১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩
১৮ এপ্রিল ২০২৬, শনিবার, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩

মোষের গুতোয় প্রাণ গেল মহেশপুরের বাসিন্দা ৫১ বছর বয়সী নিমাই ঘোষের

নিজস্ব সংবাদদাতা : মোষের গুতোয় প্রাণ গেল মহেশপুরের বাসিন্দা ৫১ বছর বয়সী নিমাই ঘোষের। সূত্রের খবর পেশায় কৃষক নিমাই ঘোষ এ দিন তার ছেলে ও আরও একজন ব্যক্তিকে নিয়ে মাঠে যান পাটকাটি তুলতে। তাদের পাশ দিয়েই এক মালিক তার মোষকে নিয়ে যাচ্ছিলেন মাঠে চরানোর জন্য। আচমকাই সেই মোষটি ছুটে এসে তাড়া করে নিমাইবাবু এবং তার সঙ্গে থাকা আরও দুইজনকে। প্রথমে নিমাই বাবুর ছেলেকে আচমকাই আক্রমণ করে ওই মোষটি। নিমাই বাবুর ছেলে ও তার সঙ্গে থাকা আরেক ব্যক্তি কোনওরকমে পালিয়ে বাঁচলেও বাঁচতে পারেননি নিমাই ঘোষ।নিমাই ঘোষের ছেলে বিশ্বজিৎ ঘোষ জানায়, আচমকাই মোষটি এসে প্রথমে তাদের আক্রমণ করার পর তার বাবা নিমাই ঘোষকে অতর্কিতে আক্রমণ করে। মোষটি শিং দিয়ে গুঁতো মেরে শূন্যে তুলে দুবার আছাড় মারে। এরপর মোষটি মাটিতে ফেলে অনবরত সিং দিয়ে গুঁতোতে থাকে নিমাই বাবুকে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় মোষটিকে তাড়িয়ে রক্তাক্ত নিমাই বাবুকে নিয়ে আসা হয়, স্থানীয় একটি বেসরকারি নার্সিংহোম।স্থানীয় বাসিন্দারা জানায় তখনও বেঁচে ছিলেন নিমাইবাবু। কিন্তু তার বেশ কয়েক ঘন্টা পরেই মৃত্যু হয় নিমাই বাবুর। অভিযোগের তীর ছুড়ছেন নার্সিংহোমের বিরুদ্ধেই। তারা বলেন ওই নার্সিংহোম থেকে যথাসময়ে রোগীকে অন্যত্র স্থানান্তর করার অনুমতি দিয়ে দিলেই হয়তো এমনটা হত না। যদিও এ বিষয়ে নার্সিংহোমের থেকে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের পর দেহ তুলে দেওয়া হবে পরিবারের হাতে। ঘটনার জেরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়।

একাই ২ ফ্রন্টে লড়াই, মাঠ কাঁপাচ্ছেন সামিম আহমেদ!

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মোষের গুতোয় প্রাণ গেল মহেশপুরের বাসিন্দা ৫১ বছর বয়সী নিমাই ঘোষের

আপডেট : ৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, বুধবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : মোষের গুতোয় প্রাণ গেল মহেশপুরের বাসিন্দা ৫১ বছর বয়সী নিমাই ঘোষের। সূত্রের খবর পেশায় কৃষক নিমাই ঘোষ এ দিন তার ছেলে ও আরও একজন ব্যক্তিকে নিয়ে মাঠে যান পাটকাটি তুলতে। তাদের পাশ দিয়েই এক মালিক তার মোষকে নিয়ে যাচ্ছিলেন মাঠে চরানোর জন্য। আচমকাই সেই মোষটি ছুটে এসে তাড়া করে নিমাইবাবু এবং তার সঙ্গে থাকা আরও দুইজনকে। প্রথমে নিমাই বাবুর ছেলেকে আচমকাই আক্রমণ করে ওই মোষটি। নিমাই বাবুর ছেলে ও তার সঙ্গে থাকা আরেক ব্যক্তি কোনওরকমে পালিয়ে বাঁচলেও বাঁচতে পারেননি নিমাই ঘোষ।নিমাই ঘোষের ছেলে বিশ্বজিৎ ঘোষ জানায়, আচমকাই মোষটি এসে প্রথমে তাদের আক্রমণ করার পর তার বাবা নিমাই ঘোষকে অতর্কিতে আক্রমণ করে। মোষটি শিং দিয়ে গুঁতো মেরে শূন্যে তুলে দুবার আছাড় মারে। এরপর মোষটি মাটিতে ফেলে অনবরত সিং দিয়ে গুঁতোতে থাকে নিমাই বাবুকে। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় মোষটিকে তাড়িয়ে রক্তাক্ত নিমাই বাবুকে নিয়ে আসা হয়, স্থানীয় একটি বেসরকারি নার্সিংহোম।স্থানীয় বাসিন্দারা জানায় তখনও বেঁচে ছিলেন নিমাইবাবু। কিন্তু তার বেশ কয়েক ঘন্টা পরেই মৃত্যু হয় নিমাই বাবুর। অভিযোগের তীর ছুড়ছেন নার্সিংহোমের বিরুদ্ধেই। তারা বলেন ওই নার্সিংহোম থেকে যথাসময়ে রোগীকে অন্যত্র স্থানান্তর করার অনুমতি দিয়ে দিলেই হয়তো এমনটা হত না। যদিও এ বিষয়ে নার্সিংহোমের থেকে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের পর দেহ তুলে দেওয়া হবে পরিবারের হাতে। ঘটনার জেরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা এলাকায়।