২০ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩
২০ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩

২৫ বছর ধরে মহিলাদের হাতেই মনসা পুজো, জমজমাট মেলা মাঝাবাড়িতে

জয়দেব গোপ, উত্তর দিনাজপুর: সর্পভয় নিবারণ ও পরিবারের মঙ্গল কামনায় টানা ২৫ বছর ধরে শুধুমাত্র মহিলাদের উদ্যোগে সার্বজনীন মনসা পুজো ও মেলার আয়োজন হয়ে আসছে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া ব্লকের মাঝিয়ালী অঞ্চলের মাঝাবাড়ি ও কালীগছ গ্রামের মহিলাদের উদ্যোগে।
পূজা কমিটির সম্পাদিকা শংকরী মণ্ডল জানান, প্রতি বছর শ্রাবণ মাসের শেষ দিনে মাঝাবাড়ি তিস্তা ক্যানেলপাড়ের স্থায়ী মন্দিরে নিষ্ঠার সঙ্গে মনসা পুজোর আয়োজন করা হয়। ব্রাহ্মণ ও ঢাকিদের সহযোগিতায় পুজো হয়। পুজো উপলক্ষে একদিনের মেলায় বসে ফাস্ট ফুড, খেলনা-সহ নানা পসরা। হাজার হাজার ভক্তের সমাগম হয়। প্রত্যেক দর্শনার্থীকে প্রসাদ খাওয়ানোর ব্যবস্থাও থাকে।
আয়োজকদের দাবি, একসময় এলাকায় সাপের উপদ্রব ছিল যথেষ্ট। সর্পদংশনে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছিল। এরপর দুই গ্রামের মহিলারা কমিটি গড়ে পুজোর সূচনা করেন। শংকরী মণ্ডল, সুমীলা সিংহ, থিনজলি সিংহ, তিনতালি সিংহ ও বিষয়া সিংহের উদ্যোগে তৈরি হয় স্থায়ী পাকা মনসা মন্দির।
বিকেল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত চলে এই মেলা। এই সময়ে আশপাশে অন্য মেলা না থাকায় প্রতি বছরই কালীগছ-মাঝাবাড়ির মহিলা পরিচালিত মনসা মেলা ঘিরে ভিড় জমে।

৩৫ বছর পর বিধায়কের পা পড়ল কাঁকসার জামদহে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

২৫ বছর ধরে মহিলাদের হাতেই মনসা পুজো, জমজমাট মেলা মাঝাবাড়িতে

আপডেট : ১৯ অগাস্ট ২০২৬, বুধবার
জয়দেব গোপ, উত্তর দিনাজপুর: সর্পভয় নিবারণ ও পরিবারের মঙ্গল কামনায় টানা ২৫ বছর ধরে শুধুমাত্র মহিলাদের উদ্যোগে সার্বজনীন মনসা পুজো ও মেলার আয়োজন হয়ে আসছে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া ব্লকের মাঝিয়ালী অঞ্চলের মাঝাবাড়ি ও কালীগছ গ্রামের মহিলাদের উদ্যোগে।
পূজা কমিটির সম্পাদিকা শংকরী মণ্ডল জানান, প্রতি বছর শ্রাবণ মাসের শেষ দিনে মাঝাবাড়ি তিস্তা ক্যানেলপাড়ের স্থায়ী মন্দিরে নিষ্ঠার সঙ্গে মনসা পুজোর আয়োজন করা হয়। ব্রাহ্মণ ও ঢাকিদের সহযোগিতায় পুজো হয়। পুজো উপলক্ষে একদিনের মেলায় বসে ফাস্ট ফুড, খেলনা-সহ নানা পসরা। হাজার হাজার ভক্তের সমাগম হয়। প্রত্যেক দর্শনার্থীকে প্রসাদ খাওয়ানোর ব্যবস্থাও থাকে।
আয়োজকদের দাবি, একসময় এলাকায় সাপের উপদ্রব ছিল যথেষ্ট। সর্পদংশনে মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছিল। এরপর দুই গ্রামের মহিলারা কমিটি গড়ে পুজোর সূচনা করেন। শংকরী মণ্ডল, সুমীলা সিংহ, থিনজলি সিংহ, তিনতালি সিংহ ও বিষয়া সিংহের উদ্যোগে তৈরি হয় স্থায়ী পাকা মনসা মন্দির।
বিকেল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত চলে এই মেলা। এই সময়ে আশপাশে অন্য মেলা না থাকায় প্রতি বছরই কালীগছ-মাঝাবাড়ির মহিলা পরিচালিত মনসা মেলা ঘিরে ভিড় জমে।