২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

বীরভূমের দুবরাজপুরে রং খেলার পর পুকুরে স্নান করতে নেমে মৃত দুই

বীরভূম: রং খেলার পর বীরভূমের দুবরাজপুরে ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে পুকুরে স্নান করতে নেমে মৃত দুই – রকি দে ও নবীন দাস। এই ঘটনার পর এলাকায় নামে শোকের ছায়া।

জানা যায়, সারাদিন রং খেলার পর ওই সময়ে রকি ও নবীন ছাড়া অনেকেই স্নান করছিলো ওই পুকুরে। কিন্তু হঠাৎ দুজনকে দেখতে না পেয়ে তারা খোঁজাখুঁজি শুরু করে। তাদের দুজনকে উদ্ধার করে দুবরাজপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়।

এরপর দেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে আসা হয় সিউড়ি। ঘটনার খবর পেয়ে ওই পুকুরে ছুটে যান দুবরাজপুরের সিআই মাধবচন্দ্র মণ্ডল, দুবরাজপুর থানার ওসি আফরোজ হোসেন এবং দুবরাজপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান পীযুষ পান্ডে।

দুবরাজপুরের চেয়ারম্যান পীযুষ পান্ডে বলেন “দোলের দিন এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে যাওয়ায় শোকের ছায়া এলাকায়। দুবরাজপুরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নবীন দাস ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রকি দে দুজনেই খুব ভালো ছেলে ছিলো। তার মধ্যে একজন ছিলো পরের বছরের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। এমন ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ছুটে আসি আমি। তারপর ওদের উদ্ধার করে চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করে চিকিৎসক। মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয় সিউড়ি। আজকের দিনে এমন ঘটনা ঘটায় খুব খারাপ লাগছে। শোকের ছায়া নেমেছে এলাকায়।”

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

বীরভূমের দুবরাজপুরে রং খেলার পর পুকুরে স্নান করতে নেমে মৃত দুই

আপডেট : ১৮ মার্চ ২০২২, শুক্রবার

বীরভূম: রং খেলার পর বীরভূমের দুবরাজপুরে ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে পুকুরে স্নান করতে নেমে মৃত দুই – রকি দে ও নবীন দাস। এই ঘটনার পর এলাকায় নামে শোকের ছায়া।

জানা যায়, সারাদিন রং খেলার পর ওই সময়ে রকি ও নবীন ছাড়া অনেকেই স্নান করছিলো ওই পুকুরে। কিন্তু হঠাৎ দুজনকে দেখতে না পেয়ে তারা খোঁজাখুঁজি শুরু করে। তাদের দুজনকে উদ্ধার করে দুবরাজপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়।

এরপর দেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে আসা হয় সিউড়ি। ঘটনার খবর পেয়ে ওই পুকুরে ছুটে যান দুবরাজপুরের সিআই মাধবচন্দ্র মণ্ডল, দুবরাজপুর থানার ওসি আফরোজ হোসেন এবং দুবরাজপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান পীযুষ পান্ডে।

দুবরাজপুরের চেয়ারম্যান পীযুষ পান্ডে বলেন “দোলের দিন এমন মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে যাওয়ায় শোকের ছায়া এলাকায়। দুবরাজপুরের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নবীন দাস ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা রকি দে দুজনেই খুব ভালো ছেলে ছিলো। তার মধ্যে একজন ছিলো পরের বছরের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী। এমন ঘটনার খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ছুটে আসি আমি। তারপর ওদের উদ্ধার করে চিকিৎসা কেন্দ্রে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করে চিকিৎসক। মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয় সিউড়ি। আজকের দিনে এমন ঘটনা ঘটায় খুব খারাপ লাগছে। শোকের ছায়া নেমেছে এলাকায়।”