৩১ মে ২০২৬, রবিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
৩১ মে ২০২৬, রবিবার, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালে অগ্নিকাণ্ড; গুরুতর আহত ১৩

  • নতুন গতি
  • আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার
  • 4

নিজস্ব সংবাদদাতা; হলদিয়া: বিশ্বকর্মা পুজোর আনন্দ মুহূর্তের রেস কাটতে না কাটতেই আজ দুপুর নাগাদ পূর্ব মেদিনীপুর জেলার হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যাল ন্যাপথা ক্র্যাকার ইউনিটে মেরামতির সময় হঠাৎ অগ্নিসংযোগ ঘটে যায়। এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে কারখানায় শ্রমিকদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এই ঘটনার জেরে আহত হয়েছেন প্রায় ১৩ জন। এদের মধ্যে ৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। দমকল বাহিনীদের দীর্ঘ সময়ের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও, সন্ধ্যা পর্যন্ত আগুন ছিল বলে জানা গিয়েছে।

ঘটনায় দিল্লি থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এবং পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দ্রুত তত্ত্বাবধানে বিশেষ অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যেই আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করে গ্রিন করিডোরের মাধ্যমে রোগীদের কলকাতায় পাঠানো হয়েছে। অপরদিকে কারখানায় মেডিক্যাল টিম থাকা সত্বেও রোগীদের সেবার কাজে লাগানো হয়নি বলে জানা গিয়েছে।

অপরদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে বিশাল পুলিশ বাহিনী। এছাড়াও ছুটে আসেন হলদিয়ার সমাজসেবী সৈকত সেন এবং সেক আরমান। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে থেমে থাকেননি INTTUC-র সভাপতি দীপ নারায়ণ কুইতি, সম্পাদক দীপঙ্কর দাস। কাউন্সিলর প্রদীপ দাস, আজিজুল রহমান, সঞ্জীব পট্টনায়েক, বাবুলাল সামন্ত সহ অন্যান্যরা।

কারখানা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আনার চেষ্টায় তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

ইন্দ্রনীল সেনের ঘনিষ্ঠ ভদ্রেশ্বর পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালে অগ্নিকাণ্ড; গুরুতর আহত ১৩

আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, শুক্রবার

নিজস্ব সংবাদদাতা; হলদিয়া: বিশ্বকর্মা পুজোর আনন্দ মুহূর্তের রেস কাটতে না কাটতেই আজ দুপুর নাগাদ পূর্ব মেদিনীপুর জেলার হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যাল ন্যাপথা ক্র্যাকার ইউনিটে মেরামতির সময় হঠাৎ অগ্নিসংযোগ ঘটে যায়। এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ফলে কারখানায় শ্রমিকদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এই ঘটনার জেরে আহত হয়েছেন প্রায় ১৩ জন। এদের মধ্যে ৬ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। দমকল বাহিনীদের দীর্ঘ সময়ের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও, সন্ধ্যা পর্যন্ত আগুন ছিল বলে জানা গিয়েছে।

ঘটনায় দিল্লি থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এবং পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দ্রুত তত্ত্বাবধানে বিশেষ অ্যাম্বুলেন্সের মধ্যেই আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করে গ্রিন করিডোরের মাধ্যমে রোগীদের কলকাতায় পাঠানো হয়েছে। অপরদিকে কারখানায় মেডিক্যাল টিম থাকা সত্বেও রোগীদের সেবার কাজে লাগানো হয়নি বলে জানা গিয়েছে।

অপরদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে বিশাল পুলিশ বাহিনী। এছাড়াও ছুটে আসেন হলদিয়ার সমাজসেবী সৈকত সেন এবং সেক আরমান। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে থেমে থাকেননি INTTUC-র সভাপতি দীপ নারায়ণ কুইতি, সম্পাদক দীপঙ্কর দাস। কাউন্সিলর প্রদীপ দাস, আজিজুল রহমান, সঞ্জীব পট্টনায়েক, বাবুলাল সামন্ত সহ অন্যান্যরা।

কারখানা পরিস্থিতি স্বাভাবিক আনার চেষ্টায় তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।