২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩
২৭ জুন ২০২৬, শনিবার, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩

জিম করার সময় আচমকাই অজ্ঞান হয়ে পড়েন এক তরুণী তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি

নিজস্ব সংবাদদাতা : শহরের অলিগলিতে রমরমিয়ে গড়ে উঠেছে একাধিক ফিটনেস সেন্টার। এবার সেই ফিটনেস সেন্টারে জিম করার সময় আচমকাই অজ্ঞান হয়ে পড়েন বছর ২০-এক তরুণী। তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। মর্মান্তিক এই ঘটনার সাক্ষী থাকল খাস কলকাতা।তরুণীর মৃত্যুর পর মৃতার এক আত্মীয় ফিটনেস সেন্টারের পরিকাঠামো ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। জানা গিয়েছে বাঁশদ্রোণী থানা এলাকার নিরঞ্জন পল্লির বাসিন্দা ঋত্বিকার শরীরচর্চার জন্য সোনালি পার্কের একটি জিমে ভর্তি হন মাস খানেক আগে। গতকাল জিমে ঢোকার সময় ঋত্বিকা তার বন্ধুদের জানায় তার বুকে হালকা ব্যথা করছে, বন্ধুরা জানান, তাতে বিশেষ আমল না দিয়ে ওয়ার্কআউট সেশনে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি। কিছু সময় পড়ে হটাৎ করেই জিমের ভিতর জ্ঞান হারান তিনি।তড়িঘড়ি তাকে এমআর বাঙ্গুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও বাঁচানো সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া। স্নাতকস্তরের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ঋত্বিকার এই অকাল মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না পরিবার থেকে পড়শিরাও। পরিবার সূত্রে জানান হয়েছে বড় কোন রোগ ছিলনা তার। কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল তা ভেবেই পাচ্ছেন না তাঁরা। পাশাপাশি ফিটনেস সেন্টারগুলির পরিকাঠামো নিয়েও প্রশ্নও তুলেছেন মৃতার পরিবার। তবে ঠিক কী কারণে মৃত্যু হয়েছে তা ময়নাতদন্তের পরই জানা যাবে।

লটারির নামে কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন দেখিয়ে প্রতারণা!

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জিম করার সময় আচমকাই অজ্ঞান হয়ে পড়েন এক তরুণী তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি

আপডেট : ১০ অগাস্ট ২০২২, বুধবার

নিজস্ব সংবাদদাতা : শহরের অলিগলিতে রমরমিয়ে গড়ে উঠেছে একাধিক ফিটনেস সেন্টার। এবার সেই ফিটনেস সেন্টারে জিম করার সময় আচমকাই অজ্ঞান হয়ে পড়েন বছর ২০-এক তরুণী। তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। মর্মান্তিক এই ঘটনার সাক্ষী থাকল খাস কলকাতা।তরুণীর মৃত্যুর পর মৃতার এক আত্মীয় ফিটনেস সেন্টারের পরিকাঠামো ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। জানা গিয়েছে বাঁশদ্রোণী থানা এলাকার নিরঞ্জন পল্লির বাসিন্দা ঋত্বিকার শরীরচর্চার জন্য সোনালি পার্কের একটি জিমে ভর্তি হন মাস খানেক আগে। গতকাল জিমে ঢোকার সময় ঋত্বিকা তার বন্ধুদের জানায় তার বুকে হালকা ব্যথা করছে, বন্ধুরা জানান, তাতে বিশেষ আমল না দিয়ে ওয়ার্কআউট সেশনে ব্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি। কিছু সময় পড়ে হটাৎ করেই জিমের ভিতর জ্ঞান হারান তিনি।তড়িঘড়ি তাকে এমআর বাঙ্গুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও বাঁচানো সম্ভব হয়নি। এই ঘটনায় পরিবারে নেমে আসে শোকের ছায়া। স্নাতকস্তরের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ঋত্বিকার এই অকাল মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না পরিবার থেকে পড়শিরাও। পরিবার সূত্রে জানান হয়েছে বড় কোন রোগ ছিলনা তার। কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল তা ভেবেই পাচ্ছেন না তাঁরা। পাশাপাশি ফিটনেস সেন্টারগুলির পরিকাঠামো নিয়েও প্রশ্নও তুলেছেন মৃতার পরিবার। তবে ঠিক কী কারণে মৃত্যু হয়েছে তা ময়নাতদন্তের পরই জানা যাবে।