৩১ মে ২০২৬, রবিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
৩১ মে ২০২৬, রবিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

দু বছরের ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুর পাশে “চলো পাল্টাই”

রিজিয়া খাতুন, হলদিয়া 

এখনও ভালো করে কথা বলতে শেখেনি পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া দক্ষিণচকের বিনয় মাইতির ছেলে সন্দীপ। পৃথিবীর কিছুই দেখা হয়নি দু বছর দশ মাসের শিশুর। তার মধ্যেই হারিয়ে ফেলেছে তার একটি চোখ এবং শিকার হয়েছে ক্যান্সারের।

দু বছর দশ মাসের ফুটফুটে শিশুটি কে দেখে বোঝা যায়না ওর শরীরে মৃত্যু দানা বাঁধছে প্রতি দিন প্রতিটি মুহূর্তে। বাবা বিনয় বাবু গ্রামে গ্রামে বরফ ফেরি করে বেড়ান। বাড়িতে দুই মেয়ে ও সন্দীপকে নিয়ে সংসার চালিয়ে ছেলের চিকিৎসা করাতে হিমশিম খাচ্ছেন মা ও বাবা দুজনেই।

আত্মীয় স্বজনের সহযোগিতায় কিছুটা চিকিৎসা পেলেও এই মুহুর্তে বিনয় বাবু ভীষণ অসহায়।
গতকাল এই পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়ে চলো_পাল্টাই নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে বর্ণালি দাস জানা ও নিরঞ্জন মাঝির তত্ত্বাবধানে একটি প্রতিনিধি দল দক্ষিণচক গ্রামে আসে। সংগঠনের পক্ষ থেকে কিছু আর্থিক সহযোগিতাও তুলে দেওয়া হয় সন্দীপ এর বাবার হাতে। সেই সঙ্গে সংগঠনের হলদিয়া পুরসভা এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত মতিলাল দাস বলেন, সাংগঠনিক ভাবে আমরা কিছুটা যেমন সহযোগিতা করেছি, এরকম ভাবে যদি বাকিরাও এগিয়ে আসেন তাহলে শিশুটি কে সঠিক চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে। রাজকমল বাবু জানান আমি আমার নিজের সন্তান কে হারিয়েছি তাই সন্তান হারানোর যন্ত্রণাটা বুঝি, যাতে আমার মতো কষ্ট বিনয় বাবুকে পেতে না হয় সেই কামনা করে আমরা ওনার পাশে আছি।

এলাকার বাসিন্দারা জানান ছোট্ট সন্দীপ এই বয়সেই কিন্তু ভীষন জনপ্রিয় তার বাড়ির আশেপাশে। তার কারণ সে ভীষণ হাসিখুশি ও প্রাণবন্ত শিশু। একটি চোখ হারিয়ে গেলেও তাকে দেখে বোঝা যায়না সে কেবল এক চোখে এই পৃথিবী কে দেখে। সংগঠনের সম্পাদক মধুসূদন পড়ুয়া জানিয়েছেন, আমরা মুম্বইয়ে টাটা মেমোরিয়াল সেন্টার সঙ্গে যোগাযোগের ব্যাবস্থা করছি যাতে শিশুটি সঠিক চিকিৎসা পায় তার জন্যে আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাবো।

ইন্দ্রনীল সেনের ঘনিষ্ঠ ভদ্রেশ্বর পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

দু বছরের ক্যান্সার আক্রান্ত শিশুর পাশে “চলো পাল্টাই”

আপডেট : ৮ জানুয়ারী ২০১৯, মঙ্গলবার

রিজিয়া খাতুন, হলদিয়া 

এখনও ভালো করে কথা বলতে শেখেনি পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া দক্ষিণচকের বিনয় মাইতির ছেলে সন্দীপ। পৃথিবীর কিছুই দেখা হয়নি দু বছর দশ মাসের শিশুর। তার মধ্যেই হারিয়ে ফেলেছে তার একটি চোখ এবং শিকার হয়েছে ক্যান্সারের।

দু বছর দশ মাসের ফুটফুটে শিশুটি কে দেখে বোঝা যায়না ওর শরীরে মৃত্যু দানা বাঁধছে প্রতি দিন প্রতিটি মুহূর্তে। বাবা বিনয় বাবু গ্রামে গ্রামে বরফ ফেরি করে বেড়ান। বাড়িতে দুই মেয়ে ও সন্দীপকে নিয়ে সংসার চালিয়ে ছেলের চিকিৎসা করাতে হিমশিম খাচ্ছেন মা ও বাবা দুজনেই।

আত্মীয় স্বজনের সহযোগিতায় কিছুটা চিকিৎসা পেলেও এই মুহুর্তে বিনয় বাবু ভীষণ অসহায়।
গতকাল এই পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়ে চলো_পাল্টাই নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে বর্ণালি দাস জানা ও নিরঞ্জন মাঝির তত্ত্বাবধানে একটি প্রতিনিধি দল দক্ষিণচক গ্রামে আসে। সংগঠনের পক্ষ থেকে কিছু আর্থিক সহযোগিতাও তুলে দেওয়া হয় সন্দীপ এর বাবার হাতে। সেই সঙ্গে সংগঠনের হলদিয়া পুরসভা এলাকার দায়িত্বপ্রাপ্ত মতিলাল দাস বলেন, সাংগঠনিক ভাবে আমরা কিছুটা যেমন সহযোগিতা করেছি, এরকম ভাবে যদি বাকিরাও এগিয়ে আসেন তাহলে শিশুটি কে সঠিক চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে। রাজকমল বাবু জানান আমি আমার নিজের সন্তান কে হারিয়েছি তাই সন্তান হারানোর যন্ত্রণাটা বুঝি, যাতে আমার মতো কষ্ট বিনয় বাবুকে পেতে না হয় সেই কামনা করে আমরা ওনার পাশে আছি।

এলাকার বাসিন্দারা জানান ছোট্ট সন্দীপ এই বয়সেই কিন্তু ভীষন জনপ্রিয় তার বাড়ির আশেপাশে। তার কারণ সে ভীষণ হাসিখুশি ও প্রাণবন্ত শিশু। একটি চোখ হারিয়ে গেলেও তাকে দেখে বোঝা যায়না সে কেবল এক চোখে এই পৃথিবী কে দেখে। সংগঠনের সম্পাদক মধুসূদন পড়ুয়া জানিয়েছেন, আমরা মুম্বইয়ে টাটা মেমোরিয়াল সেন্টার সঙ্গে যোগাযোগের ব্যাবস্থা করছি যাতে শিশুটি সঠিক চিকিৎসা পায় তার জন্যে আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করে যাবো।