৩০ মে ২০২৬, শনিবার, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
৩০ মে ২০২৬, শনিবার, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

কলকাতায় চিত্রশিল্পের নতুন আঙ্গিক বডি পেইন্ট জনপ্রিয় হচ্ছে নবীন চিত্রশিল্পী শৈলেশ চ্যাটার্জীর হাতধরে

 

শুভজিৎ দত্তগুপ্ত,নতুন গতি ,কলকাতা : খুববেশী সরকারী -বেসরকারী সহযোগীতা না থাকলেও চিত্রশিল্প বাংলার সংস্কৃতির মানচিত্রে নিজের জায়গা করে নিয়েছে আদিকাল থেকেই। বাংলার পটশিল্প থেকে শুরু করে প্যাস্টেল ,ওয়েল পেইন্ট এর গণ্ডি ছাড়িয়ে বডি পেইন্ট এর আঙ্গিকে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে চিত্রশিল্প। নবীন চিত্রশিল্পীদের মধ্যে শৈলেশ চ্যাটার্জীর হাতধরে বডি পেইন্ট এর কাজ ছড়িয়ে পড়ছে দিকে দিকে। করোনাকালীন সময়ে অন্যান্য শিল্প মাধ্যমের মতোই সংকটে চিত্রশিল্প ও,এই সংকটকালীন সময়ে বিশ্বজুড়েই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ছবির বাজার,.এই কঠিন পরিস্থিতেও শৈলেশ চ্যাটার্জীরমতো তরুণশিল্পীরা কাজকরে চলছেন ইন্টারনেট কে হাতিয়ার করেই ,কিন্তু তাতে স্তব্ধ হয়েগেছে বডি পেইন্ট এর কাজ। যদিও শিল্পী মনে করেন সরকারের মুখাপেক্ষী না হয়ে শিল্পীদের নিজের লড়াই লড়বার জন্য নতুন নতুন পন্থা অবলম্বন করতে হবে ,তবুও সরকার যদি চিত্রশিল্পের ক্ষেত্রে আয়কর ছাড় দিত তাহলে এই শিল্প ও শিল্পীদের সুবিধা হতো বলে তিনি মনে করেন।করনা কালীন সমস্ত শিল্পীরা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কুমোরটুলির মৃৎশিল্পীরা ,যাদের দৈনন্দিন জীবনধারণ করাই দুঃসহ হয়েউঠছে। এই শিল্পীদের বছরভরের রোজগার ই হয় এই পুজোর সময় ঠাকুর তৈরী করে ,এই পরিস্থিতিতে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর আবেদন জানিয়ে শিল্পী রাজ্য সরকারের কাছে।

পরিকে উদ্ধার করে মায়ের হাতে ফিরিয়ে দিল রাজনগর থানার পুলিশ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কলকাতায় চিত্রশিল্পের নতুন আঙ্গিক বডি পেইন্ট জনপ্রিয় হচ্ছে নবীন চিত্রশিল্পী শৈলেশ চ্যাটার্জীর হাতধরে

আপডেট : ২৩ অগাস্ট ২০২০, রবিবার

 

শুভজিৎ দত্তগুপ্ত,নতুন গতি ,কলকাতা : খুববেশী সরকারী -বেসরকারী সহযোগীতা না থাকলেও চিত্রশিল্প বাংলার সংস্কৃতির মানচিত্রে নিজের জায়গা করে নিয়েছে আদিকাল থেকেই। বাংলার পটশিল্প থেকে শুরু করে প্যাস্টেল ,ওয়েল পেইন্ট এর গণ্ডি ছাড়িয়ে বডি পেইন্ট এর আঙ্গিকে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে চিত্রশিল্প। নবীন চিত্রশিল্পীদের মধ্যে শৈলেশ চ্যাটার্জীর হাতধরে বডি পেইন্ট এর কাজ ছড়িয়ে পড়ছে দিকে দিকে। করোনাকালীন সময়ে অন্যান্য শিল্প মাধ্যমের মতোই সংকটে চিত্রশিল্প ও,এই সংকটকালীন সময়ে বিশ্বজুড়েই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ছবির বাজার,.এই কঠিন পরিস্থিতেও শৈলেশ চ্যাটার্জীরমতো তরুণশিল্পীরা কাজকরে চলছেন ইন্টারনেট কে হাতিয়ার করেই ,কিন্তু তাতে স্তব্ধ হয়েগেছে বডি পেইন্ট এর কাজ। যদিও শিল্পী মনে করেন সরকারের মুখাপেক্ষী না হয়ে শিল্পীদের নিজের লড়াই লড়বার জন্য নতুন নতুন পন্থা অবলম্বন করতে হবে ,তবুও সরকার যদি চিত্রশিল্পের ক্ষেত্রে আয়কর ছাড় দিত তাহলে এই শিল্প ও শিল্পীদের সুবিধা হতো বলে তিনি মনে করেন।করনা কালীন সমস্ত শিল্পীরা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কুমোরটুলির মৃৎশিল্পীরা ,যাদের দৈনন্দিন জীবনধারণ করাই দুঃসহ হয়েউঠছে। এই শিল্পীদের বছরভরের রোজগার ই হয় এই পুজোর সময় ঠাকুর তৈরী করে ,এই পরিস্থিতিতে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর আবেদন জানিয়ে শিল্পী রাজ্য সরকারের কাছে।