১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩
১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সোমবার, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩

রাধাকান্তপুর গ্রামে গুরু পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে উৎসাহদানে উপস্থিত বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্য

সেখ সামসুদ্দিন : ২৫ শে জুলাই,মেমারি বিধানসভার রাধাকান্তপুর গ্রামে সিরডি সাঁই মন্দিরে গুরু পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে গতকাল থেকে চলছে পুজো, আরতি, ভোগ, কীর্তনের আসর। আজ দ্বিতীয় দিনে মন্দিরের ভক্তদের উৎসাহদানে উপস্থিত হন বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্য। সঙ্গে ছিলেন ব্লক সহ সভাপতি সন্দীপ পরামানিক, মহঃ সাজাহান, ছাত্র নেতা সুরজ মন্ডল, প্রাক্তন কাউন্সিলর চিরঞ্জীব ঘোষ সহ বিশিষ্ট ব‍্যক্তিবর্গ। মন্দির পরিচালন সম্পাদকের কাছে জানা যায় আজ দুপুরে প্রায় হাজার দেড়েক মানুষ অন্নভোগ গ্রহণ করবেন। এখানে গুরু পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে স্পেশাল পুজো আরতি যজ্ঞ করা হচ্ছে। বারো মাসই পুজারী পুজো করেন এবং প্রতি বৃহস্পতিবার দুপুরে তিন শতাধিক মানুষ অন্নভোগ করেন। এখানে মন্দির প্রতিষ্ঠার সম্পর্কে জানা যায়, এক রাতে সানাই নামে এক ভক্তকে স্বপ্ন দেয় আমি এসেছি, আমাকে পুজো কর। পরের দিন সাঁইবাবার মূর্তি পাওয়া যায় এই জায়গাতে। তারপর বহু আশ্চর্য ঘটনার সাক্ষী এই বাবা। মন্দিরের পুজো, অন্নভোগ সব কিছু কিভাবে যোগার হয়ে যায় ঠাকুরই জানেন। এই মন্দিরে এসে বাবার মূর্তিতে মাল‍্যদান করেন ও শ্রদ্ধা জানান, প্রসাদ গ্রহণ করেন বিধায়ক এবং ভোগ বিতরণ করেন।

রবীন্দ্র –নজরুল উৎসব

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রাধাকান্তপুর গ্রামে গুরু পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে উৎসাহদানে উপস্থিত বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্য

আপডেট : ২৫ জুলাই ২০২১, রবিবার

সেখ সামসুদ্দিন : ২৫ শে জুলাই,মেমারি বিধানসভার রাধাকান্তপুর গ্রামে সিরডি সাঁই মন্দিরে গুরু পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে গতকাল থেকে চলছে পুজো, আরতি, ভোগ, কীর্তনের আসর। আজ দ্বিতীয় দিনে মন্দিরের ভক্তদের উৎসাহদানে উপস্থিত হন বিধায়ক মধুসূদন ভট্টাচার্য্য। সঙ্গে ছিলেন ব্লক সহ সভাপতি সন্দীপ পরামানিক, মহঃ সাজাহান, ছাত্র নেতা সুরজ মন্ডল, প্রাক্তন কাউন্সিলর চিরঞ্জীব ঘোষ সহ বিশিষ্ট ব‍্যক্তিবর্গ। মন্দির পরিচালন সম্পাদকের কাছে জানা যায় আজ দুপুরে প্রায় হাজার দেড়েক মানুষ অন্নভোগ গ্রহণ করবেন। এখানে গুরু পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে স্পেশাল পুজো আরতি যজ্ঞ করা হচ্ছে। বারো মাসই পুজারী পুজো করেন এবং প্রতি বৃহস্পতিবার দুপুরে তিন শতাধিক মানুষ অন্নভোগ করেন। এখানে মন্দির প্রতিষ্ঠার সম্পর্কে জানা যায়, এক রাতে সানাই নামে এক ভক্তকে স্বপ্ন দেয় আমি এসেছি, আমাকে পুজো কর। পরের দিন সাঁইবাবার মূর্তি পাওয়া যায় এই জায়গাতে। তারপর বহু আশ্চর্য ঘটনার সাক্ষী এই বাবা। মন্দিরের পুজো, অন্নভোগ সব কিছু কিভাবে যোগার হয়ে যায় ঠাকুরই জানেন। এই মন্দিরে এসে বাবার মূর্তিতে মাল‍্যদান করেন ও শ্রদ্ধা জানান, প্রসাদ গ্রহণ করেন বিধায়ক এবং ভোগ বিতরণ করেন।