২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী, জানালেন কপিলমুনি আশ্রম মহান্ত

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক:লড়াই, সংগ্রামই তাঁর রাজনৈতিক জীবনের মূল মন্ত্র। সেই পথে হেঁটেই বিরোধী দলনেত্রী থেকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। এবার লক্ষ্য দিল্লির দখল নেওয়া। তাঁকেই পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান বিভিন্ন শিবিরের রাজনৈতিক নেতারা। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনমনীয়, অপ্রতিরোধ্য। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী আপাতত তিনদিনের গঙ্গাসাগর সফরে। মঙ্গলবার সেখানে পৌঁছে কপিলমুনির আশ্রমে পুজো দিয়েছেন। আর তারপরই তাঁকে পাশে নিয়ে কার্যত ভবিষ্যৎবাণী করলেন আশ্রমের প্রধান জ্ঞানদাস মহান্ত। বললেন, ”প্রধানমন্ত্রী হওয়া থেকে মমতাকে কেউ রুখতে পারবে না। তাঁকেই প্রধানমন্ত্রী দেখতে চাই আমরা।”

মুখ্যমন্ত্রী থেকে প্রধানমন্ত্রী পদে উত্তরণের লক্ষ্যে এগোচ্ছে তৃণমূলও। জাতীয় স্তরে সংগঠন বৃদ্ধিতে জোর দেওয়া হচ্ছে। সেইমতো বদলাচ্ছে কর্মসূচির ধরনও। নানা রাজ্য়ে সংগঠনের বিস্তার ঘটানোর কাজ চলছে পুরোদমে। এই পরিস্থিতিতে কপিলমুনির আশ্রমের মহান্তর কথা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে বাংলার শাসকদল। তিন দফায় নবান্ন সামলানো মমতাকে এবার দিল্লির দরবারে দেখতে চান অনেকেই।  শাসকদলের মত, জ্ঞানদাস মহান্তর এহেন মন্তব্য আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি আশীর্বাদই।

এদিন বিকেলে কপিলমুনির আশ্রম থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী। এই মেলার পবিত্রতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে নালিশের সুর শোনা গেল তাঁর গলায়। মমতা বক্তব্য, ”এই মেলা কুম্ভ মেলার চেয়ে কোনও কম পবিত্র নয়। কথায় বলে – সব তীর্থ বারবার/ গঙ্গাসাগর একবার। আমরা বহুবার কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি লিখে আবেদন জানিয়েছি, এই  মেলাকে জাতীয় স্বীকৃতি দেওয়া হোক। কিন্তু কোনও সাড়া পাইনি। একে দ্রুতই জাতীয় মেলা ঘোষণা করা উচিত বলে মনে করি।” মেলায় যাতায়াতের জন্য একটি ব্রিজ দরকার। তা এখনও তৈরি না হওয়ায় মানুষজনের সমস্যা নিয়েও এদিন কেন্দ্রকে একহাত নিলেন তিনি।  বললেন, ”এই ব্রিজ করে দেওয়ার জন্যও বারবার কেন্দ্রকে বলা হয়েছে। কিন্তু তাতেও আমরা সাড়া পাইনি। আমাদের কাজ আমরাই করব। আমাদের টাকাপয়সা হলে ব্রিজটা বানিয়ে দেব।”

কপিলমুনির আশ্রম থেকে মুখ্যমন্ত্রী চলে যান ভারত সেবাশ্রম সংঘে। সেখানে পুজো দিয়ে, সন্ন্যাসীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে কথাবার্তা বলেন। এখান থেকেই গঙ্গাসাগর এলাকার উপর প্রাকৃতিক বিপর্যয় নিয়ে বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে আমফান, বুলবুল, যশের মতো বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে এই এলাকার প্রভূত ক্ষতি হয়েছে। সেই ক্ষত সারিয়ে ফের নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগামী দিনের প্রধানমন্ত্রী, জানালেন কপিলমুনি আশ্রম মহান্ত

আপডেট : ২৮ ডিসেম্বর ২০২১, মঙ্গলবার

নতুন গতি নিউজ ডেস্ক:লড়াই, সংগ্রামই তাঁর রাজনৈতিক জীবনের মূল মন্ত্র। সেই পথে হেঁটেই বিরোধী দলনেত্রী থেকে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। এবার লক্ষ্য দিল্লির দখল নেওয়া। তাঁকেই পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান বিভিন্ন শিবিরের রাজনৈতিক নেতারা। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনমনীয়, অপ্রতিরোধ্য। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী আপাতত তিনদিনের গঙ্গাসাগর সফরে। মঙ্গলবার সেখানে পৌঁছে কপিলমুনির আশ্রমে পুজো দিয়েছেন। আর তারপরই তাঁকে পাশে নিয়ে কার্যত ভবিষ্যৎবাণী করলেন আশ্রমের প্রধান জ্ঞানদাস মহান্ত। বললেন, ”প্রধানমন্ত্রী হওয়া থেকে মমতাকে কেউ রুখতে পারবে না। তাঁকেই প্রধানমন্ত্রী দেখতে চাই আমরা।”

মুখ্যমন্ত্রী থেকে প্রধানমন্ত্রী পদে উত্তরণের লক্ষ্যে এগোচ্ছে তৃণমূলও। জাতীয় স্তরে সংগঠন বৃদ্ধিতে জোর দেওয়া হচ্ছে। সেইমতো বদলাচ্ছে কর্মসূচির ধরনও। নানা রাজ্য়ে সংগঠনের বিস্তার ঘটানোর কাজ চলছে পুরোদমে। এই পরিস্থিতিতে কপিলমুনির আশ্রমের মহান্তর কথা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে বাংলার শাসকদল। তিন দফায় নবান্ন সামলানো মমতাকে এবার দিল্লির দরবারে দেখতে চান অনেকেই।  শাসকদলের মত, জ্ঞানদাস মহান্তর এহেন মন্তব্য আসলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি আশীর্বাদই।

এদিন বিকেলে কপিলমুনির আশ্রম থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী। এই মেলার পবিত্রতা সম্পর্কে বলতে গিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে নালিশের সুর শোনা গেল তাঁর গলায়। মমতা বক্তব্য, ”এই মেলা কুম্ভ মেলার চেয়ে কোনও কম পবিত্র নয়। কথায় বলে – সব তীর্থ বারবার/ গঙ্গাসাগর একবার। আমরা বহুবার কেন্দ্রীয় সরকারকে চিঠি লিখে আবেদন জানিয়েছি, এই  মেলাকে জাতীয় স্বীকৃতি দেওয়া হোক। কিন্তু কোনও সাড়া পাইনি। একে দ্রুতই জাতীয় মেলা ঘোষণা করা উচিত বলে মনে করি।” মেলায় যাতায়াতের জন্য একটি ব্রিজ দরকার। তা এখনও তৈরি না হওয়ায় মানুষজনের সমস্যা নিয়েও এদিন কেন্দ্রকে একহাত নিলেন তিনি।  বললেন, ”এই ব্রিজ করে দেওয়ার জন্যও বারবার কেন্দ্রকে বলা হয়েছে। কিন্তু তাতেও আমরা সাড়া পাইনি। আমাদের কাজ আমরাই করব। আমাদের টাকাপয়সা হলে ব্রিজটা বানিয়ে দেব।”

কপিলমুনির আশ্রম থেকে মুখ্যমন্ত্রী চলে যান ভারত সেবাশ্রম সংঘে। সেখানে পুজো দিয়ে, সন্ন্যাসীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে কথাবার্তা বলেন। এখান থেকেই গঙ্গাসাগর এলাকার উপর প্রাকৃতিক বিপর্যয় নিয়ে বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী। এ প্রসঙ্গে আমফান, বুলবুল, যশের মতো বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে এই এলাকার প্রভূত ক্ষতি হয়েছে। সেই ক্ষত সারিয়ে ফের নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়।