১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩

বর্ধমানের বাঁকা নদীর তীরবর্তী একাধিক ওয়ার্ড জলবন্দি হয়ে রয়েছে

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: বাঁকা নদীর জল উপচে প্লাবিত বর্ধমান শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা। জলমগ্ন বর্ধমান শহর। জল নিকাশের বিকল্প পথ না থাকা এবং বাঁকা নদীর জল উপচে শহর বর্ধমানের বাঁকা নদীর তীরবর্তী একাধিক ওয়ার্ড জলবন্দি হয়ে রয়েছে। গত চার দিন ধরে জলবন্দি পুর এলাকার বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডের সাধারণ নাগরিকরা। কখনও পুরসভার ওপর আবার কখনও জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলছেন জলবন্দি এলাকার বাসিন্দারা।

গত কয়েকদিনের প্রবল বৃষ্টিতে বর্ধমান পুর এলাকার বেশ কিছু এলাকা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। লাগাতার বৃষ্টি এবং বাঁকা নদীর জলে ভেঙেছে একাধিক কাঁচাবাড়ি সহ পাকা বাড়িও। এখনও পর্যন্ত কেবল শহরেই দুহাজারেরও বেশি মানুষকে বিভিন্ন নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিন দুপুর পর্যন্ত পাওয়া জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, আপার ক্যাচমেণ্ট এলাকায় ব্যাপক বৃষ্টির জেরে দুর্গাপুর ব্যারেজের জলও বেড়েছে। ফলে ধীরে ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণও বাড়ানো হচ্ছে। গত ২০ জুলাই থেকে আমন চাষের জন্য জল ছাড়া শুরু হয়েছে। তার পরেই নিম্নচাপের জেরে লাগাতার বৃষ্টিতে ব্যারেজের জল ছাড়াও শুরু হয়েছে। এদিন দুপুর পর্যন্ত দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে ১ লক্ষ ২৮ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে, বর্ধমান পুরসভার ২১ ও ২৫ ওয়ার্ডের রাজগঞ্জ এলাকায় প্রায় ২০০ পরিবার জলবন্দি হয়ে পড়েছেন। ১৭নং ওয়ার্ডের খাজা আনোয়ার বেড় এলাকায় কয়েকটি মাটির বাড়ি ভেঙেছে।১,২,৪,৫,৬,৭,১০,১৯, ২১, ১১, ১২,  ১৭,৩৫  নম্বর  ওয়ার্ড জলমগ্ন।শহরের পাশাপাশি জেলার মেমারি, খন্ডঘোষ, রায়না,জামালপুর  ব্লকের বিভিন্ন এলাকাও জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। রোয়া জমি জলের তলায় ডুবে থাকায় মাথায় হাত কৃষকদের।

জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা জেলায় এখনও পর্যন্ত প্রায়  ৮০ টি বাড়ি সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছে।ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৫০০ বাড়ি।ইতিমধ্যেই  প্রায়  ৪ হাজার লোককে অন্যত্র সরানো হয়েছে। যার মধ্যে বর্ধমান পৌর এলাকারই  দু হাজার জন বাসিন্দা রয়েছেন।

রবীন্দ্র –নজরুল উৎসব

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বর্ধমানের বাঁকা নদীর তীরবর্তী একাধিক ওয়ার্ড জলবন্দি হয়ে রয়েছে

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০২১, শনিবার

নতুন গতি ওয়েব ডেস্ক: বাঁকা নদীর জল উপচে প্লাবিত বর্ধমান শহরের বিস্তীর্ণ এলাকা। জলমগ্ন বর্ধমান শহর। জল নিকাশের বিকল্প পথ না থাকা এবং বাঁকা নদীর জল উপচে শহর বর্ধমানের বাঁকা নদীর তীরবর্তী একাধিক ওয়ার্ড জলবন্দি হয়ে রয়েছে। গত চার দিন ধরে জলবন্দি পুর এলাকার বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডের সাধারণ নাগরিকরা। কখনও পুরসভার ওপর আবার কখনও জেলা প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলছেন জলবন্দি এলাকার বাসিন্দারা।

গত কয়েকদিনের প্রবল বৃষ্টিতে বর্ধমান পুর এলাকার বেশ কিছু এলাকা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। লাগাতার বৃষ্টি এবং বাঁকা নদীর জলে ভেঙেছে একাধিক কাঁচাবাড়ি সহ পাকা বাড়িও। এখনও পর্যন্ত কেবল শহরেই দুহাজারেরও বেশি মানুষকে বিভিন্ন নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিন দুপুর পর্যন্ত পাওয়া জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, আপার ক্যাচমেণ্ট এলাকায় ব্যাপক বৃষ্টির জেরে দুর্গাপুর ব্যারেজের জলও বেড়েছে। ফলে ধীরে ব্যারেজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণও বাড়ানো হচ্ছে। গত ২০ জুলাই থেকে আমন চাষের জন্য জল ছাড়া শুরু হয়েছে। তার পরেই নিম্নচাপের জেরে লাগাতার বৃষ্টিতে ব্যারেজের জল ছাড়াও শুরু হয়েছে। এদিন দুপুর পর্যন্ত দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকে ১ লক্ষ ২৮ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে, বর্ধমান পুরসভার ২১ ও ২৫ ওয়ার্ডের রাজগঞ্জ এলাকায় প্রায় ২০০ পরিবার জলবন্দি হয়ে পড়েছেন। ১৭নং ওয়ার্ডের খাজা আনোয়ার বেড় এলাকায় কয়েকটি মাটির বাড়ি ভেঙেছে।১,২,৪,৫,৬,৭,১০,১৯, ২১, ১১, ১২,  ১৭,৩৫  নম্বর  ওয়ার্ড জলমগ্ন।শহরের পাশাপাশি জেলার মেমারি, খন্ডঘোষ, রায়না,জামালপুর  ব্লকের বিভিন্ন এলাকাও জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। রোয়া জমি জলের তলায় ডুবে থাকায় মাথায় হাত কৃষকদের।

জেলাশাসক প্রিয়াংকা সিংলা জেলায় এখনও পর্যন্ত প্রায়  ৮০ টি বাড়ি সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছে।ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৫০০ বাড়ি।ইতিমধ্যেই  প্রায়  ৪ হাজার লোককে অন্যত্র সরানো হয়েছে। যার মধ্যে বর্ধমান পৌর এলাকারই  দু হাজার জন বাসিন্দা রয়েছেন।