২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

সুন্দরবনের হিঙ্গলগঞ্জে ধুঁকছে ITI, বিল্ডিং হলেও চালু হইনি

মাসুদুর রহমান, 6 মার্চ, নতুন গতি: দীর্ঘ 34 বছর বাম রাজত্বের অবসান ঘটিয়ে 2011 সালে বাংলার মানুষ বাংলার মসনদে বসিয়েছেন মমতা ব্যানার্জীকে। মসনদে বসেই তিনি সুন্দরবন অঞ্চলের মানুষের চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে হিঙ্গলগঞ্জে গড়ে তোলেন ITI কলেজ। অর্থাৎ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেইনিং ইনস্টিটিউট। ITI এমন একটি কলেজ, শিক্ষার্থীকে ইন্ডাস্ট্রির কাজের জন্য যোগ্য করে তোলা হয়। এটি ভারত সরকারের শ্রম এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় দ্বারা পরিচালিত হয়। ITI তে থিওরী জ্ঞানের চেয়ে practical কাজের উপর বেশি জোর দেওয়া হয়।

2013 সালের মধ্যে কলেজের প্রাচীর বৃহৎ বিল্ডিং নির্মিত হলেও চালু হয়নি। সুন্দরবন অঞ্চলের একটা বৃহৎ সংখ্যক ছাত্র ছাত্রী আশায় ছিল যে তারা শিল্প কর্ম শিখে বিভিন্ন কর্ম করে রোজগার করবে। তাদের সেই স্বপ্ন নিয়ে মমতা ব্যানার্জির সরকার খেলছে বলে তাদের অভিযোগ। তারা আরো বলেন যে দীর্ঘ 8-9 বছর বিল্ডিং পড়ে আছে সরকারের চালু করবার কোনো সদিচ্ছা নেই।

স্থানীয় এক ব্যক্তি রমেন ঘোষাল (নাম পরিবর্তিত) বলেন “আমি কলেজের আশে পাশেই থাকি। সন্ধ্যা হলে কলেজ চত্বরে বসে মাতালদের আসর। গুন্ডা মাস্তানদের মিটিং এর জায়গায় পরিণত হয়ে গেছে একেবারে।”

আরো এক জন স্থানীয় বলেন,” এই কলেজের মধ্যে আমফান, বুলবুল ঝড়ের সময় যে ত্রাণ সামগ্রী এসেছিল তা এখনও রয়েছে কিছুটা। সব বিতরণ করা হয়নি। এছাড়া এখান থেকে ব্লকের সবুজ সাথীর সাইকেল বিতরণ করা হয়, পার্টির মিটিংও বসে কখনো কখনো।”

তাদের অভিযোগ সুন্দরবন অঞ্চলের উন্নয়নে দিদি সরকার মোটেই আন্তরিক নয়। যদি আন্তরিক হতো তাহলে দীর্ঘ 9 বছর এই কলেজটা এইভাবে সমাজ বিরোধীদের আড্ডা খানায় পরিনত হত না।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

সুন্দরবনের হিঙ্গলগঞ্জে ধুঁকছে ITI, বিল্ডিং হলেও চালু হইনি

আপডেট : ৭ মার্চ ২০২২, সোমবার

মাসুদুর রহমান, 6 মার্চ, নতুন গতি: দীর্ঘ 34 বছর বাম রাজত্বের অবসান ঘটিয়ে 2011 সালে বাংলার মানুষ বাংলার মসনদে বসিয়েছেন মমতা ব্যানার্জীকে। মসনদে বসেই তিনি সুন্দরবন অঞ্চলের মানুষের চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে হিঙ্গলগঞ্জে গড়ে তোলেন ITI কলেজ। অর্থাৎ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেইনিং ইনস্টিটিউট। ITI এমন একটি কলেজ, শিক্ষার্থীকে ইন্ডাস্ট্রির কাজের জন্য যোগ্য করে তোলা হয়। এটি ভারত সরকারের শ্রম এবং পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় দ্বারা পরিচালিত হয়। ITI তে থিওরী জ্ঞানের চেয়ে practical কাজের উপর বেশি জোর দেওয়া হয়।

2013 সালের মধ্যে কলেজের প্রাচীর বৃহৎ বিল্ডিং নির্মিত হলেও চালু হয়নি। সুন্দরবন অঞ্চলের একটা বৃহৎ সংখ্যক ছাত্র ছাত্রী আশায় ছিল যে তারা শিল্প কর্ম শিখে বিভিন্ন কর্ম করে রোজগার করবে। তাদের সেই স্বপ্ন নিয়ে মমতা ব্যানার্জির সরকার খেলছে বলে তাদের অভিযোগ। তারা আরো বলেন যে দীর্ঘ 8-9 বছর বিল্ডিং পড়ে আছে সরকারের চালু করবার কোনো সদিচ্ছা নেই।

স্থানীয় এক ব্যক্তি রমেন ঘোষাল (নাম পরিবর্তিত) বলেন “আমি কলেজের আশে পাশেই থাকি। সন্ধ্যা হলে কলেজ চত্বরে বসে মাতালদের আসর। গুন্ডা মাস্তানদের মিটিং এর জায়গায় পরিণত হয়ে গেছে একেবারে।”

আরো এক জন স্থানীয় বলেন,” এই কলেজের মধ্যে আমফান, বুলবুল ঝড়ের সময় যে ত্রাণ সামগ্রী এসেছিল তা এখনও রয়েছে কিছুটা। সব বিতরণ করা হয়নি। এছাড়া এখান থেকে ব্লকের সবুজ সাথীর সাইকেল বিতরণ করা হয়, পার্টির মিটিংও বসে কখনো কখনো।”

তাদের অভিযোগ সুন্দরবন অঞ্চলের উন্নয়নে দিদি সরকার মোটেই আন্তরিক নয়। যদি আন্তরিক হতো তাহলে দীর্ঘ 9 বছর এই কলেজটা এইভাবে সমাজ বিরোধীদের আড্ডা খানায় পরিনত হত না।