১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩
১৫ অক্টোবর ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩

মেমারি বিধানসভার আমাদপুর মাঠে জনসমুদ্র প্রধান বক্তা অনুব্রত মন্ডল প্রার্থী মধূসুদন ভট্টাচার্য প্রচারে

সেখ সামসুদ্দিন : মেমারি বিধানসভার আমাদপুর গার্লস স্কুল মাঠে জনসভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বীরভূমের শেষ কথা অনুব্রত মন্ডল। মাস্টারমশাই মধুসূদন ভট্টাচার্যের সর্মথনে এই সভামঞ্চে হুঙ্কার ছাড়লেন শহর সভাপতি অচিন্ত‍্য চ‍্যাটার্জী বিজেপির লেঠেল বাহিনী ও ভাড়টিয়া গুন্ডা নিয়ে সন্ত্রাসরাজ সৃষ্টির বিরুদ্ধে। তারপরেই মঞ্চে আসেন অনুব্রত মন্ডল। তিনি প্রথমেই প্রধানমন্ত্রীকে মিথ‍্যাবাদী বলে শুরু করেন। সমালোচনা করেন দাড়ি রেখে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাজার প্রচেষ্টা, কবিগুরু ট্রেনের নাম পরিবর্তন করা, স্বাধীনতা আন্দোলনে বাংলার ভূমিকা, বাংলার সংস্কৃতি কিছুই জানেন না, তিনি করবেন সোনার বাংলা বলে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন দাড়ি যত বাড়ছে, তত পেট্রল ডিজেলের দাম বাড়ছে। বাড়ির মেয়েদের কাঠের ধোঁয়ায় রান্না করছে করছে বলে বুক কেঁপেছিল, আজ গ‍্যাসের দাম বাড়িয়ে রান্নাঘরে আগুন লাগাতে বুক কাঁপল না? নরেন্দ্র মোদীর বাবা যখন বিয়ে করেছিল তখন কি ওর মায়ের বাপের কাছে ভারতীয় কিনা দলিল চেয়েছিল? যার নিজের ভারতীয় পরিচয়ের প্রমণ নেই সে করবে দেশে এনআরসি! কালো টাকা, বেসরকারিকরণ ইত্যাদি নানান বিষয় তুলে ধরে কড়া সমালোচনা করেন। মাঠ ভর্তি মানুষ এদিন অনুব্রত মন্ডলের বক্তব্য উপভোগ করেন ও হাততালি দিয়ে উৎসাহিত করেন। শেষে ঘরের ছেলে মাস্টারমশাই মধুসূদন ভট্টাচার্য্যকে জোড়া ফুল চিহ্নে ভোট দিয়ে মমতা ব‍্যানার্জীর হাত শক্ত করার আহ্বান জানান।

বাঘের আতঙ্ক রুখতে কুলতলিতে ১৯০ সৌর পথবাতি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মেমারি বিধানসভার আমাদপুর মাঠে জনসমুদ্র প্রধান বক্তা অনুব্রত মন্ডল প্রার্থী মধূসুদন ভট্টাচার্য প্রচারে

আপডেট : ৬ এপ্রিল ২০২১, মঙ্গলবার

সেখ সামসুদ্দিন : মেমারি বিধানসভার আমাদপুর গার্লস স্কুল মাঠে জনসভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বীরভূমের শেষ কথা অনুব্রত মন্ডল। মাস্টারমশাই মধুসূদন ভট্টাচার্যের সর্মথনে এই সভামঞ্চে হুঙ্কার ছাড়লেন শহর সভাপতি অচিন্ত‍্য চ‍্যাটার্জী বিজেপির লেঠেল বাহিনী ও ভাড়টিয়া গুন্ডা নিয়ে সন্ত্রাসরাজ সৃষ্টির বিরুদ্ধে। তারপরেই মঞ্চে আসেন অনুব্রত মন্ডল। তিনি প্রথমেই প্রধানমন্ত্রীকে মিথ‍্যাবাদী বলে শুরু করেন। সমালোচনা করেন দাড়ি রেখে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাজার প্রচেষ্টা, কবিগুরু ট্রেনের নাম পরিবর্তন করা, স্বাধীনতা আন্দোলনে বাংলার ভূমিকা, বাংলার সংস্কৃতি কিছুই জানেন না, তিনি করবেন সোনার বাংলা বলে তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন দাড়ি যত বাড়ছে, তত পেট্রল ডিজেলের দাম বাড়ছে। বাড়ির মেয়েদের কাঠের ধোঁয়ায় রান্না করছে করছে বলে বুক কেঁপেছিল, আজ গ‍্যাসের দাম বাড়িয়ে রান্নাঘরে আগুন লাগাতে বুক কাঁপল না? নরেন্দ্র মোদীর বাবা যখন বিয়ে করেছিল তখন কি ওর মায়ের বাপের কাছে ভারতীয় কিনা দলিল চেয়েছিল? যার নিজের ভারতীয় পরিচয়ের প্রমণ নেই সে করবে দেশে এনআরসি! কালো টাকা, বেসরকারিকরণ ইত্যাদি নানান বিষয় তুলে ধরে কড়া সমালোচনা করেন। মাঠ ভর্তি মানুষ এদিন অনুব্রত মন্ডলের বক্তব্য উপভোগ করেন ও হাততালি দিয়ে উৎসাহিত করেন। শেষে ঘরের ছেলে মাস্টারমশাই মধুসূদন ভট্টাচার্য্যকে জোড়া ফুল চিহ্নে ভোট দিয়ে মমতা ব‍্যানার্জীর হাত শক্ত করার আহ্বান জানান।