২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

খাস কলকাতায় অটোর ভিতরে উদ্ধার হল ১৯টি তাজা বোমা

নিজস্ব সংবাদদাতা : খাস কলকাতায় অটোর ভিতরে উদ্ধার হল ১৯টি তাজা বোমা। হরিদেবপুরে এলাকার ৪১ পল্লি ক্লাবের সামনে একটি পরিত্যক্ত অটোর ভিতরে রাখা ছিল বোমাগুলি। উদ্ধার একটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং বুলেট। জানা গিয়েছে, একটি প্লাস্টিকের ব্যাগের ভিতরে রাখা ছিল বোমাগুলি। সেখানেই বন্দুক এবং কার্তুজের সন্ধান পাওয়া যায়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে আসে হরিদেবপুর থানার পুলিশ। বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র এবং কার্তুজ উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়। উল্লেখ্য, পরিত্যক্ত ওই অটোটি হরিদেবপুর রুটের নয়। তার পিছনে বিজয়গড় থেকে চক্রবেড়িয়া লেখা ছিল বলে খবর।দোলের দিনও শহরে গুলি চলার ঘটনা ঘটেছিল। তার পরদিনও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়েছিল। তারপর থেকে শহরের একাধিক জায়গায় হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে বোমাবাজিও রয়েছে। শুরু থেকেই বিষয়টি কলকাতা পুলিশের নজরে রয়েছে। নানা জায়গায় খোঁজ খবর রাখা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতেই হরিদেবপুরে পরিত্যক্ত অটোর ভিতরে বোমা উদ্ধারের ঘটনাটি ঘটে। ৪১ পল্লি ক্লাবের সামনের যে রাস্তায় বোমা উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে সেটি বেশ সরু এবং বেশ ব্যস্ত। সেই রাস্তায় কীভাবে এই অটো এল? কেনই বা অটোর ভিতরে এতগুলি বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র এবং বুলেট মজুত করে রাখা ছিল? এর নেপথ্যে কোনও বড়সড় নাশকতার ছক ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হরিদেবপুর থানার পুলিশ। অটোমালিকের সন্ধান পাওয়ার চেষ্টা চলছে। প্রয়োজনে প্রত্যক্ষদর্শী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। পাশাপাশি ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান বোমাগুলি হয়তো দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তৈরি হয়েছে এবং সেখান থেকেই কলকাতায় আনা হয়েছে। লুকানোর স্থান হিসেবে পরিত্যক্ত অটোকে বেছে নেওয়া হয়েছে।

লটারির নামে কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণা!

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

খাস কলকাতায় অটোর ভিতরে উদ্ধার হল ১৯টি তাজা বোমা

আপডেট : ২৩ এপ্রিল ২০২২, শনিবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : খাস কলকাতায় অটোর ভিতরে উদ্ধার হল ১৯টি তাজা বোমা। হরিদেবপুরে এলাকার ৪১ পল্লি ক্লাবের সামনে একটি পরিত্যক্ত অটোর ভিতরে রাখা ছিল বোমাগুলি। উদ্ধার একটি আগ্নেয়াস্ত্র এবং বুলেট। জানা গিয়েছে, একটি প্লাস্টিকের ব্যাগের ভিতরে রাখা ছিল বোমাগুলি। সেখানেই বন্দুক এবং কার্তুজের সন্ধান পাওয়া যায়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে আসে হরিদেবপুর থানার পুলিশ। বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র এবং কার্তুজ উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়। উল্লেখ্য, পরিত্যক্ত ওই অটোটি হরিদেবপুর রুটের নয়। তার পিছনে বিজয়গড় থেকে চক্রবেড়িয়া লেখা ছিল বলে খবর।দোলের দিনও শহরে গুলি চলার ঘটনা ঘটেছিল। তার পরদিনও একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়েছিল। তারপর থেকে শহরের একাধিক জায়গায় হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে বোমাবাজিও রয়েছে। শুরু থেকেই বিষয়টি কলকাতা পুলিশের নজরে রয়েছে। নানা জায়গায় খোঁজ খবর রাখা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতেই হরিদেবপুরে পরিত্যক্ত অটোর ভিতরে বোমা উদ্ধারের ঘটনাটি ঘটে। ৪১ পল্লি ক্লাবের সামনের যে রাস্তায় বোমা উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে সেটি বেশ সরু এবং বেশ ব্যস্ত। সেই রাস্তায় কীভাবে এই অটো এল? কেনই বা অটোর ভিতরে এতগুলি বোমা, আগ্নেয়াস্ত্র এবং বুলেট মজুত করে রাখা ছিল? এর নেপথ্যে কোনও বড়সড় নাশকতার ছক ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হরিদেবপুর থানার পুলিশ। অটোমালিকের সন্ধান পাওয়ার চেষ্টা চলছে। প্রয়োজনে প্রত্যক্ষদর্শী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। পাশাপাশি ওই এলাকার সিসিটিভি ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান বোমাগুলি হয়তো দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তৈরি হয়েছে এবং সেখান থেকেই কলকাতায় আনা হয়েছে। লুকানোর স্থান হিসেবে পরিত্যক্ত অটোকে বেছে নেওয়া হয়েছে।