২৪ জুন ২০২৬, বুধবার, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
২৪ জুন ২০২৬, বুধবার, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩

রাজ্যের প্রতিটি পুজো কমিটিকে পঞ্চাশ হাজার টাকার অনুদান বিতরণ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

নতুন গতি ডেস্ক :  সম্প্রীতির পীঠস্থান পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব যথোচিত মর্যাদার সঙ্গে পালিত হয়ে আসছে সুদীর্ঘকাল ধরে। বাঙালি সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজা মহাসাড়ম্বরে পালিত হয় ছোট এবং বড় বাজেটের পুজো কমিটি গুলির দ্বারা। কিন্তু করোনা মহামারীর কবলে পড়ে অর্থনৈতিক অবস্থা শোচনীয় হলে পশ্চিমবঙ্গের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন রাজ্যের প্রতিটি পুজো কমিটিকে পঞ্চাশ হাজার টাকার অনুদান দেওয়া হবে। রাজ্য প্রশাসনের অর্থানুকুল্যে সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারীকরন এবং পঞ্চায়েত সমিতির যৌথ প্রয়াসে বিভিন্ন ব্লকের পুজো কমিটি গুলির হাতে অনুদানের কিস্তির টাকা তুলে দেওয়া হচ্ছে।


শনিবার উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার দেগঙ্গা পঞ্চায়েত সমিতির উত্তরণ সভাকক্ষে এসডিপিও শ্রী সৌম্যজিৎ বড়ুয়া, চেক প্রদান করার সময় বলেন , সম্প্রীতির অন্যতম পীঠস্থান পশ্চিমবঙ্গে যেভাবে বিভিন্ন উৎসব পালন করা হয়ে থাকে তার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দুর্গোৎসব। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন যেভাবে একটা ধর্ম অন্য ধর্মের প্রতি সহিষ্ণুতা দেখায় সেই পথেই জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সমানভাবে এগিয়ে চলবে।
জেলা পরিষদের বন ও ভূমি স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ তথা বিশিষ্ট সমাজসেবী জনাব এ কে এম ফারহাদ, আসন্ন দুর্গোৎসব উপলক্ষে সকলকে অগ্রিম শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি তার বক্তব্যে বাংলার জনদরদি মুখ্যমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা শোনা যায়। তিনি বলেন , সমাজের প্রত্যেকটি অংশে যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী অবদানের ছাপ রেখে চলেছে তা অনন্য। এই বাংলার মাটি দুর্জয়ের ঘাঁটি। এখানে কোন বিভাজিত শক্তি মাথা তুলে দাড়াতে পারবে না বলে তিনি ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন যেভাবে শান্তি সম্প্রীতি উন্নয়নের ধারা বজায় রেখে বাংলা এগিয়ে চলেছে তা আগামী দিনে বাংলা পথ দেখাবে পুরো দেশকে। সবশেষে তিনি বলেন করোনা আবহের মধ্যে সকলে দূরত্ব বজায় রেখে মাক্স, স্যানিটাইজার ব্যবহার করার অনুরোধ জানান।
পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মহিদুল হক সাহাজি বলেন,  দেগঙ্গা এলাকার প্রত্যেকটি পুজো কমিটির কর্তাব্যক্তিদের হাতে চেক প্রদান করতে পেরে আমরা খুশি। তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমাদের মানবিক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে। আমরা আশা করি শান্তিপূর্ণভাবে উৎসবের দিন গুলো সবাই মিলেমিশে পালন করব। অন্যান্য বিশিষ্ট জনের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক শ্রী সুব্রত মল্লিক, স্থানীয় থানার আইসি অজয় কুমার সিংহ, জেলা পরিষদের সদস্য ঊষা দাস, পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ অসিত বাবু, আব্দুল অদুদ মিন্টু, প্রধানদের মধ্যে ছিলেন বাবলু পাড়ুই, হুমায়ুন রেজা চৌধুরী, শম্পা কাহার, সহ অন্যান্যরা।

বোলপুরে ধৃত দাপুটে তৃণমূল নেতা আব্দুল মান্নান সহ ৪, ডিম ছুঁড়ে বিক্ষোভ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রাজ্যের প্রতিটি পুজো কমিটিকে পঞ্চাশ হাজার টাকার অনুদান বিতরণ, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

আপডেট : ৯ অক্টোবর ২০২১, শনিবার

নতুন গতি ডেস্ক :  সম্প্রীতির পীঠস্থান পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব যথোচিত মর্যাদার সঙ্গে পালিত হয়ে আসছে সুদীর্ঘকাল ধরে। বাঙালি সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপূজা মহাসাড়ম্বরে পালিত হয় ছোট এবং বড় বাজেটের পুজো কমিটি গুলির দ্বারা। কিন্তু করোনা মহামারীর কবলে পড়ে অর্থনৈতিক অবস্থা শোচনীয় হলে পশ্চিমবঙ্গের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন রাজ্যের প্রতিটি পুজো কমিটিকে পঞ্চাশ হাজার টাকার অনুদান দেওয়া হবে। রাজ্য প্রশাসনের অর্থানুকুল্যে সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারীকরন এবং পঞ্চায়েত সমিতির যৌথ প্রয়াসে বিভিন্ন ব্লকের পুজো কমিটি গুলির হাতে অনুদানের কিস্তির টাকা তুলে দেওয়া হচ্ছে।


শনিবার উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার দেগঙ্গা পঞ্চায়েত সমিতির উত্তরণ সভাকক্ষে এসডিপিও শ্রী সৌম্যজিৎ বড়ুয়া, চেক প্রদান করার সময় বলেন , সম্প্রীতির অন্যতম পীঠস্থান পশ্চিমবঙ্গে যেভাবে বিভিন্ন উৎসব পালন করা হয়ে থাকে তার মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ দুর্গোৎসব। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন যেভাবে একটা ধর্ম অন্য ধর্মের প্রতি সহিষ্ণুতা দেখায় সেই পথেই জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই সমানভাবে এগিয়ে চলবে।
জেলা পরিষদের বন ও ভূমি স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ তথা বিশিষ্ট সমাজসেবী জনাব এ কে এম ফারহাদ, আসন্ন দুর্গোৎসব উপলক্ষে সকলকে অগ্রিম শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি তার বক্তব্যে বাংলার জনদরদি মুখ্যমন্ত্রীর ভূয়সী প্রশংসা শোনা যায়। তিনি বলেন , সমাজের প্রত্যেকটি অংশে যেভাবে মুখ্যমন্ত্রী অবদানের ছাপ রেখে চলেছে তা অনন্য। এই বাংলার মাটি দুর্জয়ের ঘাঁটি। এখানে কোন বিভাজিত শক্তি মাথা তুলে দাড়াতে পারবে না বলে তিনি ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন যেভাবে শান্তি সম্প্রীতি উন্নয়নের ধারা বজায় রেখে বাংলা এগিয়ে চলেছে তা আগামী দিনে বাংলা পথ দেখাবে পুরো দেশকে। সবশেষে তিনি বলেন করোনা আবহের মধ্যে সকলে দূরত্ব বজায় রেখে মাক্স, স্যানিটাইজার ব্যবহার করার অনুরোধ জানান।
পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মহিদুল হক সাহাজি বলেন,  দেগঙ্গা এলাকার প্রত্যেকটি পুজো কমিটির কর্তাব্যক্তিদের হাতে চেক প্রদান করতে পেরে আমরা খুশি। তার জন্য আমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি আমাদের মানবিক মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে। আমরা আশা করি শান্তিপূর্ণভাবে উৎসবের দিন গুলো সবাই মিলেমিশে পালন করব। অন্যান্য বিশিষ্ট জনের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক শ্রী সুব্রত মল্লিক, স্থানীয় থানার আইসি অজয় কুমার সিংহ, জেলা পরিষদের সদস্য ঊষা দাস, পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ অসিত বাবু, আব্দুল অদুদ মিন্টু, প্রধানদের মধ্যে ছিলেন বাবলু পাড়ুই, হুমায়ুন রেজা চৌধুরী, শম্পা কাহার, সহ অন্যান্যরা।