২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩
২৬ জুন ২০২৬, শুক্রবার, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩

NRC মামলায় জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী A S Tapadar সাহেবের পরামর্শ

নিজস্ব প্রতিনিধি : গুয়াহাটি হাইকোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী,করিমগঞ্জের কৃতি সন্তান,এনআরসি মামলায় জমিয়তের হয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আইনজীবী A S Tapadar সাহেবের পরামর্শ মতে NRC তে বাদ পড়া যেসব বৈধ নাগরিক ট্রাইবুনেলে আবেদনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, তাঁরা অতি সত্ত্বর নিম্নলিখিত নথিগুলো জোগাড় করুন, ১২০ দিনের মধ্যে আবেদন করতেই হবে।

১) নাম অন্তর্ভুক্ত না হওয়ার অফিসিয়ালি প্রমাণপত্র, এনআরসি’তে পুনরাবেদন করার ফর্ম। বিবাহিত মহিলাদের ক্ষেত্রে স্বামী এবং বাবার বাড়ি উভয় পরিবারের এনআরসির আবেদনের ফর্ম সংগ্রহ করুন বংশবৃক্ষের মিল দেখাতে।

২)১৯৫১ সালের লিগ্যাসি (যদি থাকে)

৩) বৈধ শরণার্থী সার্টিফিকেট/ নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট/রিলিফ এলিজিবিলিটি সার্টিফিকেট

৪)১৯৬৬ সালের ভোটার তালিকার সার্টিফাইড কপি বা অন্য কোনো ডকুমেন্ট।

৫) ১৯৭০ এবং ১৯৭১ সালের ভোটার তালিকার সার্টিফাইড কপি বা অন্য কোনো প্রমাণপত্র ।

৬) সম্ভব হলে ১৯৬৬ সন থেকে ২০১৯ পর্যন্ত ভোটার তালিকার সার্টিফাইড কপি জোগাড় করে রাখুন। মনে রাখবেন সার্টিফাইড কপি বাদে কোনো জেরক্স ভোটার লিস্ট গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে। সার্টিফাইড কপি বের করার সময় শুধু আবেদনকারীর নামে না এনে পরিবারের সবার নাম অন্তর্ভুক্ত করিয়ে আনবেন। যাতে মা-বাবা, ভাই-বোন দাদা/ঠাকুরদার সাথে একটা লিংকেজ বুঝা যায়।

৭)আবেদকারী যে সালে সর্বপ্রথম ভোটাধিকার পেয়েছেন সেই নির্দিষ্ট সালের ভোটার তালিকার সার্টিফাইড কপি।

৮) জন্মের প্রমাণপত্র অথবা জন্মের তারিখ উল্লেখ থাকা অন্যান্য বৈধ কোনো কাগজপত্র

৯) বাবা অথবা কোনো পুর্বপুরুষের Death Certificate যদি থাকে।

১০) Mutation Certificate সহ জমির দলিল এবং খাজনা প্রদানের রসিদ। জমির দলিলের মূল কপি না থাকলে সার্টিফাইড কপি জোগাড় করতে হবে। জেরক্স কপি দিয়ে চলবে না।

১১) মাধ্যমিক/উচ্চমাধ্যমিক/ইউনিভার্সিটি প্রদত্ত সার্টিফিকেট এবং এডমিট কার্ড।

১২) লিংকেজ ডকুমেন্ট যেমন- পঞ্চায়েত সার্টিফিকেট, ব্যাংক পাসবুক, ড্রাইবিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট, রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড, বীমার কাগজপত্র, আধারকার্ড, পেন কার্ড ইত্যাদি।

১৩) অন্যান্য কোনো বৈধ নথি যেগুলো ভারতীয় হিসাবে পুর্বপুরুষের সাথে লিংকেজ প্রমাণে সাহায্য করবে।

১৩) যদি আপনি আপনার বাসস্থান এক বা একাধিকবার পরিবর্তন করেছেন তার একটা প্রমাণপত্র৷ যেমন-কখন, কীভাবে, কোথা থেকে কোথায় এসেছেন/গিয়েছেন।

১৫) মহিলাদের ক্ষেত্রে মেরেজ সার্টিফিকেট/বিবাহের প্রমাণপত্র/রেজিস্ট্রার্ড কাবিন ।

১৬) কোনো ডকুমেন্টে বয়স, নামের বানান, ঠিকানা, উপাধি ভুল থাকলে সেটার Court Affidavit

১৭) আদালতের কোন কাগজ যেখানে আপনার কোনো আত্মীয়কে ভারতীয় বলে ঘোষণা করা হয়েছে এবং আপনি সে মামলায় সাক্ষী ছিলেন। এমন কোনো কাগজ থাকলে সেটার সার্টিফাইড কপি বের করে রাখুন, জেরক্স নয়।

১৮) ডি-ভোটারদের ক্ষেত্রে কখন, কোন সালে আপনি ডি-ভোটার হয়েছিলেন তার প্রমাণ। আপনার ডি-ভোটারের স্থিতি জানার পর ‘ডি’ মুছে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট কোনো আবেদন জানিয়েছিলেন কি? যদি জানিয়ে থাকেন সেটার প্রমাণপত্র।

১৯) এনআরসিতে আবেদন করার সময় যেসব প্রমাণপত্র জমা দিয়েছিলেন সেসব।

২০) এনআরসির প্রথম খসড়া এবং সম্পুর্ন খসড়ায় আপনার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়ছিল কী? যদি হয়, তাহলে সেটার কোনো প্রমাণ।

২১) আপনার পরিবারের যারা এনআরসিতে অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছেন তাঁদের ডিটেলস্।

২২) যেসব মহিলারা পড়াশুনা করেন নি। বাবার সাথে লিংকেজ প্রমাণ করবার বৈধ কোনো কাগজপত্র নেই। তারা বাবার বাড়ির ঠিকানা থেকে দুজন এবং স্বামীর বাড়ির ঠিকানা থেকে দুজন সিনিয়র সিটিজেন দ্বারা সাক্ষীর প্রমাণপত্র ঠিক করে রাখুন।

তারাতলায় বিপর্যয়, ভেঙে পড়লো বেসরকারি গুদামঘরের ছাদ

নতুন গতি © All rights reserved.| Developed by eTech Builder

NRC মামলায় জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী A S Tapadar সাহেবের পরামর্শ

আপডেট : ১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, রবিবার

নিজস্ব প্রতিনিধি : গুয়াহাটি হাইকোর্টের বিশিষ্ট আইনজীবী,করিমগঞ্জের কৃতি সন্তান,এনআরসি মামলায় জমিয়তের হয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আইনজীবী A S Tapadar সাহেবের পরামর্শ মতে NRC তে বাদ পড়া যেসব বৈধ নাগরিক ট্রাইবুনেলে আবেদনের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, তাঁরা অতি সত্ত্বর নিম্নলিখিত নথিগুলো জোগাড় করুন, ১২০ দিনের মধ্যে আবেদন করতেই হবে।

১) নাম অন্তর্ভুক্ত না হওয়ার অফিসিয়ালি প্রমাণপত্র, এনআরসি’তে পুনরাবেদন করার ফর্ম। বিবাহিত মহিলাদের ক্ষেত্রে স্বামী এবং বাবার বাড়ি উভয় পরিবারের এনআরসির আবেদনের ফর্ম সংগ্রহ করুন বংশবৃক্ষের মিল দেখাতে।

২)১৯৫১ সালের লিগ্যাসি (যদি থাকে)

৩) বৈধ শরণার্থী সার্টিফিকেট/ নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট/রিলিফ এলিজিবিলিটি সার্টিফিকেট

৪)১৯৬৬ সালের ভোটার তালিকার সার্টিফাইড কপি বা অন্য কোনো ডকুমেন্ট।

৫) ১৯৭০ এবং ১৯৭১ সালের ভোটার তালিকার সার্টিফাইড কপি বা অন্য কোনো প্রমাণপত্র ।

৬) সম্ভব হলে ১৯৬৬ সন থেকে ২০১৯ পর্যন্ত ভোটার তালিকার সার্টিফাইড কপি জোগাড় করে রাখুন। মনে রাখবেন সার্টিফাইড কপি বাদে কোনো জেরক্স ভোটার লিস্ট গ্রহণযোগ্য নাও হতে পারে। সার্টিফাইড কপি বের করার সময় শুধু আবেদনকারীর নামে না এনে পরিবারের সবার নাম অন্তর্ভুক্ত করিয়ে আনবেন। যাতে মা-বাবা, ভাই-বোন দাদা/ঠাকুরদার সাথে একটা লিংকেজ বুঝা যায়।

৭)আবেদকারী যে সালে সর্বপ্রথম ভোটাধিকার পেয়েছেন সেই নির্দিষ্ট সালের ভোটার তালিকার সার্টিফাইড কপি।

৮) জন্মের প্রমাণপত্র অথবা জন্মের তারিখ উল্লেখ থাকা অন্যান্য বৈধ কোনো কাগজপত্র

৯) বাবা অথবা কোনো পুর্বপুরুষের Death Certificate যদি থাকে।

১০) Mutation Certificate সহ জমির দলিল এবং খাজনা প্রদানের রসিদ। জমির দলিলের মূল কপি না থাকলে সার্টিফাইড কপি জোগাড় করতে হবে। জেরক্স কপি দিয়ে চলবে না।

১১) মাধ্যমিক/উচ্চমাধ্যমিক/ইউনিভার্সিটি প্রদত্ত সার্টিফিকেট এবং এডমিট কার্ড।

১২) লিংকেজ ডকুমেন্ট যেমন- পঞ্চায়েত সার্টিফিকেট, ব্যাংক পাসবুক, ড্রাইবিং লাইসেন্স, পাসপোর্ট, রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড, বীমার কাগজপত্র, আধারকার্ড, পেন কার্ড ইত্যাদি।

১৩) অন্যান্য কোনো বৈধ নথি যেগুলো ভারতীয় হিসাবে পুর্বপুরুষের সাথে লিংকেজ প্রমাণে সাহায্য করবে।

১৩) যদি আপনি আপনার বাসস্থান এক বা একাধিকবার পরিবর্তন করেছেন তার একটা প্রমাণপত্র৷ যেমন-কখন, কীভাবে, কোথা থেকে কোথায় এসেছেন/গিয়েছেন।

১৫) মহিলাদের ক্ষেত্রে মেরেজ সার্টিফিকেট/বিবাহের প্রমাণপত্র/রেজিস্ট্রার্ড কাবিন ।

১৬) কোনো ডকুমেন্টে বয়স, নামের বানান, ঠিকানা, উপাধি ভুল থাকলে সেটার Court Affidavit

১৭) আদালতের কোন কাগজ যেখানে আপনার কোনো আত্মীয়কে ভারতীয় বলে ঘোষণা করা হয়েছে এবং আপনি সে মামলায় সাক্ষী ছিলেন। এমন কোনো কাগজ থাকলে সেটার সার্টিফাইড কপি বের করে রাখুন, জেরক্স নয়।

১৮) ডি-ভোটারদের ক্ষেত্রে কখন, কোন সালে আপনি ডি-ভোটার হয়েছিলেন তার প্রমাণ। আপনার ডি-ভোটারের স্থিতি জানার পর ‘ডি’ মুছে দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট কোনো আবেদন জানিয়েছিলেন কি? যদি জানিয়ে থাকেন সেটার প্রমাণপত্র।

১৯) এনআরসিতে আবেদন করার সময় যেসব প্রমাণপত্র জমা দিয়েছিলেন সেসব।

২০) এনআরসির প্রথম খসড়া এবং সম্পুর্ন খসড়ায় আপনার নাম অন্তর্ভুক্ত হয়ছিল কী? যদি হয়, তাহলে সেটার কোনো প্রমাণ।

২১) আপনার পরিবারের যারা এনআরসিতে অন্তর্ভুক্ত হয়ে গেছেন তাঁদের ডিটেলস্।

২২) যেসব মহিলারা পড়াশুনা করেন নি। বাবার সাথে লিংকেজ প্রমাণ করবার বৈধ কোনো কাগজপত্র নেই। তারা বাবার বাড়ির ঠিকানা থেকে দুজন এবং স্বামীর বাড়ির ঠিকানা থেকে দুজন সিনিয়র সিটিজেন দ্বারা সাক্ষীর প্রমাণপত্র ঠিক করে রাখুন।