২১ জুন ২০২৬, রবিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩
২১ জুন ২০২৬, রবিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩

রণক্ষেত্র হুগলির শ্রীরামপুর, সিআইএসএফের লাঠির ঘায়ে জখম তৃণমূলীরা

রণক্ষেত্র হুগলির শ্রীরামপুর, সিআইএসএফের লাঠির ঘায়ে জখম তৃণমূলীরা

 

 

নতুন গতি প্রতিবেদক : তৃণমূল কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠল বিজেপি নেতার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষীদের বিরুদ্ধে। ঘটনা ঘিরে রবিবার রাতে কার্যত রণক্ষেত্রে চেহারা নিল হুগলির শ্রীরামপুর। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী গুরুতর জখম হয়েছেন বলে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, শ্রীরামপুর থানা গঙ্গার ধার এলাকায় একটি আবাসনে বসবাস করেন বিজেপির রাজ্য নেতা কবির শংকর বসু। তার কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তারক্ষী রয়েছে। এদিন তারা যখন তারা আবাসন সংলগ্ন এলাকায় বসে উন্নয়ন নিয়ে একটি বৈঠক করছিলেন, সেই সময় গাড়ি বের করা নিয়ে শুরু হয় দুপক্ষের মধ্যে বচসা। এরপরেই সিআইএসএফ অতর্কিতে তাদের ওপর বেধড়ক লাঠিচার্জ করে। এমনকি সিআইএসএফের হাত থেকে রক্ষা পায়নি মহিলারা বলেও দাবি করা হয়েছে তৃণমূলের তরফে। এরপরে আস্তে আস্তে তেতে ওঠে গোটা এলাকা।

 

ঘটনার খবর জানার পরে এলাকায় পৌঁছান রাজ্য তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটর তথা স্থানীয় সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযুক্তদের গ্রেফতারসহ এই ঘটনার পেছনে রাজ্যপালের মদত রয়েছে বলে দাবি তুলে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখান তিনি। চলে রাজ্যপালকে কটাক্ষ করে স্লোগানও।কল্যানবাবু জানান, কবির শংকর বসু বিজেপি নেতা বলে পরিচিত। তার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষী রয়েছে। তাদের দলের কর্মীরা যখন একটি দলীয় কর্মসূচি করছিলেন সেই সময় অতর্কিতে তাদের ওপর হামলা চালায় তার নিরাপত্তারক্ষীরা। লাঠির আঘাতে বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। ওই বিজেপি নেতা রাজ্যপালের সাথে সুসম্পর্ক রেখে চলেন। আসলে বাংলার অশান্তির পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে রাজ্যপাল। শ্রীরামপুর অশান্ত করতে চাইছে রাজ্যপাললের ইন্ধনে এই বিজেপি নেতা। অতি দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা না হলে এই বিক্ষোভ চলবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন কল্যাণবাবু। এরপর দফায় দফায় বিজেপি নেতার বাড়ির সামনে চলে অবস্থান-বিক্ষোভ। বিক্ষোভকারীদেরও দাবি যেভাবে সিআইএসএফ অমানবিকভাবে তাদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে এটা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায়না।

রেললাইনের পাশে পড়ে যুবক, আত্মহত্যার চেষ্টা নাকি দুর্ঘটনা? ধোঁয়াশায় বামনহাট

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

রণক্ষেত্র হুগলির শ্রীরামপুর, সিআইএসএফের লাঠির ঘায়ে জখম তৃণমূলীরা

আপডেট : ৭ ডিসেম্বর ২০২০, সোমবার

রণক্ষেত্র হুগলির শ্রীরামপুর, সিআইএসএফের লাঠির ঘায়ে জখম তৃণমূলীরা

 

 

নতুন গতি প্রতিবেদক : তৃণমূল কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠল বিজেপি নেতার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষীদের বিরুদ্ধে। ঘটনা ঘিরে রবিবার রাতে কার্যত রণক্ষেত্রে চেহারা নিল হুগলির শ্রীরামপুর। এই ঘটনায় বেশ কয়েকজন তৃণমূল কর্মী গুরুতর জখম হয়েছেন বলে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, শ্রীরামপুর থানা গঙ্গার ধার এলাকায় একটি আবাসনে বসবাস করেন বিজেপির রাজ্য নেতা কবির শংকর বসু। তার কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তারক্ষী রয়েছে। এদিন তারা যখন তারা আবাসন সংলগ্ন এলাকায় বসে উন্নয়ন নিয়ে একটি বৈঠক করছিলেন, সেই সময় গাড়ি বের করা নিয়ে শুরু হয় দুপক্ষের মধ্যে বচসা। এরপরেই সিআইএসএফ অতর্কিতে তাদের ওপর বেধড়ক লাঠিচার্জ করে। এমনকি সিআইএসএফের হাত থেকে রক্ষা পায়নি মহিলারা বলেও দাবি করা হয়েছে তৃণমূলের তরফে। এরপরে আস্তে আস্তে তেতে ওঠে গোটা এলাকা।

 

ঘটনার খবর জানার পরে এলাকায় পৌঁছান রাজ্য তৃণমূলের কো-অর্ডিনেটর তথা স্থানীয় সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযুক্তদের গ্রেফতারসহ এই ঘটনার পেছনে রাজ্যপালের মদত রয়েছে বলে দাবি তুলে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখান তিনি। চলে রাজ্যপালকে কটাক্ষ করে স্লোগানও।কল্যানবাবু জানান, কবির শংকর বসু বিজেপি নেতা বলে পরিচিত। তার কেন্দ্রীয় নিরাপত্তারক্ষী রয়েছে। তাদের দলের কর্মীরা যখন একটি দলীয় কর্মসূচি করছিলেন সেই সময় অতর্কিতে তাদের ওপর হামলা চালায় তার নিরাপত্তারক্ষীরা। লাঠির আঘাতে বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। ওই বিজেপি নেতা রাজ্যপালের সাথে সুসম্পর্ক রেখে চলেন। আসলে বাংলার অশান্তির পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে রাজ্যপাল। শ্রীরামপুর অশান্ত করতে চাইছে রাজ্যপাললের ইন্ধনে এই বিজেপি নেতা। অতি দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা না হলে এই বিক্ষোভ চলবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন কল্যাণবাবু। এরপর দফায় দফায় বিজেপি নেতার বাড়ির সামনে চলে অবস্থান-বিক্ষোভ। বিক্ষোভকারীদেরও দাবি যেভাবে সিআইএসএফ অমানবিকভাবে তাদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে এটা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া যায়না।