২৯ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩
২৯ এপ্রিল ২০২৬, বুধবার, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩

ইউক্রেনে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন মালদা ইংলিশ বাজারের বাসিন্দা মৌমি সিংহ

মালদা: মালদা ইংলিশ বাজারের বাসিন্দা মৌমি সিংহ ইউক্রেনে তার ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানাল বাড়ি পৌঁছে ।

রাশিয়া-ইউক্রেন শুরু হওয়ার পর ইউক্রেন সরকার খারকিভ শহর খালি করার নির্দেশ দেন। প্রচণ্ড ঠাণ্ডার মধ্যে ১৫ কিলোমিটার হাঁটার পর মৌমি ও তার কলেজের বন্ধুরা একটি শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছিল। সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃপক্ষ থেকে এই ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছিল।

এখানে কিছুদিন থাকার পর রোমানিয়া সীমান্তে তাদের নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর আর কোন অসুবিধা হয়নি, ভারতীয় দূতাবাস থেকে তাদের পর্যাপ্ত খাবার এবং গরম পোশাক দেওয়া হয়েছিল। এরপর বিমানে করে দিল্লি ফেরা, তারপর কলকাতায় ,কলকাতা থেকে নিজের বাড়িতে। নিজের বাড়ি ফিরে দারুন উৎসাহিত মৌমি। তার বাবা পেশায় ব্যবসায়ী, মা গৃহবধূ। দুই বছর আগে সে ইউক্রেনের একটি ইউনিভার্সিটিতে মেডিকেল বিভাগে পড়াশোনার জন্য ভর্তি হয়েছিল।

তার বাবা-মা জানাচ্ছেন তারা নিজেদের মেয়েকে কাছে পেয়ে প্রচন্ড আনন্দিত। কেন্দ্রীয় সরকার অথবা রাজ্য সরকার এর তারা অনুরোধ জানিয়েছেন মেয়ের অসমাপ্ত পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়া হয়।

পিতা খুনে আসামি পুত্র কে ৮ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিল ডায়মন্ডহারবার আদালত 

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

ইউক্রেনে ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন মালদা ইংলিশ বাজারের বাসিন্দা মৌমি সিংহ

আপডেট : ১৪ মার্চ ২০২২, সোমবার

মালদা: মালদা ইংলিশ বাজারের বাসিন্দা মৌমি সিংহ ইউক্রেনে তার ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কথা জানাল বাড়ি পৌঁছে ।

রাশিয়া-ইউক্রেন শুরু হওয়ার পর ইউক্রেন সরকার খারকিভ শহর খালি করার নির্দেশ দেন। প্রচণ্ড ঠাণ্ডার মধ্যে ১৫ কিলোমিটার হাঁটার পর মৌমি ও তার কলেজের বন্ধুরা একটি শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছিল। সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃপক্ষ থেকে এই ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছিল।

এখানে কিছুদিন থাকার পর রোমানিয়া সীমান্তে তাদের নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর আর কোন অসুবিধা হয়নি, ভারতীয় দূতাবাস থেকে তাদের পর্যাপ্ত খাবার এবং গরম পোশাক দেওয়া হয়েছিল। এরপর বিমানে করে দিল্লি ফেরা, তারপর কলকাতায় ,কলকাতা থেকে নিজের বাড়িতে। নিজের বাড়ি ফিরে দারুন উৎসাহিত মৌমি। তার বাবা পেশায় ব্যবসায়ী, মা গৃহবধূ। দুই বছর আগে সে ইউক্রেনের একটি ইউনিভার্সিটিতে মেডিকেল বিভাগে পড়াশোনার জন্য ভর্তি হয়েছিল।

তার বাবা-মা জানাচ্ছেন তারা নিজেদের মেয়েকে কাছে পেয়ে প্রচন্ড আনন্দিত। কেন্দ্রীয় সরকার অথবা রাজ্য সরকার এর তারা অনুরোধ জানিয়েছেন মেয়ের অসমাপ্ত পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়া হয়।