১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

5 ঘণ্টায় 400 কিমি পাড়ি দিয়ে 15 দিনের শিশুর জীবন বাঁচালো হাসান

 

মহম্মদ রিপন,মুরারই

সম্প্রতি ব্যাঙ্গালোরের এক অ্যাম্বুলেন্স চালক হাসান সোশ্যাল মিডিয়ায় রাতারাতি হিরো হয়ে উঠেছে।ভারতের বিভিন্ন সংস্থার তরফ থেকে আসছে শুভেচ্ছা বার্তা। ঘটনাটি ছিল ১৫ দিন বয়সের এক বাচ্চা ম্যাঙ্গালোরের এক হাসপাতালে হার্টের মেজর প্রব্লেমে ভুগছিল। ডাক্তার রেফার করে কোচিনের হাসপাতালে। বাঁচবার আশা খুব কম ছিল। ম্যাঙ্গালোর থেকে কোচিনের দূরত্ব প্রায় ৪০০ কিমি. সময় লাগে প্রায় 11 ঘন্টা। কিন্তু 11 ঘণ্টা বাচ্চাটির পক্ষে বেঁচে থাকা সম্ভব ছিল না।পরিবারের মানুষজন যখন নিরুপায় হয়ে হাসপাতাল চত্বরে কান্নাকাটি করছে, ঠিক তখনই বীরের মতো এগিয়ে এলো বছর 27 এর এক অ্যাম্বুলেন্স চালক। পরিবারের লোককে তিনি শাশ্বত করলেন এবং অ্যম্বুলেন্সে রউনা দিল। অ্যাম্বুলেন্স রওনা দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই হাসপাতালে ভিডিও ভাইরাল হয়ে যেতেই চারিদিকে খবর ছড়িয়ে পড়ে।

ব্যাঙ্গালোরের মানুষ সতর্ক হয়ে তাড়াতাড়ি অ্যাম্বুলেন্সটি জন্য রাস্তা ছেড়ে দেয়। অ্যম্বুলেন্স চালক হাসান একটা প্রাণ বাঁচাতে ইতিহাস গড়লেন। ১১ ঘন্টায় দূরত্ব ৫ ঘন্টার মধ্যে সম্পূর্ণ করে। জীবন বাজি রেখে 15 দিনের একটি শিশুর জন্য যে নজির হাসান ভারতের বুকে তৈরি করল তা এক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

বাঘের আতঙ্ক রুখতে কুলতলিতে ১৯০ সৌর পথবাতি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

5 ঘণ্টায় 400 কিমি পাড়ি দিয়ে 15 দিনের শিশুর জীবন বাঁচালো হাসান

আপডেট : ৬ মে ২০১৯, সোমবার

 

মহম্মদ রিপন,মুরারই

সম্প্রতি ব্যাঙ্গালোরের এক অ্যাম্বুলেন্স চালক হাসান সোশ্যাল মিডিয়ায় রাতারাতি হিরো হয়ে উঠেছে।ভারতের বিভিন্ন সংস্থার তরফ থেকে আসছে শুভেচ্ছা বার্তা। ঘটনাটি ছিল ১৫ দিন বয়সের এক বাচ্চা ম্যাঙ্গালোরের এক হাসপাতালে হার্টের মেজর প্রব্লেমে ভুগছিল। ডাক্তার রেফার করে কোচিনের হাসপাতালে। বাঁচবার আশা খুব কম ছিল। ম্যাঙ্গালোর থেকে কোচিনের দূরত্ব প্রায় ৪০০ কিমি. সময় লাগে প্রায় 11 ঘন্টা। কিন্তু 11 ঘণ্টা বাচ্চাটির পক্ষে বেঁচে থাকা সম্ভব ছিল না।পরিবারের মানুষজন যখন নিরুপায় হয়ে হাসপাতাল চত্বরে কান্নাকাটি করছে, ঠিক তখনই বীরের মতো এগিয়ে এলো বছর 27 এর এক অ্যাম্বুলেন্স চালক। পরিবারের লোককে তিনি শাশ্বত করলেন এবং অ্যম্বুলেন্সে রউনা দিল। অ্যাম্বুলেন্স রওনা দেওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই হাসপাতালে ভিডিও ভাইরাল হয়ে যেতেই চারিদিকে খবর ছড়িয়ে পড়ে।

ব্যাঙ্গালোরের মানুষ সতর্ক হয়ে তাড়াতাড়ি অ্যাম্বুলেন্সটি জন্য রাস্তা ছেড়ে দেয়। অ্যম্বুলেন্স চালক হাসান একটা প্রাণ বাঁচাতে ইতিহাস গড়লেন। ১১ ঘন্টায় দূরত্ব ৫ ঘন্টার মধ্যে সম্পূর্ণ করে। জীবন বাজি রেখে 15 দিনের একটি শিশুর জন্য যে নজির হাসান ভারতের বুকে তৈরি করল তা এক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।