০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩

ম্যাজিক বুক অফ রেকর্ডয়ে স্থান পেল তরুণ গবেষক

রহমতুল্লাহ, মুর্শিদাবাদ : মুর্শিদাবাদের তরুণ গবেষকের নাম ম্যাজিক বুক অফ রেকর্ডে উঠল। ম্যাজিক বুক অফ রেকর্ড এর পক্ষ থেকে তরুণ গবেষক হিসেবে “অনারারি ডক্টরেট অ্যাওয়ার্ড ২০২২” পুরষ্কার দ্বারা সম্মানিত হলো ওই যুবক। ওই যুবকের নাম, সেলিম সেখ বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার অন্তর্গত রেজিনগরের আন্দুলবেড়িয়া গ্রামে। পড়াশোনার পাশাপাশি ছোট থেকেই গবেষণাধর্মী মনোভাব ও বিষয়ের প্রতি আত্মনুরাগী তাকে এই জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় নিয়মিত লেখালেখির পাশাপাশি বর্তমানে এমএসসি পাঠরত একজন ছাত্র। তার লেখালেখি ও গবেষণাধর্মী মনোভাবের কারণেই বহু সম্মাননা-মেডেল ও সার্টিফিকেট আজ তার ঝুলিতে। বিজ্ঞানমনস্ক হওয়ায় জলের অস্বাভাবিক লবনতা ও জলের বহুমুখী সমস্যার কথা তার মাথায় আসে এবং বর্তমান সময়ে জলের গুরুত্ব কে অনুধাবন করে তার গবেষণার বিষয় হিসেবে সুনিপুণভাবে তুলে ধরেন। এই পুরস্কার পাওয়ার পর তার আত্মবিশ্বাস ও গবেষণাধর্মী মনোভাব সমাজকে নতুন পথ দেখাবে বলে মনে করছে বুদ্ধিজীবি মহল। অবশেষে ম্যাজিক বুক অফ রেকর্ডস দপ্তর থেকে তরুণ গবেষক হিসেবে তার নাম নির্বাচিত হয় এবং তার গবেষণার বিষয়টি বিচারকমণ্ডলীর দ্বারা মনোনীত হয়। তারপর ম্যাজিক বুক অব রেকর্ডস এর পক্ষ থেকে আজই তার বাড়িতে এসে পৌঁছায়, ম্যাজিক বুক অব রেকর্ড এর ডক্টরেট সার্টিফিকেট, একটি ডক্টরেট ট্রফি, একটি মেডেল ও একটি অশোক স্তম্ভ। এই খবর প্রকাশিত হওয়ার পর আনন্দ উল্লাসের হাওয়া বইছে গ্রাম ও পরিবার জুড়ে।

গরু চুরির আগেই পুলিশের জালে দুই অভিযুক্ত, মৈপিঠে উদ্ধার দড়ি-ছুরি-বস্তা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ম্যাজিক বুক অফ রেকর্ডয়ে স্থান পেল তরুণ গবেষক

আপডেট : ২ জুলাই ২০২২, শনিবার

রহমতুল্লাহ, মুর্শিদাবাদ : মুর্শিদাবাদের তরুণ গবেষকের নাম ম্যাজিক বুক অফ রেকর্ডে উঠল। ম্যাজিক বুক অফ রেকর্ড এর পক্ষ থেকে তরুণ গবেষক হিসেবে “অনারারি ডক্টরেট অ্যাওয়ার্ড ২০২২” পুরষ্কার দ্বারা সম্মানিত হলো ওই যুবক। ওই যুবকের নাম, সেলিম সেখ বাড়ি মুর্শিদাবাদ জেলার অন্তর্গত রেজিনগরের আন্দুলবেড়িয়া গ্রামে। পড়াশোনার পাশাপাশি ছোট থেকেই গবেষণাধর্মী মনোভাব ও বিষয়ের প্রতি আত্মনুরাগী তাকে এই জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় নিয়মিত লেখালেখির পাশাপাশি বর্তমানে এমএসসি পাঠরত একজন ছাত্র। তার লেখালেখি ও গবেষণাধর্মী মনোভাবের কারণেই বহু সম্মাননা-মেডেল ও সার্টিফিকেট আজ তার ঝুলিতে। বিজ্ঞানমনস্ক হওয়ায় জলের অস্বাভাবিক লবনতা ও জলের বহুমুখী সমস্যার কথা তার মাথায় আসে এবং বর্তমান সময়ে জলের গুরুত্ব কে অনুধাবন করে তার গবেষণার বিষয় হিসেবে সুনিপুণভাবে তুলে ধরেন। এই পুরস্কার পাওয়ার পর তার আত্মবিশ্বাস ও গবেষণাধর্মী মনোভাব সমাজকে নতুন পথ দেখাবে বলে মনে করছে বুদ্ধিজীবি মহল। অবশেষে ম্যাজিক বুক অফ রেকর্ডস দপ্তর থেকে তরুণ গবেষক হিসেবে তার নাম নির্বাচিত হয় এবং তার গবেষণার বিষয়টি বিচারকমণ্ডলীর দ্বারা মনোনীত হয়। তারপর ম্যাজিক বুক অব রেকর্ডস এর পক্ষ থেকে আজই তার বাড়িতে এসে পৌঁছায়, ম্যাজিক বুক অব রেকর্ড এর ডক্টরেট সার্টিফিকেট, একটি ডক্টরেট ট্রফি, একটি মেডেল ও একটি অশোক স্তম্ভ। এই খবর প্রকাশিত হওয়ার পর আনন্দ উল্লাসের হাওয়া বইছে গ্রাম ও পরিবার জুড়ে।