২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

পণের টাকা মেটাতে না পারায় স্ত্রীকে খুন!

নিজস্ব সংবাদদাতা : পণের টাকা মেটাতে না পারায় গৃহবধূ হত্যার খবর প্রায়ই উঠে আসে খবরের শিরোনামে। ফের তেমনই এক ঘটনা বাংলার বুকে। এবার ঘটনাস্থল খড়গপুর। স্ত্রীকে খুনের অভিযোগ উঠল এক পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে শেখ বাবুল নামে ওই পুলিশকর্মীকে।

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়গপুর (kharagpur police constable) টাউন থানার অন্তর্গত সাজোয়াল এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। ২০১৮ সালে পেশায় দর্জি শেখ ইসমাইলের মেয়ে আম্মাতুন বিবির সঙ্গে বিয়ে হয় পুলিশ কনস্টেবল বাবুল শেখের। তবে বিয়ের পর থেকেই নাকি প্রায়ই বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনতে বলতেন বাবুল। মৃতা আম্মাতুনের বাবা ইসমাইলের অভিযোগ, প্রায়ই জামাই টাকা চেয়ে পাঠাতেন। তা দিতে না পারলে মেয়েকে মারধরও করা হত।ইসমাইলের কথায়, বেশ কিছুদিন আগে তাঁর জামাই অর্থাৎ বাবুল ২৪-২৫ লক্ষ টাকা ধার চেয়েছিলেন শ্বশুরের কাছে। জামাই বাড়ি কেনার জন্যই ওই টাকা চেয়েছিলেন বলে জানান মৃতার বাবা। তবে সে টাকা তখন দেওয়া সম্ভব হয়নি তাঁর পক্ষে। শনিবার রাতে শেষবার মেয়ের সঙ্গে কথা বলেন ইসমাইল। জানা গেছে, সেই সময়ে ফোনে মারামারির আওয়াজও পান তিনি। এরপর রাতেই মেয়ের মারা যাওয়ার খবর পৌঁছায় ইসমাইলের কাছে।

ইসমাইল সহ মৃতার পরিবারের অভিযোগ, আম্মাতুনকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে মেরে ফেলেছে স্বামী সহ তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন। অন্যদিকে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে ধৃত বাবুলের দাবি একটি ফোনের সূত্রেই ঘটেছে এমন ঘটনা। বাবুল একটি নতুন ফোন কিনে নিয়ে এলে সেই ফোন নিতে চান আম্মাতুন। স্ত্রীকে পরে দেবেন বলেছিলেন। সেই অভিমানেই বাথরুমে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন আম্মাতুন। দাবি ধৃত বাবুলের।

 

 

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পণের টাকা মেটাতে না পারায় স্ত্রীকে খুন!

আপডেট : ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, সোমবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : পণের টাকা মেটাতে না পারায় গৃহবধূ হত্যার খবর প্রায়ই উঠে আসে খবরের শিরোনামে। ফের তেমনই এক ঘটনা বাংলার বুকে। এবার ঘটনাস্থল খড়গপুর। স্ত্রীকে খুনের অভিযোগ উঠল এক পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই আটক করা হয়েছে শেখ বাবুল নামে ওই পুলিশকর্মীকে।

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়গপুর (kharagpur police constable) টাউন থানার অন্তর্গত সাজোয়াল এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে। ২০১৮ সালে পেশায় দর্জি শেখ ইসমাইলের মেয়ে আম্মাতুন বিবির সঙ্গে বিয়ে হয় পুলিশ কনস্টেবল বাবুল শেখের। তবে বিয়ের পর থেকেই নাকি প্রায়ই বাপের বাড়ি থেকে টাকা আনতে বলতেন বাবুল। মৃতা আম্মাতুনের বাবা ইসমাইলের অভিযোগ, প্রায়ই জামাই টাকা চেয়ে পাঠাতেন। তা দিতে না পারলে মেয়েকে মারধরও করা হত।ইসমাইলের কথায়, বেশ কিছুদিন আগে তাঁর জামাই অর্থাৎ বাবুল ২৪-২৫ লক্ষ টাকা ধার চেয়েছিলেন শ্বশুরের কাছে। জামাই বাড়ি কেনার জন্যই ওই টাকা চেয়েছিলেন বলে জানান মৃতার বাবা। তবে সে টাকা তখন দেওয়া সম্ভব হয়নি তাঁর পক্ষে। শনিবার রাতে শেষবার মেয়ের সঙ্গে কথা বলেন ইসমাইল। জানা গেছে, সেই সময়ে ফোনে মারামারির আওয়াজও পান তিনি। এরপর রাতেই মেয়ের মারা যাওয়ার খবর পৌঁছায় ইসমাইলের কাছে।

ইসমাইল সহ মৃতার পরিবারের অভিযোগ, আম্মাতুনকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে মেরে ফেলেছে স্বামী সহ তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকজন। অন্যদিকে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করে ধৃত বাবুলের দাবি একটি ফোনের সূত্রেই ঘটেছে এমন ঘটনা। বাবুল একটি নতুন ফোন কিনে নিয়ে এলে সেই ফোন নিতে চান আম্মাতুন। স্ত্রীকে পরে দেবেন বলেছিলেন। সেই অভিমানেই বাথরুমে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন আম্মাতুন। দাবি ধৃত বাবুলের।