২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩
২৭ এপ্রিল ২০২৬, সোমবার, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩

দার্জিলিং সহ গোটা পাহাড় বরফের কবলে

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার
  • 9

দার্জিলিং: দার্জিলিং সহ গোটা পাহাড় আজ ও বরফের কবলে।গতকাল দার্জিলিং সহ গোটা পার্বত্য অঞ্চলে নেমে আসে প্রবল শৈত্যপ্রবাহ।বরফে ঢেকে যায় গোটা শৈলশহর।বরফে ঢেকে যায় সিকিমও।সিকিমের রাস্তায় বরফে সাদা হয়ে যায়,পর্যটকেরা যারা সিকিমে আসছিলেন আর সিকিমে যাচ্ছিলেন রাস্তায় আটকিয়ে যান।শিলিগুড়ি থেকে সিকিম যাওয়া বহু পর্যটক সিকিমের বিভিন্ন হোটেলে আটকিয়ে আছেন।প্রচন্ড ঠান্ডার কারনে সিকিমের রোজকার জীবনযাপন প্রচণ্ডভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।একই অবস্থা দার্জিলিং এরও বহু পর্যটক পাহাড়ের থেকে নীচে নামতে পারছেন না, রাস্তা আটকিয়ে যাবার কারনে।কলকাতার প্রায় দশ থেকে পনেরো হাজার পর্যটক সিকিম এবং দার্জিলিং এ আটকিয়ে গেছেন।

এদিনও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বরফ সরাতে না পারবার কারনে মানুষের রাস্তায় বের হওয়াটাই মুষ্কিল হয়ে পড়ে।তাপমাত্রা এতনীচে ছিলো যে মানুষ নিজের ঘর থেকে বের হতেই সাহস করেন নি।তার উপর 5ছয়দিন ধরে সূর্যের দেখা না পাওয়াতে ঠাণ্ডা আরো বেড়ে যায় গোটা পার্বত্য অঞ্চলে।এদিন দার্জিলিং এর তাপমাত্রা ছিলো এক ডিগ্রী।পরে তা নেমে মাইনাসে চলে যায়।এদিন শিলিগুড়ির আবহওয়াও ছিলো মেঘলা সকাল থেকেই ঠাণ্ডা হাওয়া বইছে শিলিগুড়ি এবং জলপাইগুড়ি শহরে।ফলে তাপমাত্রা দিন এগনোর সাথে সাথে নীচের দিকে নেমে যায়।আবহওয়া দপ্তরের কাছ থেকে খবরে জানা গেছে আগামী কয়েকদিন উত্তরবঙ্গের আবহওয়ার কোন পরিবর্তন ঘটবে না।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দার্জিলিং সহ গোটা পাহাড় বরফের কবলে

আপডেট : ৩০ ডিসেম্বর ২০২১, বৃহস্পতিবার

দার্জিলিং: দার্জিলিং সহ গোটা পাহাড় আজ ও বরফের কবলে।গতকাল দার্জিলিং সহ গোটা পার্বত্য অঞ্চলে নেমে আসে প্রবল শৈত্যপ্রবাহ।বরফে ঢেকে যায় গোটা শৈলশহর।বরফে ঢেকে যায় সিকিমও।সিকিমের রাস্তায় বরফে সাদা হয়ে যায়,পর্যটকেরা যারা সিকিমে আসছিলেন আর সিকিমে যাচ্ছিলেন রাস্তায় আটকিয়ে যান।শিলিগুড়ি থেকে সিকিম যাওয়া বহু পর্যটক সিকিমের বিভিন্ন হোটেলে আটকিয়ে আছেন।প্রচন্ড ঠান্ডার কারনে সিকিমের রোজকার জীবনযাপন প্রচণ্ডভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।একই অবস্থা দার্জিলিং এরও বহু পর্যটক পাহাড়ের থেকে নীচে নামতে পারছেন না, রাস্তা আটকিয়ে যাবার কারনে।কলকাতার প্রায় দশ থেকে পনেরো হাজার পর্যটক সিকিম এবং দার্জিলিং এ আটকিয়ে গেছেন।

এদিনও প্রশাসনের পক্ষ থেকে বরফ সরাতে না পারবার কারনে মানুষের রাস্তায় বের হওয়াটাই মুষ্কিল হয়ে পড়ে।তাপমাত্রা এতনীচে ছিলো যে মানুষ নিজের ঘর থেকে বের হতেই সাহস করেন নি।তার উপর 5ছয়দিন ধরে সূর্যের দেখা না পাওয়াতে ঠাণ্ডা আরো বেড়ে যায় গোটা পার্বত্য অঞ্চলে।এদিন দার্জিলিং এর তাপমাত্রা ছিলো এক ডিগ্রী।পরে তা নেমে মাইনাসে চলে যায়।এদিন শিলিগুড়ির আবহওয়াও ছিলো মেঘলা সকাল থেকেই ঠাণ্ডা হাওয়া বইছে শিলিগুড়ি এবং জলপাইগুড়ি শহরে।ফলে তাপমাত্রা দিন এগনোর সাথে সাথে নীচের দিকে নেমে যায়।আবহওয়া দপ্তরের কাছ থেকে খবরে জানা গেছে আগামী কয়েকদিন উত্তরবঙ্গের আবহওয়ার কোন পরিবর্তন ঘটবে না।