২৭ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
২৭ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩

পুজোর কমিটি নিয়ে বিবাদ, বিজেপি কর্মী খুনে গ্রেফতার চার

নিজস্ব সংবাদদাতা, বারুইপুর: দুর্গাপুজোর কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে বিবাদের জেরে বিজেপি কর্মী বাপি প্রামাণিককে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল। ঘটনায় বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য তথা প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতি সুজন মণ্ডল-সহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে বারুইপুর থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম সুজন মণ্ডল, কৃষ্ণা মণ্ডল, কনক মণ্ডল ও অনিল নাইয়া।
রবিবার রাতে বারুইপুর থানার হাড়দহ পঞ্চায়েতের উত্তর ট্যাঙ্গারবেড়িয়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পুজোর কমিটি গঠন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা চলছিল। সেই সময় ঘটনাস্থলে স্ত্রীকে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন বাপি। অভিযোগ, আচমকাই ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। স্ত্রীর সামনেই তাঁকে এলোপাথাড়ি কোপানো হয় বলে অভিযোগ।
রক্তাক্ত অবস্থায় বাপিকে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। এরপর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের পর সুজন মণ্ডল-সহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।
ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে বাপি ও সুজনের দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বের কথাও উঠে এসেছে। বিজেপির দাবি, দলবিরোধী কাজের অভিযোগে সুজনকে আগেই সাসপেন্ড করা হয়েছিল। পুজোর কমিটি নিয়ে বিবাদ নাকি পুরনো রাজনৈতিক-ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব—খুনের প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

২৬ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে পানামাকে আতিথ্য দেবে ভারত

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

পুজোর কমিটি নিয়ে বিবাদ, বিজেপি কর্মী খুনে গ্রেফতার চার

আপডেট : ২৭ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার
নিজস্ব সংবাদদাতা, বারুইপুর: দুর্গাপুজোর কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে বিবাদের জেরে বিজেপি কর্মী বাপি প্রামাণিককে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল। ঘটনায় বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য তথা প্রাক্তন মণ্ডল সভাপতি সুজন মণ্ডল-সহ চারজনকে গ্রেফতার করেছে বারুইপুর থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম সুজন মণ্ডল, কৃষ্ণা মণ্ডল, কনক মণ্ডল ও অনিল নাইয়া।
রবিবার রাতে বারুইপুর থানার হাড়দহ পঞ্চায়েতের উত্তর ট্যাঙ্গারবেড়িয়া এলাকায় ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পুজোর কমিটি গঠন নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা চলছিল। সেই সময় ঘটনাস্থলে স্ত্রীকে নিয়ে উপস্থিত ছিলেন বাপি। অভিযোগ, আচমকাই ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। স্ত্রীর সামনেই তাঁকে এলোপাথাড়ি কোপানো হয় বলে অভিযোগ।
রক্তাক্ত অবস্থায় বাপিকে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। এরপর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের পর সুজন মণ্ডল-সহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।
ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে বাপি ও সুজনের দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বের কথাও উঠে এসেছে। বিজেপির দাবি, দলবিরোধী কাজের অভিযোগে সুজনকে আগেই সাসপেন্ড করা হয়েছিল। পুজোর কমিটি নিয়ে বিবাদ নাকি পুরনো রাজনৈতিক-ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব—খুনের প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।