২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

জয়গাঁতে কাজে গিয়ে বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে মৃত্যু হলো শিলিগুড়ির এক যুবকের

আলিপুরদুয়ার: জয়গাঁতে কাজে গিয়ে বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে মৃত্যু হলো শিলিগুড়ির এক যুবকের।জানাগেছে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করতো শিলিগুড়ির সূর্যসেন কলোনি এলাকার বাসিন্দা সঞ্জু দাস।শুক্রবার জয়গাঁতে কাজে গিয়ে বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় ওই যুবকের। এই ঘটনার খবর বাড়িতে পৌছতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের লোকজন।

শনিবার রাতে তার মরদেহ নিয়ে আসা হয় শিলিগুড়ির নিজ বাড়িতে ।। তবে এই ঘটনায় ওই সংস্থা কোনরকম সহযোগিতা করছে না বলে অভিযোগ করছেন পরিবারের লোকেরা। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হবেন বলে জানিয়েছেন তারা। তরতাজা এই যুবক কাজে গিয়ে কিভাবে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারালো তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।সঞ্জু পরিবারের অন্যতম প্রধান রোজগেরে,পরিবারের মুখের দিকে তাকিয়েই সে জয়গাতে গিয়েছিলো কাজের খোজে,ভাল কাজও করত সঞ্জু।এলাকায় ভালো ছেলে বলে সুনাম ছিল তার। ভাল বিদ্যুতের কাজও জানত সঞ্জু।তার বাড়ি থেকে বারবার বারন করা হলেও সঞ্জু বলত আগে টাকা রোজগার করি তারপরে বাড়িতে এসে নিজে দোকান খুলব।তার আগেই ঘটল এই দুর্ঘটনা।তার বাড়ির লোকেরা এই খবরে বাক্শক্তি হারিয়েফেলেছেন।এলাকার কাউন্সিলার তার বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারকে সান্ত্বনা দেন।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জয়গাঁতে কাজে গিয়ে বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে মৃত্যু হলো শিলিগুড়ির এক যুবকের

আপডেট : ১৭ মে ২০২২, মঙ্গলবার

আলিপুরদুয়ার: জয়গাঁতে কাজে গিয়ে বিদ্যুৎস্পষ্ট হয়ে মৃত্যু হলো শিলিগুড়ির এক যুবকের।জানাগেছে শিলিগুড়ির একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করতো শিলিগুড়ির সূর্যসেন কলোনি এলাকার বাসিন্দা সঞ্জু দাস।শুক্রবার জয়গাঁতে কাজে গিয়ে বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় ওই যুবকের। এই ঘটনার খবর বাড়িতে পৌছতেই কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের লোকজন।

শনিবার রাতে তার মরদেহ নিয়ে আসা হয় শিলিগুড়ির নিজ বাড়িতে ।। তবে এই ঘটনায় ওই সংস্থা কোনরকম সহযোগিতা করছে না বলে অভিযোগ করছেন পরিবারের লোকেরা। বিষয়টি নিয়ে পুলিশ প্রশাসনের দ্বারস্থ হবেন বলে জানিয়েছেন তারা। তরতাজা এই যুবক কাজে গিয়ে কিভাবে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে প্রাণ হারালো তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।সঞ্জু পরিবারের অন্যতম প্রধান রোজগেরে,পরিবারের মুখের দিকে তাকিয়েই সে জয়গাতে গিয়েছিলো কাজের খোজে,ভাল কাজও করত সঞ্জু।এলাকায় ভালো ছেলে বলে সুনাম ছিল তার। ভাল বিদ্যুতের কাজও জানত সঞ্জু।তার বাড়ি থেকে বারবার বারন করা হলেও সঞ্জু বলত আগে টাকা রোজগার করি তারপরে বাড়িতে এসে নিজে দোকান খুলব।তার আগেই ঘটল এই দুর্ঘটনা।তার বাড়ির লোকেরা এই খবরে বাক্শক্তি হারিয়েফেলেছেন।এলাকার কাউন্সিলার তার বাড়িতে গিয়ে তার পরিবারকে সান্ত্বনা দেন।