২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

জলপাইগুড়িতে লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়ে নির্মাণ করা বায়োটয়লেট গুলো বন্ধ হয়ে পড়ে আছে

জলপাইগুড়ি: লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়ে জলপাইগুড়ি শহরের বিভিন্ন জায়গায় উদ্বোধন করা হয়েছিল বায়োটয়লেটের। ওই পর্যন্তই বন্ধ হয়ে আছে বায়োটয়লেট গুলো। নিত্তনৈমিত্তিক অসুবিধার মধ্যে পড়তে হচ্ছে পথ চলতি আমজনতার, বাজারের ব্যবসায়ীদের। জলপাইগুড়ি সাধারণ মানুষদের সুবিধার জন্য এই বায়ো-টয়লেট গুলি নির্মাণ করা হয়েছিল। এ প্রসঙ্গে জলপাইগুড়ি পুরসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে কয়েকটি এজেন্সিকে লিস দেওয়া হয়েছিল , কেন তারা বন্ধ রেখেছে এই প্রসঙ্গ বোঝা যাচ্ছে না। অপরদিকে এজেন্সি গুলির মধ্যে একটি এজেন্সি জানিয়েছে যে টাকা দিয়ে তারা লিস নিয়েছিল, সেই টাকা উঠবেনা বায়োটয়লেট গুলি চালানো হলে।

জলপাইগুড়ি সমাজ পড়া, দিনবাজার সহ একাধিক জনবহুল এলাকায় জলপাইগুড়ি পুরসভার তরফ থেকে এই বায়ো টয়লেট নির্মাণ করা হয়েছিল। ২০২০ সালে নির্মাণ কার্য সমাপ্ত হয়, আনুমানিক ৪১ লক্ষ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। বায়োটয়লেট এর মধ্যে ডিজাস্টার ব্যাকটেরিয়ার রাসয়নিক দেওয়া রয়েছে। আমজনতার এটাই প্রশ্ন লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করে এই বায়ো-টয়লেট নির্মাণ করে কি লাভ , যদি সেগুলো চালু না হয়।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

জলপাইগুড়িতে লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়ে নির্মাণ করা বায়োটয়লেট গুলো বন্ধ হয়ে পড়ে আছে

আপডেট : ২৭ মার্চ ২০২২, রবিবার

জলপাইগুড়ি: লক্ষ লক্ষ টাকা দিয়ে জলপাইগুড়ি শহরের বিভিন্ন জায়গায় উদ্বোধন করা হয়েছিল বায়োটয়লেটের। ওই পর্যন্তই বন্ধ হয়ে আছে বায়োটয়লেট গুলো। নিত্তনৈমিত্তিক অসুবিধার মধ্যে পড়তে হচ্ছে পথ চলতি আমজনতার, বাজারের ব্যবসায়ীদের। জলপাইগুড়ি সাধারণ মানুষদের সুবিধার জন্য এই বায়ো-টয়লেট গুলি নির্মাণ করা হয়েছিল। এ প্রসঙ্গে জলপাইগুড়ি পুরসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে কয়েকটি এজেন্সিকে লিস দেওয়া হয়েছিল , কেন তারা বন্ধ রেখেছে এই প্রসঙ্গ বোঝা যাচ্ছে না। অপরদিকে এজেন্সি গুলির মধ্যে একটি এজেন্সি জানিয়েছে যে টাকা দিয়ে তারা লিস নিয়েছিল, সেই টাকা উঠবেনা বায়োটয়লেট গুলি চালানো হলে।

জলপাইগুড়ি সমাজ পড়া, দিনবাজার সহ একাধিক জনবহুল এলাকায় জলপাইগুড়ি পুরসভার তরফ থেকে এই বায়ো টয়লেট নির্মাণ করা হয়েছিল। ২০২০ সালে নির্মাণ কার্য সমাপ্ত হয়, আনুমানিক ৪১ লক্ষ টাকা ব্যয় করা হয়েছে। বায়োটয়লেট এর মধ্যে ডিজাস্টার ব্যাকটেরিয়ার রাসয়নিক দেওয়া রয়েছে। আমজনতার এটাই প্রশ্ন লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করে এই বায়ো-টয়লেট নির্মাণ করে কি লাভ , যদি সেগুলো চালু না হয়।