মাথাভাঙা শহরের ঐতিহ্যবাহী সুটুঙ্গা নদীর দুই পাড়ে পুজোর আগে শুরু হয়েছে জঙ্গল সাফাইয়ের কাজ। প্রায় এক দশক ধরে নদীর দুই ধারে নিয়মিত সাফাই না হওয়ায় এলাকাটি ঘন ঝোপঝাড়, পোকামাকড় ও দুর্গন্ধে জর্জরিত হয়ে উঠেছিল। নদীর বাঁধের দুই দিকে হাঁটাচলাও কঠিন হয়ে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরেই নদীর দুই পাড় পরিষ্কারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন শহরবাসী।
অবশেষে সেই দাবিতে সাড়া দিয়ে মাথাভাঙা পৌরসভার উদ্যোগে বিশেষ দল নামিয়ে শুরু হয়েছে সাফাই অভিযান। মাথাভাঙার মহকুমা শাসক তথা পৌর প্রশাসক সুশোভন মণ্ডল জানান, পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় জঙ্গল পরিষ্কারের কাজ চলছে। পুজোর আগেই শহরকে পরিচ্ছন্ন করে তোলাই লক্ষ্য।
স্থানীয় বাসিন্দা ভানু দাস বলেন, “এখানেই আমার জন্ম। এমন জঙ্গল আগে দেখিনি। নদীর ধারে কেউ যেন আবর্জনা না ফেলেন।” কোচবিহার জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক মনোজ ঘোষ জানান, সুটুঙ্গার পাশাপাশি শহরের মন্দির, গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ও গলির জঙ্গলও পরিষ্কার করা হচ্ছে। শিবশঙ্কর সাহা বলেন, বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে চিহ্নিত জায়গাগুলিতে সাফাই চলছে। ১১ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন বিজেপি কাউন্সিলর দিলীপ মণ্ডল বলেন, শহরকে পরিচ্ছন্ন করার চেষ্টা চলছে। বিধায়ক তথা উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের উদ্যোগে দশমীর দিন নৌকায় প্রতিমা নিরঞ্জনের ঐতিহ্য ফিরলে সুটুঙ্গার সৌন্দর্যায়নে তা বাড়তি মাত্রা পাবে।
নতুন গতি 




















