২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
২৮ জুন ২০২৬, রবিবার, ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩

কলকাতা বিমানবন্দর থেকে আসতে, যাত্রীদের সুবিধার্থে এবার নয়া উদ্যোগ পরিবহন দফতরের

নিজস্ব সংবাদদাতা : কলকাতা বিমানবন্দর থেকে হাওড়া স্টেশন অথবা হাওড়া স্টেশন থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে আসতে, যাত্রীদের সুবিধার্থে এবার নয়া উদ্যোগ পরিবহন দফতরের। কলকাতা বিমানবন্দর থেকে ধর্মতলা, বিবাদীবাগ, বাবুঘাট প্রভৃতি রুটের এসি বাস পরিষেবা চালু হয়েছে আগেই। ভাল যাত্রীও হয় সেই বাস গুলিতে। কিন্তু সেই সব বাস সব জায়গাতেই স্টপেজ দেয়। ফলে গন্তব্যে পৌঁছাতে অনেকটাই দেরি হয়। তাই এবার কলকাতা বিমানবন্দরে রাজ্য পরিবহণ নিগমের টার্মিনাস থেকে চালু হয়ে গেল ওয়ানস্টপ এসি বাস পরিষেবা। নির্দিষ্ট এই বাস যাবে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে হাওড়া স্টেশন অবধি। বিমানবন্দর টার্মিনাস থেকে ছেড়ে এই বাস কৈখালি, উল্টোডাঙা, কাঁকুরগাছি, গিরিশ পার্ক, চিত্তরঞ্জন অ্যাভেনিউ, ধর্মতলা ও বিবাদীবাগ হয়ে হাওড়া স্টেশন পৌঁছবে। কিন্তু ধর্মতলা বাদে এই বাস কোথাও যাত্রী তোলার জন্য বা নামাবার জন্য থামবে না বলেই পরিবহন সংস্থা তরফ থেকে জানানো হয়।অর্থাৎ যারা হাওড়া স্টেশন থেকে বা ধর্মতলা থেকে বিমানবন্দর যেতে চাইবেন বা সেখান থেকে এই দুই জায়গায় আসতে চাইবেন কেবলমাত্র তাঁরাই এই বাস পরিষেবা ব্যবহার করতে পারবেন। মঙ্গলবার পরিবহণ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম কলকাতা বিমানবন্দরে এই পরিষেবার উদ্বোধন করেন। আপাতত মাত্র দুটি এসি বাস এই পরিষেবার জন্য নামানো হচ্ছে। যাত্রী সংখ্যা এবং চাহিদা বাড়লে ভবিষ্যতে বাস পরিষেবাও বাড়ানো হবে বলে এদিন মন্ত্রী জানান।কলকাতা বিমানবন্দর থেকেই এই বাস পরিষেবা মিলবে। দুটি এসি বাসই ই-বাস অর্থাৎ ইলেকট্রিক চার্জের মাধ্যমে চলবে। ভোর থেকে রাত পর্যন্ত মিলবে এই পরিষেবা। তবে এই বাস ধর্মতলা বাসস্ট্যান্ডে মাত্র তিন মিনিটের জন্য দাঁড়াবে। বিমানবন্দর থেকে ধর্মতলাই হোক বা হাওড়া স্টেশন যেখানেই যান না কেন ভাড়া পড়বে ১০০ টাকা। এদিন এই পরিষেবার উদ্বোধন করে ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ, তাঁরা যেন টার্মিনালের ভিতরে বাইরে তাঁদের পাবলিক অ্যাড্রেস ডিসপ্লে বোর্ডে এই বাস সম্পর্কে যাত্রীদের অবহিত করেন।এই বাসে করে এক ঘন্টায় এয়ারপোর্ট থেকে হাওড়া স্টেশনে পৌঁছনো সম্ভব৷ অফিসযাত্রী থেকে পর্যটক সকলের কথা মাথায় রেখে এই পরিষেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’ এই পরিষেবা চালু হওয়ায় দুই প্রান্তের গুরুত্বপূর্ণ দুটি যোগাযোগে কেন্দ্রে, যাতায়াতের ক্ষেত্রে অনেকটাই সুবিধা হবে বলেই মনে করছেন যাত্রীরা

লটারির নামে কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণা!

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

কলকাতা বিমানবন্দর থেকে আসতে, যাত্রীদের সুবিধার্থে এবার নয়া উদ্যোগ পরিবহন দফতরের

আপডেট : ৬ জুলাই ২০২২, বুধবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : কলকাতা বিমানবন্দর থেকে হাওড়া স্টেশন অথবা হাওড়া স্টেশন থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে আসতে, যাত্রীদের সুবিধার্থে এবার নয়া উদ্যোগ পরিবহন দফতরের। কলকাতা বিমানবন্দর থেকে ধর্মতলা, বিবাদীবাগ, বাবুঘাট প্রভৃতি রুটের এসি বাস পরিষেবা চালু হয়েছে আগেই। ভাল যাত্রীও হয় সেই বাস গুলিতে। কিন্তু সেই সব বাস সব জায়গাতেই স্টপেজ দেয়। ফলে গন্তব্যে পৌঁছাতে অনেকটাই দেরি হয়। তাই এবার কলকাতা বিমানবন্দরে রাজ্য পরিবহণ নিগমের টার্মিনাস থেকে চালু হয়ে গেল ওয়ানস্টপ এসি বাস পরিষেবা। নির্দিষ্ট এই বাস যাবে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে হাওড়া স্টেশন অবধি। বিমানবন্দর টার্মিনাস থেকে ছেড়ে এই বাস কৈখালি, উল্টোডাঙা, কাঁকুরগাছি, গিরিশ পার্ক, চিত্তরঞ্জন অ্যাভেনিউ, ধর্মতলা ও বিবাদীবাগ হয়ে হাওড়া স্টেশন পৌঁছবে। কিন্তু ধর্মতলা বাদে এই বাস কোথাও যাত্রী তোলার জন্য বা নামাবার জন্য থামবে না বলেই পরিবহন সংস্থা তরফ থেকে জানানো হয়।অর্থাৎ যারা হাওড়া স্টেশন থেকে বা ধর্মতলা থেকে বিমানবন্দর যেতে চাইবেন বা সেখান থেকে এই দুই জায়গায় আসতে চাইবেন কেবলমাত্র তাঁরাই এই বাস পরিষেবা ব্যবহার করতে পারবেন। মঙ্গলবার পরিবহণ মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম কলকাতা বিমানবন্দরে এই পরিষেবার উদ্বোধন করেন। আপাতত মাত্র দুটি এসি বাস এই পরিষেবার জন্য নামানো হচ্ছে। যাত্রী সংখ্যা এবং চাহিদা বাড়লে ভবিষ্যতে বাস পরিষেবাও বাড়ানো হবে বলে এদিন মন্ত্রী জানান।কলকাতা বিমানবন্দর থেকেই এই বাস পরিষেবা মিলবে। দুটি এসি বাসই ই-বাস অর্থাৎ ইলেকট্রিক চার্জের মাধ্যমে চলবে। ভোর থেকে রাত পর্যন্ত মিলবে এই পরিষেবা। তবে এই বাস ধর্মতলা বাসস্ট্যান্ডে মাত্র তিন মিনিটের জন্য দাঁড়াবে। বিমানবন্দর থেকে ধর্মতলাই হোক বা হাওড়া স্টেশন যেখানেই যান না কেন ভাড়া পড়বে ১০০ টাকা। এদিন এই পরিষেবার উদ্বোধন করে ফিরহাদ হাকিম বলেন, ‘বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ, তাঁরা যেন টার্মিনালের ভিতরে বাইরে তাঁদের পাবলিক অ্যাড্রেস ডিসপ্লে বোর্ডে এই বাস সম্পর্কে যাত্রীদের অবহিত করেন।এই বাসে করে এক ঘন্টায় এয়ারপোর্ট থেকে হাওড়া স্টেশনে পৌঁছনো সম্ভব৷ অফিসযাত্রী থেকে পর্যটক সকলের কথা মাথায় রেখে এই পরিষেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’ এই পরিষেবা চালু হওয়ায় দুই প্রান্তের গুরুত্বপূর্ণ দুটি যোগাযোগে কেন্দ্রে, যাতায়াতের ক্ষেত্রে অনেকটাই সুবিধা হবে বলেই মনে করছেন যাত্রীরা