২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
২৫ মে ২০২৬, সোমবার, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

তৃনমূল নেতা আনারুল হোসেনের জামিন না মঞ্জুর,রামপুরহাট আদালতে

সেখ রিয়াজুদ্দিন, রামপুরহাট:- বগটুই কান্ডে ধৃত রামপুরহাট এক নম্বর ব্লক তৃনমূল নেতা আনারুল হোসেনকে শুক্রবার সিবিআই এর তরফে রামপুরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হয়। তাঁর হয় আদালতে এদিন শওয়াল জবাব দিহির জন্য দাড়িয়ে ছিলেন কোলকাতা উচ্চ আদালতের আইনজীবী অনির্বাণ গুহ ঠাকুর ও সঞ্জীব দাঁ। আনারুল হোসেনের আইনজীবীরা বলেন ধৃত আনারুল কে সিবিআই নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তার কাছে তেমন কিছু উদ্ধার হয়নি। শুধু মোবাইল ফোন টা তার ছেলে মারফত চেয়ে পাঠানোর পর সেটা আটক করে। যদিও সেটা অফিসিয়াল ভাবে শীল করার কথা ছিল সেটা কিন্তু হয়নি। বিচারক সমস্ত কিছু শোনার পর জামিন নামঞ্জুর করে দেন, পরবর্তী আদালতে তোলার দিন ধার্য করেন ২১ শে এপ্রিল। আদালতের পথে তৃনমূল নেতা আনারুল হোসেন বলেন আমি নির্দোষ, আমাকে ফাঁসানো হয়ছে। দেশের বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থা রয়েছে। নেতৃত্বের কথায় ভরসা রেখে আত্মসমর্পণ করেছি। এখন টিভিতে বসে যারা বড় বড় কথা বলছে বা ভাষণ দিচ্ছে তারাই ফাঁসিয়েছে।উল্লেখ্য বগটুই কান্ডে পরিদর্শনে আসেন মুখ্যমন্ত্রী এবং সেখানে জনসমক্ষে ব্লক তৃনমূল নেতা আনারুল হোসেন কে হয় আত্মসমর্পণ করতে হবে না হলে ষ আটক করার নির্দেশ দেন পুলিশকে। সেই মোতাবেক ঘোষণার কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে আনারুল হোসেন কে তারাপীঠ থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে।পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুসারে বগটুই কান্ডের তদন্তভার সিবিআই এর হাতে আসে এবং আনারুল হোসেন কে সিবিআই নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেন।

এলিটের আলো ছাড়িয়ে গ্রাসরুটের স্বপ্নযাত্রা, কলকাতা ইয়ুথ ফুটবল লীগে উঠছে আগামী দিনের তারকারা

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

তৃনমূল নেতা আনারুল হোসেনের জামিন না মঞ্জুর,রামপুরহাট আদালতে

আপডেট : ৯ এপ্রিল ২০২২, শনিবার

সেখ রিয়াজুদ্দিন, রামপুরহাট:- বগটুই কান্ডে ধৃত রামপুরহাট এক নম্বর ব্লক তৃনমূল নেতা আনারুল হোসেনকে শুক্রবার সিবিআই এর তরফে রামপুরহাট মহকুমা আদালতে তোলা হয়। তাঁর হয় আদালতে এদিন শওয়াল জবাব দিহির জন্য দাড়িয়ে ছিলেন কোলকাতা উচ্চ আদালতের আইনজীবী অনির্বাণ গুহ ঠাকুর ও সঞ্জীব দাঁ। আনারুল হোসেনের আইনজীবীরা বলেন ধৃত আনারুল কে সিবিআই নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তার কাছে তেমন কিছু উদ্ধার হয়নি। শুধু মোবাইল ফোন টা তার ছেলে মারফত চেয়ে পাঠানোর পর সেটা আটক করে। যদিও সেটা অফিসিয়াল ভাবে শীল করার কথা ছিল সেটা কিন্তু হয়নি। বিচারক সমস্ত কিছু শোনার পর জামিন নামঞ্জুর করে দেন, পরবর্তী আদালতে তোলার দিন ধার্য করেন ২১ শে এপ্রিল। আদালতের পথে তৃনমূল নেতা আনারুল হোসেন বলেন আমি নির্দোষ, আমাকে ফাঁসানো হয়ছে। দেশের বিচার ব্যবস্থার প্রতি আস্থা রয়েছে। নেতৃত্বের কথায় ভরসা রেখে আত্মসমর্পণ করেছি। এখন টিভিতে বসে যারা বড় বড় কথা বলছে বা ভাষণ দিচ্ছে তারাই ফাঁসিয়েছে।উল্লেখ্য বগটুই কান্ডে পরিদর্শনে আসেন মুখ্যমন্ত্রী এবং সেখানে জনসমক্ষে ব্লক তৃনমূল নেতা আনারুল হোসেন কে হয় আত্মসমর্পণ করতে হবে না হলে ষ আটক করার নির্দেশ দেন পুলিশকে। সেই মোতাবেক ঘোষণার কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে আনারুল হোসেন কে তারাপীঠ থেকে পুলিশ গ্রেফতার করে।পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের নির্দেশ অনুসারে বগটুই কান্ডের তদন্তভার সিবিআই এর হাতে আসে এবং আনারুল হোসেন কে সিবিআই নিজেদের হেফাজতে নিয়ে তদন্ত শুরু করেন।