১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩
১৬ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

চমকে দেওয়া চিত্রপ্রদর্শনী

সিদ্ধার্থ সিংহ : আর্টভার্সের সহযোগিতায় আনমোল ইন্ডাস্ট্রিস লিমিটেড আয়োজন করল এক অভিনব চিত্রপ্রদর্শনী— আইডেনটিফাই। তিন দিন ধরে চলা ক্যালকাটা সেন্টার ফর ক্রিয়েটিভিটি গ্যালারিতে ছিল ১৮ জন তরুণ এবং প্রবীণ শিল্পীর ৭০টি সিগনেচার ছবি।

যেহেতু আর্টভার্সের কর্ণধার শুভঙ্কর সিংহ এবং আনমোল ইন্ডাস্ট্রিসের তরফে ন্যানি চৌধুরী এই প্রদর্শনীটি কিউরেট করেছেন, ফলে ছবির নির্বাচন ছিল অনবদ্য।
বাছাই করা ছবি ছিল সুদীপ মণ্ডল, সৌত্রিকা দাস, হারাধন সামন্ত, শ্বেতা বিশ্বাস, মৌমিতা পাল, স্নেহা কর্মকার, দ্বীপ্তেশ দাস, সাগরিকা পাড়ি, প্রীতি সেন, সোমনীল সাহা, অভিনব বড়ুয়া, আদিত্য এস চক্রবর্তী, মন্দিরা গাঙ্গুলি, গৌরাঙ্গ ব্রহ্ম, শুভ্র চ্যাটার্জি, অঙ্কন কর্মকার, ন্যানি চৌধুরী এবং শুভঙ্কর সিংহের।
ছবিগুলো শুধু যে বিমূর্ত ছিল তাইই নয়, ছিল ফটোগ্রাফির মতো ছবিও। মূলত তেল রঙের কাজ থাকলেও, তার পাশাপাশি ছিল জলরঙ, অ্যাক্রেলিকও।
বিষয় হিসেবে ছিল প্রকৃতি, বৃষ্টিস্নাত দুপুরের শহরের রাস্তা, আদিবাসী মহিলা, গণেশ, ঘোড়া, জল খেতে আসা বাঘ, টপ ভর্তি ফুল, জগন্নাথদেব, বুদ্ধদেব, আইফেল টাওয়ার এবং শুভঙ্করের সিংহের একটি বুদ্ধিদীপ্ত ছবি।
এই প্রদর্শন থেকে ১৪টি ছবি বিক্রি হলেও এদের মূল লক্ষ্য ছিল সাধারণ মানুষের মধ্যে ছবি দেখার অভ্যাস গড়ে তোলা। এই উদ্যোগ যে সফল হয়েছে প্রতিদিনই দর্শনার্থীর ঢল তা প্রমাণ করে দিয়েছে।

বাঘের আতঙ্ক রুখতে কুলতলিতে ১৯০ সৌর পথবাতি

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

চমকে দেওয়া চিত্রপ্রদর্শনী

আপডেট : ২৪ মে ২০২৪, শুক্রবার

সিদ্ধার্থ সিংহ : আর্টভার্সের সহযোগিতায় আনমোল ইন্ডাস্ট্রিস লিমিটেড আয়োজন করল এক অভিনব চিত্রপ্রদর্শনী— আইডেনটিফাই। তিন দিন ধরে চলা ক্যালকাটা সেন্টার ফর ক্রিয়েটিভিটি গ্যালারিতে ছিল ১৮ জন তরুণ এবং প্রবীণ শিল্পীর ৭০টি সিগনেচার ছবি।

যেহেতু আর্টভার্সের কর্ণধার শুভঙ্কর সিংহ এবং আনমোল ইন্ডাস্ট্রিসের তরফে ন্যানি চৌধুরী এই প্রদর্শনীটি কিউরেট করেছেন, ফলে ছবির নির্বাচন ছিল অনবদ্য।
বাছাই করা ছবি ছিল সুদীপ মণ্ডল, সৌত্রিকা দাস, হারাধন সামন্ত, শ্বেতা বিশ্বাস, মৌমিতা পাল, স্নেহা কর্মকার, দ্বীপ্তেশ দাস, সাগরিকা পাড়ি, প্রীতি সেন, সোমনীল সাহা, অভিনব বড়ুয়া, আদিত্য এস চক্রবর্তী, মন্দিরা গাঙ্গুলি, গৌরাঙ্গ ব্রহ্ম, শুভ্র চ্যাটার্জি, অঙ্কন কর্মকার, ন্যানি চৌধুরী এবং শুভঙ্কর সিংহের।
ছবিগুলো শুধু যে বিমূর্ত ছিল তাইই নয়, ছিল ফটোগ্রাফির মতো ছবিও। মূলত তেল রঙের কাজ থাকলেও, তার পাশাপাশি ছিল জলরঙ, অ্যাক্রেলিকও।
বিষয় হিসেবে ছিল প্রকৃতি, বৃষ্টিস্নাত দুপুরের শহরের রাস্তা, আদিবাসী মহিলা, গণেশ, ঘোড়া, জল খেতে আসা বাঘ, টপ ভর্তি ফুল, জগন্নাথদেব, বুদ্ধদেব, আইফেল টাওয়ার এবং শুভঙ্করের সিংহের একটি বুদ্ধিদীপ্ত ছবি।
এই প্রদর্শন থেকে ১৪টি ছবি বিক্রি হলেও এদের মূল লক্ষ্য ছিল সাধারণ মানুষের মধ্যে ছবি দেখার অভ্যাস গড়ে তোলা। এই উদ্যোগ যে সফল হয়েছে প্রতিদিনই দর্শনার্থীর ঢল তা প্রমাণ করে দিয়েছে।