২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

নজরুল চর্চা কেন্দ্রের দু’দিনের নজরুল-জয়ন্তী

নিজস্ব সংবাদদাতা : পরিকল্পনা করা হয়েছিল গতবছর মৌলালী যুব কেন্দ্রে নজরুল জয়ন্তী অনুষ্ঠানে যে, দু’হাজার চব্বিশে কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী ১২৫জন শিল্পীকে নিয়ে সমবেতভাবে করা হবে। তারই সফল রূপায়ণ হল গত ছাব্বিশে মে ঝড়-বৃষ্টিস্নাত বিকেলে ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট হলে। তবে দেবযানী চট্টোপাধ্যায়ের ভাষ্যরচনা ও পরিচালনায় নজরুল চর্চা কেন্দ্রের এই সমবেত “গাহি সাম্যের গান” অনুষ্ঠানে শেষ পর্যন্ত অংশগ্রহণ করেন ১৫৬জন শিল্পী। অনুষ্ঠানের শুরুতে কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন নজরুল চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি ও সম্পাদক যথাক্রমে অধ্যক্ষ ড. শেখ কামাল উদ্দীন ও শিক্ষক শাহজাহান মণ্ডল। সমবেত দর্শকমণ্ডলী ও শিল্পীদের স্বাগত জানান শাহজাহান মণ্ডল। নজরুল চর্চা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে ও আগামী দিনের কর্মসূচি ব্যক্ত করেন ড. শেখ কামাল উদ্দীন। উত্তরীয়, মানপত্র দিয়ে ‘নজরুল স্মারক সম্মাননা’ প্রদান করা হয় কথাসাহিত্যিক প্রসেনজিৎ পোদ্দারকে। তারপর শুরু হয় পশ্চিমবঙ্গসহ আসাম, ছত্রিশগড়, মোম্বাইয়ের শিল্পীদের সমবেত অনুষ্ঠান “গাহি সাম্যের গান।” অনুষ্ঠানে ১৬টি নজরুলগীতি, ৩৮টি কবিতা, ৮টি গান ও কবিতার সঙ্গে নৃত্য পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ড. নিরুপম আচার্য। বিশিষ্টদের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ‘নতুন গতি’ ও ‘মাসান্তিক’-এর সম্পাদক ইমদাদুল হক নূর, শিশু সাহিত্যিক আব্দুল করিম, নজরুলগীতির হিন্দি অনুবাদক সদানন্দ বিশ্বাস, বাংলাদেশের দু’জন সাহিত্য-সংগঠক ও মানবাধিকার কর্মী ছিদ্দিকুর রহমান, সৈয়দ খায়রুল আলমসহ আরও অনেকেই। নজরুল চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি আরও জানান যে, এবছর ২৪ মে শ্রীচৈতন্য মহাবিদ্যালয়ে উক্ত মহাবিদ্যালয় ও আদর্শ কলেজ অফ এডুকেশনের সঙ্গে যৌথভাবে একটি আন্তর্জাতিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে মুখ্য বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের ‘‘মানারত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি”র ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সাবুর খান। কাজী নজরুল ইসলামের জীবন ও সৃষ্টিকর্ম নিয়ে আলোচনা করেন আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মীর রেজাউল করিম ও সাহিত্যিক বিনোদ ঘোষাল।‌ সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহিনীমোহন সরদার। সম্মেলন উদ্বোধন ও কাজী নজরুল ইসলামের আবক্ষ মূর্তির আবরণ উন্মোচন করেন বিধায়ক ও উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী। সেমিনার স্বাগত ভাষণ দেন শ্রীচৈতন্য মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ড. সুব্রত চ্যাটার্জী। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন আদর্শ কলেজ অফ এডুকেশনের ডিরেক্টর হাফেজ মোঃ আবু তাহের। উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ ড. শেখ কামাল উদ্দীন, শিক্ষক শাহজাহান মণ্ডল, অধ্যাপক ড. প্রসেনজিৎ মহাপাত্র, অধ্যাপক ড. পিয়ালি দে মৈত্র, অধ্যক্ষ ড. স্বাগতা দাস মোহান্ত, অধ্যাপক ড. সোমা ভদ্র রায়, অধ্যাপক ড. নিরুপম আচার্য প্রমুখ।

লটারির নামে কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণা!

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

নজরুল চর্চা কেন্দ্রের দু’দিনের নজরুল-জয়ন্তী

আপডেট : ২৯ মে ২০২৪, বুধবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : পরিকল্পনা করা হয়েছিল গতবছর মৌলালী যুব কেন্দ্রে নজরুল জয়ন্তী অনুষ্ঠানে যে, দু’হাজার চব্বিশে কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী ১২৫জন শিল্পীকে নিয়ে সমবেতভাবে করা হবে। তারই সফল রূপায়ণ হল গত ছাব্বিশে মে ঝড়-বৃষ্টিস্নাত বিকেলে ইউনিভার্সিটি ইনস্টিটিউট হলে। তবে দেবযানী চট্টোপাধ্যায়ের ভাষ্যরচনা ও পরিচালনায় নজরুল চর্চা কেন্দ্রের এই সমবেত “গাহি সাম্যের গান” অনুষ্ঠানে শেষ পর্যন্ত অংশগ্রহণ করেন ১৫৬জন শিল্পী। অনুষ্ঠানের শুরুতে কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন নজরুল চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি ও সম্পাদক যথাক্রমে অধ্যক্ষ ড. শেখ কামাল উদ্দীন ও শিক্ষক শাহজাহান মণ্ডল। সমবেত দর্শকমণ্ডলী ও শিল্পীদের স্বাগত জানান শাহজাহান মণ্ডল। নজরুল চর্চা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে ও আগামী দিনের কর্মসূচি ব্যক্ত করেন ড. শেখ কামাল উদ্দীন। উত্তরীয়, মানপত্র দিয়ে ‘নজরুল স্মারক সম্মাননা’ প্রদান করা হয় কথাসাহিত্যিক প্রসেনজিৎ পোদ্দারকে। তারপর শুরু হয় পশ্চিমবঙ্গসহ আসাম, ছত্রিশগড়, মোম্বাইয়ের শিল্পীদের সমবেত অনুষ্ঠান “গাহি সাম্যের গান।” অনুষ্ঠানে ১৬টি নজরুলগীতি, ৩৮টি কবিতা, ৮টি গান ও কবিতার সঙ্গে নৃত্য পরিবেশিত হয়। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ড. নিরুপম আচার্য। বিশিষ্টদের মধ্যে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ‘নতুন গতি’ ও ‘মাসান্তিক’-এর সম্পাদক ইমদাদুল হক নূর, শিশু সাহিত্যিক আব্দুল করিম, নজরুলগীতির হিন্দি অনুবাদক সদানন্দ বিশ্বাস, বাংলাদেশের দু’জন সাহিত্য-সংগঠক ও মানবাধিকার কর্মী ছিদ্দিকুর রহমান, সৈয়দ খায়রুল আলমসহ আরও অনেকেই। নজরুল চর্চা কেন্দ্রের সভাপতি আরও জানান যে, এবছর ২৪ মে শ্রীচৈতন্য মহাবিদ্যালয়ে উক্ত মহাবিদ্যালয় ও আদর্শ কলেজ অফ এডুকেশনের সঙ্গে যৌথভাবে একটি আন্তর্জাতিক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে মুখ্য বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের ‘‘মানারত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি”র ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক আব্দুস সাবুর খান। কাজী নজরুল ইসলামের জীবন ও সৃষ্টিকর্ম নিয়ে আলোচনা করেন আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মীর রেজাউল করিম ও সাহিত্যিক বিনোদ ঘোষাল।‌ সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন পশ্চিমবঙ্গ রাষ্ট্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোহিনীমোহন সরদার। সম্মেলন উদ্বোধন ও কাজী নজরুল ইসলামের আবক্ষ মূর্তির আবরণ উন্মোচন করেন বিধায়ক ও উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী। সেমিনার স্বাগত ভাষণ দেন শ্রীচৈতন্য মহাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ ড. সুব্রত চ্যাটার্জী। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন আদর্শ কলেজ অফ এডুকেশনের ডিরেক্টর হাফেজ মোঃ আবু তাহের। উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ ড. শেখ কামাল উদ্দীন, শিক্ষক শাহজাহান মণ্ডল, অধ্যাপক ড. প্রসেনজিৎ মহাপাত্র, অধ্যাপক ড. পিয়ালি দে মৈত্র, অধ্যক্ষ ড. স্বাগতা দাস মোহান্ত, অধ্যাপক ড. সোমা ভদ্র রায়, অধ্যাপক ড. নিরুপম আচার্য প্রমুখ।