০৮ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার, ২৪ চৈত্র ১৪৩২
০৮ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার, ২৪ চৈত্র ১৪৩২

আইএসএলে হারের হ্যাট্রিক, ঘরের মাঠেও হার লাল হলুদ ব্রিগেডের

সজল দাশগুপ্ত: শনিবার যুবভারতীর নৈশালোকে নিজেদের ঘরের মাঠে হার ইস্টবেঙ্গলের। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে হারিতে হলো ইস্ট-বেঙ্গলকে। ম্যাচের শুরু থেকে ছন্নছাড়া ফুটবলের, সৌভিক চক্রবর্তী, ক্লেইটন সিলভাদের শরীরী ভাষা ইতিবাচক ছিলনা । যার কারণে, ইভানের ছেলেরা মাঝমাঠের দখল নিয়ে নেয়। ম্যাচের বয়স যখন ৩২ মিনিট, মাঞ্জাপাড়া বাহিনীর অন্যতম ফরওয়ার্ড আদ্রিয়ান লুনার দুর্দান্ত পাস থেকে ডানপায়ের ইনস্টেপকে ব্যবহার করে নিয়ে প্রভসুকান গিলের জাল কাঁপান গোল। একসময় ব্লাস্টার্সের তেকাঠির নীচে দাঁড়ানো অন্যতম এই অতন্দ্রপ্রহরীকে নিজের চেনা পরিচয় পাওয়া গেলনা। তাঁর খেলায় রীতিমত আত্মবিশ্বাসের অভাব লক্ষ্য করা গেল ।

দ্বিতীয়ার্ধেও খুব একটা ভালো ফুটবল খেলতে দেখা গেল না কলকাতার শতাব্দী প্রাচীন ক্লাবকে। উপরন্তু, ম্যাচ যতো গড়িয়েছে সিভেরিও টরো, নাওরেম মাহেশদের ছন্দহীন দেখা গেল। অন্যদিকে ইভান ব্রিগেডের ফুটবল রণকৌশলের ভিতরে সৃষ্টিশীলতা ও সৃজনধর্মীতার চিত্রটি লক্ষ্য করা যায়। বিশেষত দলের গোলরক্ষক শচীন সুরেশ হয়ে উঠলেন নয়নের মনি । ম্যাচের শেষ কোয়ার্টারে দুর্দান্ত দক্ষতায় ক্লেটনের পেনাল্টি থেকে নিশ্চিত গোল সেভ করেন, ম্যাচের নায়ক হয়ে উঠলেন তিনি। যদিও ম্যাচের অন্তিম লগ্নে প্রীতম কোটালের ভুলে পুনরায় একটি পেনাল্টি পায় ইস্টবেঙ্গল। সেই সুযোগকে গোলে পরিণত করতে ভুল ইস্টবেঙ্গল। তবে ততক্ষনে আর করার কিছু ছিল না। গোটা নব্বই মিনিট জুড়ে কুয়াদ্রাতের ছেলেদের রক্ষনভাগের ভঙ্গুর অবস্থার ছবি বারে বারে সামনে চলে আসে। দিনের শেষে নিজেদের দখলে বল দখলের পরিমাণ বেশি রাখলেও মূল্যবান তিনটি পয়েন্ট হারতে হলো ইস্টবেঙ্গলকে। ৫ ম্যাচ খেলে ৪ পয়েন্ট সংগ্রহ করে অবস্থানের কোনো পরিবর্তন ঘটলো না । অপরদিকে ৬ ম্যাচ খেলে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে সুপার সিক্সে টিকে থাকার জন্য আরও একধাপ এগিয়ে গেল ইভান বাহিনী।

সর্বাধিক পাঠিত

১ ঘন্টার মধ্যেই চুরি যাওয়া বাইক সহ চোরকে গ্রেপ্তার রাজনগরে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

আইএসএলে হারের হ্যাট্রিক, ঘরের মাঠেও হার লাল হলুদ ব্রিগেডের

আপডেট : ৫ নভেম্বর ২০২৩, রবিবার

সজল দাশগুপ্ত: শনিবার যুবভারতীর নৈশালোকে নিজেদের ঘরের মাঠে হার ইস্টবেঙ্গলের। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে হারিতে হলো ইস্ট-বেঙ্গলকে। ম্যাচের শুরু থেকে ছন্নছাড়া ফুটবলের, সৌভিক চক্রবর্তী, ক্লেইটন সিলভাদের শরীরী ভাষা ইতিবাচক ছিলনা । যার কারণে, ইভানের ছেলেরা মাঝমাঠের দখল নিয়ে নেয়। ম্যাচের বয়স যখন ৩২ মিনিট, মাঞ্জাপাড়া বাহিনীর অন্যতম ফরওয়ার্ড আদ্রিয়ান লুনার দুর্দান্ত পাস থেকে ডানপায়ের ইনস্টেপকে ব্যবহার করে নিয়ে প্রভসুকান গিলের জাল কাঁপান গোল। একসময় ব্লাস্টার্সের তেকাঠির নীচে দাঁড়ানো অন্যতম এই অতন্দ্রপ্রহরীকে নিজের চেনা পরিচয় পাওয়া গেলনা। তাঁর খেলায় রীতিমত আত্মবিশ্বাসের অভাব লক্ষ্য করা গেল ।

দ্বিতীয়ার্ধেও খুব একটা ভালো ফুটবল খেলতে দেখা গেল না কলকাতার শতাব্দী প্রাচীন ক্লাবকে। উপরন্তু, ম্যাচ যতো গড়িয়েছে সিভেরিও টরো, নাওরেম মাহেশদের ছন্দহীন দেখা গেল। অন্যদিকে ইভান ব্রিগেডের ফুটবল রণকৌশলের ভিতরে সৃষ্টিশীলতা ও সৃজনধর্মীতার চিত্রটি লক্ষ্য করা যায়। বিশেষত দলের গোলরক্ষক শচীন সুরেশ হয়ে উঠলেন নয়নের মনি । ম্যাচের শেষ কোয়ার্টারে দুর্দান্ত দক্ষতায় ক্লেটনের পেনাল্টি থেকে নিশ্চিত গোল সেভ করেন, ম্যাচের নায়ক হয়ে উঠলেন তিনি। যদিও ম্যাচের অন্তিম লগ্নে প্রীতম কোটালের ভুলে পুনরায় একটি পেনাল্টি পায় ইস্টবেঙ্গল। সেই সুযোগকে গোলে পরিণত করতে ভুল ইস্টবেঙ্গল। তবে ততক্ষনে আর করার কিছু ছিল না। গোটা নব্বই মিনিট জুড়ে কুয়াদ্রাতের ছেলেদের রক্ষনভাগের ভঙ্গুর অবস্থার ছবি বারে বারে সামনে চলে আসে। দিনের শেষে নিজেদের দখলে বল দখলের পরিমাণ বেশি রাখলেও মূল্যবান তিনটি পয়েন্ট হারতে হলো ইস্টবেঙ্গলকে। ৫ ম্যাচ খেলে ৪ পয়েন্ট সংগ্রহ করে অবস্থানের কোনো পরিবর্তন ঘটলো না । অপরদিকে ৬ ম্যাচ খেলে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে সুপার সিক্সে টিকে থাকার জন্য আরও একধাপ এগিয়ে গেল ইভান বাহিনী।