নিজস্ব সংবাদদাতা, জলপাইগুড়ি: সরকারি উদ্যোগে সম্প্রতি একেবারেই বদলে দেওয়া হয়েছে জলপাইগুড়ির শতাব্দী প্রাচীন গৌরীহাটের চেহারা। প্রায় দুই কোটি টাকা খরচ করে অত্যাধুনিক রূপ দেওয়া হয়েছে বৈকুন্ঠপুরের রাজার আমলের এই হাটকে। শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে শেড তৈরি করে দেওয়া হয়েছে ব্যবসায়ীদের। নতুন করে সাজানো হচ্ছে গোটা এলাকা।
দড়িতে বাঁধা প্লাস্টিক ও বাঁশের চালার জায়গায় এখন আধুনিক শেডের নিচে বসে ব্যবসা করছেন গ্রামের হাট ব্যবসায়ীরা। ক্রেতারাও খুব সচ্ছন্দে হাটে এসে কেনাকাটা করতে পারছেন। শিলিগুড়ি-জলপাইগুড়ি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে প্রাচীন এই হাটের আধুনিক রূপ দেওয়া হয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলার প্রাচীনতম হাটগুলোর মধ্যে অন্যতম শতাব্দী প্রাচীন গৌরী হাট। এখনও দূর দূরান্ত থেকে মানুষ প্রতি সপ্তাহে এসে এখানে কেনাকাটা করেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির ইচ্ছে অনুযায়ী শহরের পাশাপাশি গ্রামীন এলাকার উন্নয়নে গ্রামীন এলাকার হাট সহ বেশকিছু উন্নয়নমূলক কাজের মাধ্যমে গৌরীহাটে বড় বড় মোট ৩২টি নতুন শেড তৈরি করা হয়েছে। পাশাপাশি হাটের জন্য নতুন পাকা রাস্তা, পানীয় জলের ব্যবস্থা, বৈদ্যুতিক আলোর ব্যবস্থা ও শৌচাগার তৈরি করা হয়েছে।
হাট কমিটির অন্যতম কর্মকর্তা সঞ্জীত কর্মকার বলেন, “এই পাকা শেডগুলো তৈরি হওয়ায় উপকৃত হয়েছেন হাটের প্রায় ৮০০ ব্যবসায়ী।”
নতুন গতি 





















