১৯ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩
১৯ এপ্রিল ২০২৬, রবিবার, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩

ফের আইএসএফ কর্মীর  বাড়ি থেকে উদ্ধার হল বন্দুক ও বিপুল পরিমাণ বোমা তৈরির সরঞ্জাম

নিজস্ব সংবাদদাতা : পঞ্চায়েত ভোটের আগে-পরে বা অন্যান্য সময়ও ভাঙড়ের অশান্তি হয়ে উঠেছে নিত্যদিনের ঘটনা। ফের আইএসএফ কর্মীর  বাড়ি থেকে উদ্ধার হল বন্দুক ও বিপুল পরিমাণ বোমা তৈরির সরঞ্জাম। রবিবার দুপুরের অভিযান চালিয়ে কাশিপুর থানা এলাকার পানাপুকুর গ্রাম থেকে এই সমস্ত বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন তারা গোপন সূত্র থেকে খবর পেয়ে আইএসএফ কর্মী (Bhangor ISF) শেখ করিমের বাড়িতে অভিযান চালায়। বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে দুটি বন্দুক সহ বোমা তৈরির বিপুল সরঞ্জাম পায় তারা। একটি বস্তায় রাখা ছিল সেগুলি। এছাড়া প্রচুর ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করে। অভিযুক্ত বাড়িতে থাকায় সেখান থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।এই ঘটনার পরেই আইএসএফের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন ভাঙরের দলীয় পর্যবেক্ষক তথা তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা। তিনি বলে আইএসএফ আশ্রিত সমাজ বিরোধীরা প্রচুর অস্ত্র এলাকায় লুকিয়ে রেখেছে। ওদের কাছে রাইফেল গ্রেনেড বন্দুক ছাড়াও অত্যাধুনিক অস্ত্র রয়েছে। এই সবই হচ্ছে আইএসএফ প্রধান নওসাদ সিদ্দিকির মদতে। তাই ভাঙড়ের শান্তি ফেরাতে নওসাদ সিদ্দিকিকে আগে গ্রেফতার করা উচিত।

এই ঘটনার পরে আইএসএফের পঞ্চায়েত সমিতির এক সদস্যের দাবি, প্রশাসন নিরপেক্ষ ভাবে তদন্ত করলে তৃণমূলের অনেক কর্মীর বাড়ি থেকেও আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া যাবে।

 

 

একাই ২ ফ্রন্টে লড়াই, মাঠ কাঁপাচ্ছেন সামিম আহমেদ!

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ফের আইএসএফ কর্মীর  বাড়ি থেকে উদ্ধার হল বন্দুক ও বিপুল পরিমাণ বোমা তৈরির সরঞ্জাম

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩, সোমবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : পঞ্চায়েত ভোটের আগে-পরে বা অন্যান্য সময়ও ভাঙড়ের অশান্তি হয়ে উঠেছে নিত্যদিনের ঘটনা। ফের আইএসএফ কর্মীর  বাড়ি থেকে উদ্ধার হল বন্দুক ও বিপুল পরিমাণ বোমা তৈরির সরঞ্জাম। রবিবার দুপুরের অভিযান চালিয়ে কাশিপুর থানা এলাকার পানাপুকুর গ্রাম থেকে এই সমস্ত বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন তারা গোপন সূত্র থেকে খবর পেয়ে আইএসএফ কর্মী (Bhangor ISF) শেখ করিমের বাড়িতে অভিযান চালায়। বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে দুটি বন্দুক সহ বোমা তৈরির বিপুল সরঞ্জাম পায় তারা। একটি বস্তায় রাখা ছিল সেগুলি। এছাড়া প্রচুর ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করে। অভিযুক্ত বাড়িতে থাকায় সেখান থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।এই ঘটনার পরেই আইএসএফের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন ভাঙরের দলীয় পর্যবেক্ষক তথা তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা। তিনি বলে আইএসএফ আশ্রিত সমাজ বিরোধীরা প্রচুর অস্ত্র এলাকায় লুকিয়ে রেখেছে। ওদের কাছে রাইফেল গ্রেনেড বন্দুক ছাড়াও অত্যাধুনিক অস্ত্র রয়েছে। এই সবই হচ্ছে আইএসএফ প্রধান নওসাদ সিদ্দিকির মদতে। তাই ভাঙড়ের শান্তি ফেরাতে নওসাদ সিদ্দিকিকে আগে গ্রেফতার করা উচিত।

এই ঘটনার পরে আইএসএফের পঞ্চায়েত সমিতির এক সদস্যের দাবি, প্রশাসন নিরপেক্ষ ভাবে তদন্ত করলে তৃণমূলের অনেক কর্মীর বাড়ি থেকেও আগ্নেয়াস্ত্র পাওয়া যাবে।