০৮ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার, ২৪ চৈত্র ১৪৩২
০৮ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার, ২৪ চৈত্র ১৪৩২

কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সংখ্যা ঘনিষ্ঠতা পেল তৃণমূল কংগ্রেস,৪ বিরোধী সদস্য, সদস্যা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান!

নুরউদ্দিন : মথুরাপুরের নবনির্বাচিত সাংসদ বাপি হালদারের হাত ধরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করে ৪ বিরোধী, তারা কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য, সদস্যা।বিজেপি থেকে পূজা ছাটুই,সিপি আই এম থেকে জোবেদা বিবি সেখ, নির্দল থেকে পারমিতা প্রামানিক এবং নারায়ণ চন্দ্র হালদার। জানা যায় গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে কৃষ্ণচন্দ্রপুর থেকে তারা তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত দখলে আনে, তৃণমূল পায় ৬টি আসন এবং বিরোধীরা পায় ৯টি আসন। ৯টি আসন নিয়ে কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করে বিরোধীরা,দখলে আনার পর থেকেই বিরোধীরা তৃণমূল কংগ্রেসকে কুৎসা অপপ্রচার করে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করে, কিন্তু অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্নেহধন্য অর্থাৎ মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছিলেন মথুরাপুরের ভূমিপুত্র বাপি হালদার। তিনি ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে ২ লক্ষোর অধিক ভোটে জয়ী হোন, সাতটি বিধানসভার সাংসদ হন বাপি হালদার, তারপরে বাপি হালদার সাংসদ হওয়ার পরে বিরোধীদের মুখে চুনকালি পরে,বিশেষ করে চুনকালি পরে বিজেপির মুখে।অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের গতিবিধি দেখে কৃষ্ণচন্দ্রপুরের গ্রাম পঞ্চায়েতের ৪ বিরোধী সদস্য,সদস্যা শুক্রবার সাংসদ বাপি হালদারের হাত ধরে কৃষ্ণচন্দ্রপুর বাজারের সম্বর্ধনা সভা থেকে তারা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করে। চার সদস্য,সদস্যা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পরে ১৫ টি আসনের মধ্যে ১০টি আসন নিয়ে শক্তিশালী হয়ে যায় তৃণমূল কংগ্রেস, তারফলে কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত সংখ্যা ঘনিষ্ঠতা পেলো এবং শক্তিশালী বৃদ্ধি করল তৃণমূল কংগ্রেস।

সর্বাধিক পাঠিত

১ ঘন্টার মধ্যেই চুরি যাওয়া বাইক সহ চোরকে গ্রেপ্তার রাজনগরে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সংখ্যা ঘনিষ্ঠতা পেল তৃণমূল কংগ্রেস,৪ বিরোধী সদস্য, সদস্যা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান!

আপডেট : ৭ জুন ২০২৪, শুক্রবার

নুরউদ্দিন : মথুরাপুরের নবনির্বাচিত সাংসদ বাপি হালদারের হাত ধরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করে ৪ বিরোধী, তারা কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য, সদস্যা।বিজেপি থেকে পূজা ছাটুই,সিপি আই এম থেকে জোবেদা বিবি সেখ, নির্দল থেকে পারমিতা প্রামানিক এবং নারায়ণ চন্দ্র হালদার। জানা যায় গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে কৃষ্ণচন্দ্রপুর থেকে তারা তৃণমূলের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত দখলে আনে, তৃণমূল পায় ৬টি আসন এবং বিরোধীরা পায় ৯টি আসন। ৯টি আসন নিয়ে কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত দখল করে বিরোধীরা,দখলে আনার পর থেকেই বিরোধীরা তৃণমূল কংগ্রেসকে কুৎসা অপপ্রচার করে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা করে, কিন্তু অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্নেহধন্য অর্থাৎ মথুরাপুর লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছিলেন মথুরাপুরের ভূমিপুত্র বাপি হালদার। তিনি ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে ২ লক্ষোর অধিক ভোটে জয়ী হোন, সাতটি বিধানসভার সাংসদ হন বাপি হালদার, তারপরে বাপি হালদার সাংসদ হওয়ার পরে বিরোধীদের মুখে চুনকালি পরে,বিশেষ করে চুনকালি পরে বিজেপির মুখে।অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নের গতিবিধি দেখে কৃষ্ণচন্দ্রপুরের গ্রাম পঞ্চায়েতের ৪ বিরোধী সদস্য,সদস্যা শুক্রবার সাংসদ বাপি হালদারের হাত ধরে কৃষ্ণচন্দ্রপুর বাজারের সম্বর্ধনা সভা থেকে তারা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান করে। চার সদস্য,সদস্যা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পরে ১৫ টি আসনের মধ্যে ১০টি আসন নিয়ে শক্তিশালী হয়ে যায় তৃণমূল কংগ্রেস, তারফলে কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত সংখ্যা ঘনিষ্ঠতা পেলো এবং শক্তিশালী বৃদ্ধি করল তৃণমূল কংগ্রেস।