ধা ও ভালবাসা টানেই তিনি ভক্তদের চরনধুলি নিতে এসেছেন।