২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
২৮ এপ্রিল ২০২৬, মঙ্গলবার, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩

চাঁচল থেকে ২ কিমি দুরে শুরু হয়েছে ২ দিনের জমজমাট উরস মেলা

উজির আলি,চাঁচল:শনিবার থেকে শুরু হয়েছে হজরত নিজামুদ্দিন পীরের স্মরনে বাৎসরিক উরস অনুষ্ঠান। মালদহের চাঁচল সদর লাগোয়া কলিগ্রামের শহরবাগে আয়োজিত এই মেলা চলবে শনিবার ও রবিবার।এবার ৩৬ বছরে পদার্পণ করল এই মেলা বলে কমিটি সূত্রে জানা গেছে।কলিগ্রামে এই উরস উপলক্ষে এলাকার সব সম্প্রদায়ের মানুষ ভিড় জমান ওখানে।হজরত নিজামুদ্দিনের মাজারে চাদর,সিন্নী ও ডালা ঘুরিয়ে পীরের প্রতি প্রার্থনা নিবেদন করেন ভক্তরা।কথোপকথনে পীরবাবার পুত্র ইমদাদুল্লাহ শেখের মুখে জানা গেল,পরম্পরা অনুযায়ী আমি দেখে এসেছি এলাকার মানুষ কোনো সমস্যায় পড়লে বা বাড়িতে কোনো শুভ অনুষ্ঠান হলে,পীরবাবার কাছে সিননি দিয়ে প্রার্থনা করেন।পীরবাবার পুত্র আরোও বলেন, ১৯৮০ সালে বাবা ১০০ টাকা দরে ৫ কাঠা ভিটেমাটি ক্রয় করেন।১৯৮৫ সালে বাবা ইন্তেকাল করেন। এবং সেই জায়গায় তখন কাঁচা সমাধিস্থল করা হলেও পরে তা পাকা ও মার্বেলে পরিপূর্ণ করা হয়।

 

এবছর উরসকে কেন্দ্র করে দুদিন ব্যাপী জালসা,কাওয়ালি ও কোরান পাঠের মাধ্যমে পীরবাবাকে শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে।প্রতি বছরের ন্যায় এবছর একটু আলাদা।প্রতিবারের মতো এবারও গ্রাম্য কমিটির পক্ষ থেকে এবছরও উরস কমিটি গঠন করা হয়েছে।উরস মেলায় প্রচুর সমাগম ঘটছে তাই ভিড় সামাল দিতে সদস‍্যরা তৎপর রয়েছে বলে জানিয়েছেন কমিটির দিলদার হোসেন।তবে গত ৩৬ বছর ধরে নিজামুদ্দিন পীরের উরসে বিভিন্ন ভাবে সহায়তা করে আসছেন এলাকার মানুষ।এবারও গ্রামীবাসীদের উদ‍্যোগে মহাসমারোহে চলছে দুদিনের উরস মেলা।

সিউড়িতে ধর্ষণ অভিযোগে বিজেপি নেতা গ্রেফতার, চাঞ্চল্য বীরভূমে

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

চাঁচল থেকে ২ কিমি দুরে শুরু হয়েছে ২ দিনের জমজমাট উরস মেলা

আপডেট : ২৮ মার্চ ২০২১, রবিবার

উজির আলি,চাঁচল:শনিবার থেকে শুরু হয়েছে হজরত নিজামুদ্দিন পীরের স্মরনে বাৎসরিক উরস অনুষ্ঠান। মালদহের চাঁচল সদর লাগোয়া কলিগ্রামের শহরবাগে আয়োজিত এই মেলা চলবে শনিবার ও রবিবার।এবার ৩৬ বছরে পদার্পণ করল এই মেলা বলে কমিটি সূত্রে জানা গেছে।কলিগ্রামে এই উরস উপলক্ষে এলাকার সব সম্প্রদায়ের মানুষ ভিড় জমান ওখানে।হজরত নিজামুদ্দিনের মাজারে চাদর,সিন্নী ও ডালা ঘুরিয়ে পীরের প্রতি প্রার্থনা নিবেদন করেন ভক্তরা।কথোপকথনে পীরবাবার পুত্র ইমদাদুল্লাহ শেখের মুখে জানা গেল,পরম্পরা অনুযায়ী আমি দেখে এসেছি এলাকার মানুষ কোনো সমস্যায় পড়লে বা বাড়িতে কোনো শুভ অনুষ্ঠান হলে,পীরবাবার কাছে সিননি দিয়ে প্রার্থনা করেন।পীরবাবার পুত্র আরোও বলেন, ১৯৮০ সালে বাবা ১০০ টাকা দরে ৫ কাঠা ভিটেমাটি ক্রয় করেন।১৯৮৫ সালে বাবা ইন্তেকাল করেন। এবং সেই জায়গায় তখন কাঁচা সমাধিস্থল করা হলেও পরে তা পাকা ও মার্বেলে পরিপূর্ণ করা হয়।

 

এবছর উরসকে কেন্দ্র করে দুদিন ব্যাপী জালসা,কাওয়ালি ও কোরান পাঠের মাধ্যমে পীরবাবাকে শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে।প্রতি বছরের ন্যায় এবছর একটু আলাদা।প্রতিবারের মতো এবারও গ্রাম্য কমিটির পক্ষ থেকে এবছরও উরস কমিটি গঠন করা হয়েছে।উরস মেলায় প্রচুর সমাগম ঘটছে তাই ভিড় সামাল দিতে সদস‍্যরা তৎপর রয়েছে বলে জানিয়েছেন কমিটির দিলদার হোসেন।তবে গত ৩৬ বছর ধরে নিজামুদ্দিন পীরের উরসে বিভিন্ন ভাবে সহায়তা করে আসছেন এলাকার মানুষ।এবারও গ্রামীবাসীদের উদ‍্যোগে মহাসমারোহে চলছে দুদিনের উরস মেলা।